শেরপুরে ডেভেলপমেন্ট অর্গানাইজেশন ফর হিউম্যান পটেনশিয়াল সাসটেইনেবিলিটি (ডপস) এর আয়োজনে জেলার ৫ উপজেলা থেকে অষ্টম শ্রেণীতে অধ্যয়নরত দরিদ্র মেধাবী শিক্ষার্থীদের নিয়ে “জুনিয়র মেধাবৃত্তি” পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হয়েছে। ২৮ ডিসেম্বর শনিবার সকালে শহরের উত্তরা আদর্শ উচ্চ বিদ্যালয় কেন্দ্রে শেরপুর সদর উপজেলার ৪২ টি স্কুল থেকে ৩০৮ জন শিক্ষার্থী পরীক্ষায় অংশ নেয়।

ওইসময় শেরপুর সরকারি মহিলা কলেজের সাবেক অধ্যক্ষ অধ্যাপক আশীষ চন্দ্র কর, শেরপুর প্রেসক্লাবের কার্যকরী সভাপতি কবি ও সাংবাদিক রফিক মজিদ, সাবেক ভারপ্রাপ্ত সভাপতি সিনিয়র সাংবাদিক জিএম বাবুল, উত্তরা আদর্শ উচ্চ বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক মুহসীন আলী আকন্দ, ডপস প্রতিষ্ঠাতা মো. শাহিন মিয়া বিএসপি, ডপস সভাপতি অবসরপ্রাপ্ত সার্জেন্ট মোঃ শহিদুর রহমান প্রমুখ উপস্থিত ছিলেন।
এর আগে জেলার ৪ উপজেলায় এই মেধাবৃত্তি পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হয়। ওই পরীক্ষায় শ্রীবরদী উপজেলার ৩৪ টি স্কুল থেকে ২৬০ জন, ঝিনাইগাতীর ২৩ টি স্কুল থেকে ১৭১ জন, নালিতাবাড়ীর ২৬ টি স্কুল থেকে ১৭৫ জন এবং নকলা উপজেলার ১৩ টি স্কুল থেকে ১০৫ জন শিক্ষার্থী পরীক্ষায় অংশ নেয়। এ নিয়ে জেলায় সর্বমোট ১৩৮ টি স্কুল থেকে ১০১৯ জন শিক্ষার্থী এই পরীক্ষায় অংশগ্রহণ করে।

সংগঠন সূত্রে জানা গেছে, প্রথম ধাপে লিখিত পরীক্ষা নেওয়া হয়েছে। লিখিত পরীক্ষায় উত্তীর্ণ শিক্ষার্থীদের মৌখিক পরীক্ষা ও পারিবারিক অবস্থা যাচাইপূর্বক চূড়ান্ত মেধা তালিকা তৈরি করা হবে এবং ডল্স কর্তৃক নির্ধারিত সুবিধাসমূহ প্রদান করা হবে।
উল্লেখ্য, জীবনকে সুন্দর, আলোকিত ও সুশিক্ষিত জাতি গঠনের লক্ষ্যে একযুগের অধিক সময় থেকে ‘বিশিষ্ট সেবা পদক ও জাতীয় শুদ্ধাচার পুরস্কার’ প্রাপ্ত স্বেচ্ছাসেবী সংগঠন ‘ডপস’ নিরলসভাবে কাজ করে যাচ্ছে। সংগঠনটির সহযোগিতায় বিভিন্ন অঞ্চলের অসংখ্য সুবিধাবঞ্চিত, ঝরে পড়া ও অসচ্ছল পরিবারের মেধাবী শিক্ষার্থীরা পুনরায় স্কুলমুখী হয়ে বর্তমানে মেডিকেল, বুয়েট ও ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়সহ দেশের বিভিন্ন স্বনামধন্য শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে অধ্যয়নরত।
সাধারণত গ্রামাঞ্চলে অনেক অসচ্ছল পরিবারের মেধাবী শিক্ষার্থী এসএসসি পরীক্ষার পূর্বে প্রয়োজনীয় অর্থ এবং সঠিক দিকনির্দেশনার অভাবে লেখাপড়া থেকে ঝরে পড়ে। ‘জুনিয়র মেধাবৃত্তি পরীক্ষা-২০২৫’ এর মাধ্যমে আর্থিকভাবে অসচ্ছল পরিবারের মেধাবী শিক্ষার্থীদের খুঁজে বের করে প্রয়োজনীয় শিক্ষা সহায়তা প্রদান ও তাদের মেধাকে বিকশিত করে উচ্চ শিক্ষার দ্বারপ্রান্তে পৌঁছে দেওয়াই ডপস-এর মূল লক্ষ্য বলে জানান ডপস প্রতিষ্ঠাতা মোঃ শাহিন মিয়া বিএসপি।




