শেরপুর জেলা বিএনপির আহ্বায়ক আলহাজ্ব মো. হযরত আলী বলেছেন, উন্নয়নের দিক থেকে শেরপুর জেলা অনেক পিছিয়ে আছে। ১৬ বছরে শেরপুরে আওয়ামীলীগের সরকার অনেক কাজ করে নাই। খালি টাকা লুটপাট করে খাইছে। একটা কাজ হলে তার টাকা আগেই ভাগাভাগি করে খেয়ে ফেলতো। সারা বাংলাদেশের প্রতিটি জেলার জন্য ১২শ কোটি টাকার একটা করে ফান্ড ছিলো। যার মধ্যে ৬৩ জেলায় ১২শ কোটির করে একটা প্রকল্পের কাজ হয়েছে। কিন্তু শুধু শেরপুরেই এ প্রকল্পের উন্নয়ন কাজ হয়নি। তা আমি জানার পর থেকেই এ কাজটা করার চেষ্টা করে যাচ্ছি। আশা করি সামনের বছরে প্রথম দিকেই এ কাজ শুরু হবে। এ কাজ হলে শেরপুরের উন্নয়ন কাজ হবে। এগিয়ে যাবে শেরপুর। তিনি ২৯ নভেম্বর শুক্রবার রাতে শেরপুর শহরের মাধবপুরস্থ তার নিজস্ব অফিসে সাংবাদিকদের সাথে মতবিনিময়কালে ওইসব কথা বলেন।

তিনি আরও বলেন, শেরপুরকে এগিয়ে নিতে সাংবাদিকদের সহযোগিতা প্রয়োজন। সাংবাদিকদের চোখকে ফাঁকি দেওয়া খুবই কঠিন। সাংবাদিকদের চোখে সারাবিশ্ব দেখে। সাংবাদিকদের হাতের কলমে সারাবিশ্ব চলে। একটা জাতি চলে। সাংবাদিকরা একজনকে ওঠাতেও পারে আবার নামাতেও পারে। সাংবাদিকরা আমার ভালো হলে ভালোটা লিখবেন আর খারাপ হলে খারাপটাও লিখবেন। আমিন সকল জাতীয়তাবাদীদের নিয়ে এক কাতারে চলতে চাই। একইসাথে সকল সাংবাদিকদেরও এক কাতারে দেখতে চাই।
হযরত আলী আরও বলেন, ৫ তারিখে যে স্বাধীনতা হয়েছে তাতে শেরপুরে ১৩ জন শহীদ হয়েছেন এবং সাড়ে ৪শ লোক আহত হয়েছেন। বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমানের আদেশে তাদের অনেকের চিকিৎসা চলছে এবং অনেকে সুস্থও হয়েছে। অনেকে হাঁটতে পারতো না। চিকিৎসার পর এখন তারা হাঁটতে পারছে। অনেকে চোখে হারিয়েছিলো। তারাও এখন দেখছে। আমাদের পক্ষ থেকে আহত সকলের চিকিৎসার ব্যবস্থা হচ্ছে।

সাংবাদিকদের সাথে মতবিনিময়কালে অন্যান্যের মধ্যে জেলা বিএনপির সদস্য সচিব আলহাজ্ব অ্যাডভোকেট মো. সিরাজুল ইসলাম, যুগ্ম আহ্বায়ক আওয়াল চৌধুরী, সাবেক সহসভাপতি অ্যাডভোকেট ছামিউল ইসলাম আতাহারসহ বিএনপির অন্যান্য নেতৃবৃন্দ, প্রেসক্লাবের নেতৃবৃন্দ ও অন্যান্য গণমাধ্যমকর্মীরা উপস্থিত ছিলেন।




