শেরপুরের নালিতাবাড়ী উপজেলার খরস্রোতা চেল্লাখালী নদীর তীরবর্তী এলাকায় পরিবেশের ভারসাম্য নষ্ট করে ফসলি জমিতে গভীর গর্ত করে অবৈধভাবে বালু উত্তোলনের মামলায় রসুল মামুদ (৫০) নামে এক বালু ব্যবসায়ীকে গ্রেফতার করেছে পুলিশ। ৪ মার্চ সোমবার সকালে তাকে গ্রেপ্তারের পর বিকেলে আদালতের মাধ্যমে তাকে কারাগারে পাঠনো হয়।

জানা গেছে, নালিতাবাড়ী উপজেলার বারমারী বাজারের পশ্চিম পাশ দিয়ে বয়ে চলা চেল্লাখালী নদীর তীরবর্তী ফসলী জমিতে প্রায় ২০/৩০ ফুট গর্ত করে অবৈধভাবে বালু উত্তোলন করে আসছিল ওই এলাকার রসুল মামুদ নামে জৈনক এক বালু ব্যবসায়ী। ওই বালু উত্তোলনের ফলে পার্শ্ববর্তী বারমারী বাজার জামে মসজিদ, বোরো আবাদের জন্য নদীতে স্থাপিত সেচ মর্টারের ড্রেন ও বিদ্যুতের খুঁটি মারাত্মক ঝুঁকিতে পরে। এসব স্থাপনা রক্ষায় বালু উত্তোলন বন্ধ করার লক্ষে এলাকাবাসী শেরপুর জেলা প্রশাসক ও নালিতাবাড়ী উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা বরাবর একটি আবেদনপত্র দাখিল করেন।
পরে ওই আবেদনের প্রেক্ষিতে ইউনিয়ন ভুমি অফিসের তহশিলদার রেজাউল করিম বাদী হয়ে বালু উত্তোলনে জড়িত ৩ জনের নামে থানায় একটি মামলা দায়ের করেন। এরইপ্রেক্ষিতে সোমবার সকালে ওই মামলার প্রধান আসামি রসুল মামুদকে গ্রেফতার করে দুপুরে আদালতের মাধ্যমে তাকে কারাগারে পাঠিয়েছে পুলিশ।

বিষয়টি নিশ্চিত করে নালিতাবাড়ী থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা মনিরুল আলম ভুইয়া বলেন, অবৈধভাবে বালু উত্তোলনের জন্য দায়ের করা মামলায় তিনজন আসামীর মধ্যে প্রধান আসামি রসুল মামুদকে গ্রেফতার করে আদালতে পাঠানো হয়। একইসাথে বাকি আসামিদের গ্রেফতারের চেষ্টা চলছে।




