শেরপুরের শ্রীবরদীর ভেলুয়া গ্রামের সাবেক ইউপি চেয়ারম্যান জহুরুল হক মজনুর ১৮ টি লিচুর গাছ কেটে দিয়েছে দুর্বৃত্তরা। এতে তার লক্ষাধিক টাকার ক্ষতি হয়েছে বলে দাবি করেছেন ভুক্তভোগী। ১৯ ফেব্রুয়ারি সোমবার গভীর রাতে ওই ঘটনা ঘটে। মঙ্গলবার দুপুরে ক্ষতিগ্রস্ত লিচুর বাগানে গিয়ে দেখা যায়, কেটে ফেলা গাছগুলো পড়ে আছে মাটিতে। সচেতন মহলের প্রশ্ন, গাছের সাথে এ কেমন শত্রুতা?

ভুক্তভোগী সাবেক ইউপি চেয়ারম্যান জহুরুল হক মজনু জানান, তিনি তার বাড়ির পাশে একটি লিচু ও আমের বাগান করেছেন। এতে তার খরচ হয়েছে লক্ষাধিক টাকা। এবার তার লিচুর বাগানে মুকুল আসবে। সম্প্রতি তার সাথে স্থানীয় একটি পক্ষের বাজারের জমি নিয়ে বিরোধ চলছে। বিষয়টি নিয়ে কোর্টে মামলা চলমান। সোমবার দিবাগত রাতে দুর্বৃত্তরা তার বাগানের ১৮ টি গাছ কেটে ফেলে দুর্বৃত্তরা। এতে লিচু গাছগুলো মাটিতে পড়ে শুকিয়ে যাচ্ছে।
ক্ষতিগ্রস্ত জহুরুল হক মজনু বলেন, আমার সাথে জমি নিয়ে দ্বন্দ্ব আছে। তাই বলে আমার লিচুর চারা, আমের চারা গাছ কেটে ফেলবে? এ কেমন শত্রুতা? আমি এর বিচার চাই।

স্থানীয় বাসিন্দা সাবেক ইউপি সদস্য আমিরুল ইসলাম মধু দেওয়ান ও স্থানীয় বাসিন্দা নুর ইসলাম মনির জানান, তিনি একজন জনপ্রিয় চেয়ারম্যান ছিলেন। তিনি কথনোই বাগানের ফল বিক্রি করেন না। আশপাশের মানুষ এসব খায়। বর্তমানে তার সাথে স্থানীয় একটি পক্ষের বাজারের জমি নিয়ে দ্বন্দ্ব চলছে। তবে রাতের আধারে কে বা কারা তার লিচুর গাছ কেটেছে তা আমরা জানতে পারি নাই। রাতের আধারে এই ফলের বাগানের গাছগুলো কেটে ফেলেছে। আমরা এর নিন্দা জানাই।




