ads

শনিবার , ২১ জানুয়ারি ২০২৩ | ৬ই বৈশাখ, ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
তথ্য ও সম্প্রচার মন্ত্রণালয়ের নিবন্ধনপ্রাপ্ত অনলাইন নিউজ পোর্টাল
  1. ENGLISH
  2. অনিয়ম-দুর্নীতি
  3. আইন-আদালত
  4. আন্তর্জাতিক
  5. আমাদের ব্লগ
  6. ইতিহাস ও ঐতিহ্য
  7. ইসলাম
  8. উন্নয়ন-অগ্রগতি
  9. এক্সক্লুসিভ
  10. কৃষি ও কৃষক
  11. ক্রাইম
  12. খেলাধুলা
  13. খেলার খবর
  14. চাকরির খবর
  15. জাতীয় সংবাদ

কুড়িগ্রাম কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়ে অনুমতি পেলে আগামী শিক্ষাবর্ষে ফিশারিজ ও অ্যাগ্রিকালচারে শিক্ষার্থী ভর্তি

নজরুল ইসলাম, স্টাফ রিপোর্টার, ময়মনসিংহ
জানুয়ারি ২১, ২০২৩ ৮:৪১ অপরাহ্ণ

অস্থায়ী ক্যাম্পাস হচ্ছে বন্ধ কুড়িগ্রাম টেক্সটাইল মিলস্ চত্বরে

বিশ্বের সর্বাধুনিক প্রযুক্তিনির্ভর কৃষি বিশ্ববিদ্যালয় স্থাপনের লক্ষ্য নিয়ে কুড়িগ্রাম কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়ের অস্থায়ী ক্যাম্পাস হচ্ছে বন্ধ অবস্থায় পড়ে থাকা কুড়িগ্রাম টেক্সটাইল মিলস্ চত্বরে। অনুমতি পেলে কুড়িগ্রাম কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়ে দুটি বিষয়ে আগামী শিক্ষাবর্ষে শিক্ষার্থী ভর্তি করা হবে বলে শনিবার বিকেলে বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন উপাচার্য (ভিসি) প্রফেসর ড. এ কে এম জাকির হোসেন।
তিনি আরো জানান, এই মিলটি গত এক দশকেরও বেশি সময় ধরে বন্ধ রয়েছে। বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্যের আবেদনের পরিপ্রেক্ষিতে এ বিষয়ে বস্ত্র ও পাট মন্ত্রণালয়সহ সংশ্লিষ্ট বিভাগের অনুমোদন পাওয়া গেছে। সবকিছু ঠিক থাকলে টেক্সটাইল মিলস্ চত্বরটি বিশ্ববিদ্যালয়ের অস্থায়ী ক্যাম্পাস হতে যাচ্ছে ।

Shamol Bangla Ads

ড. এ কে এম জাকির হোসেন বলেন, ‘কুড়িগ্রাম কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষা কার্যক্রম শুরুর জন্য আমরা বন্ধ থাকা কুড়িগ্রাম টেক্সটাইল মিলস চত্বরে ক্যাম্পাস চেয়েছি। আমাদের প্রস্তাব বিটিএমসির বোর্ড মিটিংয়ে অনুমোদন হওয়ার পর সেটি মন্ত্রণালয়ে পাঠানো হয়েছে। মন্ত্রণালয় সেটি অনুমোদন করেছে বলে জানতে পেরেছি। এখন ইউজিসি অনুমতি দিলে আমরা টেক্সটাইল মিলস্ চত্বরকে বিশ্ববিদ্যালয়ের অস্থায়ী ক্যাম্পাস হিসেবে ব্যবহার করবো।’
উপাচার্য বলেন, ‘আমরা অস্থায়ী ভিত্তিতে টেক্সটাইল মিলস্ চত্বরটি বিশ্ববিদ্যালয় ক্যাম্পাস হিসেবে ভাড়া নেবো। এখন ভাড়া নির্ধারণসহ ইউজিসি অনুমোদন দিলে আমরা কার্যক্রম শুরু করবো।’

১৯৮৭ সালে বাংলাদেশ সরকার কুড়িগ্রাম টেক্সটাইল মিলস্ প্রতিষ্ঠা করেছিল। বাংলাদেশ টেক্সটাইল মিলস্ করপোরেশনের (বিটিএমসি) অন্তর্ভুক্ত রাষ্ট্রায়ত্ত প্রতিষ্ঠানটি কুড়িপ্রাম পৌর এলাকায় জেলা শহর থেকে দক্ষিণে নাজিরা এলাকায় কুড়িগ্রাম-চিলমারী মহাসড়কের পাশেই অবস্থিত। এক সময় কর্মমুখর থাকলেও লাগাতার লোকসানের মুখে ২০১১ সালে উৎপাদন বন্ধ হয়ে যায়। সেই থেকে বন্ধ রয়েছে। বিটিএমসির কর্মকর্তা হিসেবে মিলটিতে বর্তমানে একজন ব্যবস্থাপকসহ কয়েকজন সদস্য কর্মরত রয়েছেন। তবে বেশ কয়েক বছর থেকে এর ভেতরের ভবনগুলো আবাসিক হিসেবে ভাড়া দেওয়া হচ্ছে।
প্রায় ১৫ একরের বেশি আয়তনের এলাকাজুড়ে সীমানা প্রাচীর ঘেরা এই মিলের ক্যাম্পাসটি সবুজে ভরা। এর ভেতরে হেরিংবন্ড সড়ক, মাঠ, বড় বড় গাছপালাসহ পুকুর রয়েছে। এ ছাড়াও বাগান করার জন্য পর্যাপ্ত জায়গাও রয়েছে।

Shamol Bangla Ads

বিশ্ববিদ্যালয়ের অস্থায়ী ক্যাম্পাসের জন্য টেক্সটাইল মিলস্ চত্বরটির উপযুক্ততা তুলে ধরে উপাচার্য ড. জাকির হোসেন বলেন, ‘টেক্সটাইল মিলস্ চত্বরটি ক্যাম্পাসের জন্য উপযুক্ত হবে। এটি একটি ভালো ক্যাম্পাস। শিক্ষার্থীদের নিরাপত্তাসহ কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়ের কার্যক্রম পরিচালনার জন্য সেখানে বেশ কিছু বিষয় রয়েছে। কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীদের রিসোর্সের জন্য মাঠের প্রয়োজন। টেক্সটাইল মিলস্ চত্বরে মাঠ, গাছপালা ও পুকুর রয়েছে। ফলে বিশ্ববিদ্যালয়ের গবেষণা ও অন্যান্য কার্যক্রমের জন্য এটি ভালো হবে। এখন ইউজিসি অনুমোদন দিলে প্রয়োজনীয় সংস্কারের বরাদ্দ দিলে আমরা আনুষ্ঠানিকভাবে কার্যক্রম শুরু করবো।’

আগামী শিক্ষাবর্ষে শিক্ষার্থী ভর্তি : আগামী শিক্ষাবর্ষ (২০২২-২০২৩) থেকে শিক্ষার্থী ভর্তির উদ্যোগ নেওয়া হচ্ছে জানিয়ে উপাচার্য ড. জাকির হোসেন বলেন, ‘আমরা শিক্ষার্থী ভর্তির জন্য ইউজিসির কাছে আবেদন জমা দিয়েছি। সে অনুযায়ী কোর্স কারিকুলাম, কন্টেন্ট জমা দিয়েছি। এখন ইউজিসি অনুমোদন দিলে আমরা ভর্তি কার্যক্রম শুরু করতে পারবো।’
‘আমরা একটা ভালো ক্যাম্পাস পাচ্ছি। শিক্ষা মন্ত্রণালয় এবং ইউজিসি মিলে একটি কমিটি করা হয়েছে। নতুন বিশ্ববিদ্যালয়গুলোর অ্যাকাডেমিক কার্যক্রম কীভাবে চলবে সে বিষয়ে তারা প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে কথা বলে সিদ্ধান্ত দেবেন। তারা আমাকে সিদ্ধান্ত দিলে আমি কার্যক্রম শুরু করতে পারবো।’

প্রথম বছর যে কয়টি বিভাগ খুলছে : অনুমতি পেলে কুড়িগ্রাম কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়ে দুটি বিষয়ে শিক্ষার্থী ভর্তি করা হবে বলে জানিয়েছেন বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য। প্রতিটি বিষয়ে ৩০টি করে আসন থাকতে পারে। তিনি বলেন, ‘প্রথম বছর আমরা ফিশারিজ এবং অ্যাগ্রিকালচার বিষয়ে শিক্ষার্থী ভর্তি করবো। পরের বছর আসন সংখ্যা ও বিষয় বাড়ানো হবে।’
এর আগে ২০২১ সালের ১৫ সেপ্টেম্বর সংসদে ‘কুড়িগ্রাম কৃষি বিশ্ববিদ্যালয় বিল-২০২১’ পাস হয়। বিলে বলা হয়েছে, বিশ্ববিদ্যালয় কৃষি বিজ্ঞানের বিভিন্ন বিষয়ে স্নাতক এবং স্নাতকোত্তর পর্যায়ে শিক্ষাদান এবং গবেষণা ও প্রশিক্ষণের প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেবে। শিক্ষা সংক্রান্ত কার্যক্রমের পাশাপাশি বিশ্ববিদ্যালয় টেকসই কৃষি প্রযুক্তি ও উচ্চ ফলনশীল কৃষিজ দ্রব্যের প্রদর্শনীর ব্যবস্থা করবে।

Need Ads
error: কপি হবে না!