মুজিব জন্মশতবার্ষিকী ও স্বাধীনতার সুবর্ণজয়ন্তী উপলক্ষে জেলা পরিষদের উদ্যোগে আয়োজিত দ্বৈতজুটির ব্যাডমিন্টন টুর্নামেন্টে সাবেক পৌর কাউন্সিলর মো. আমিনুল ইসলাম ছলুর মালিকানাধীন এনাম-গৌরব জুটি চ্যাম্পিয়ন হয়েছে। ২ এপ্রিল শনিবার রাতে শেরপুরের চকপাঠকস্থ শহীদ মুক্তিযোদ্ধা স্মৃতি স্টেডিয়ামের ইনডোরে অনুষ্ঠিত ‘বেস্ট অব থ্রি’ ফাইনালের খেলায় তারা ইউপি চেয়ারম্যান মো. হাবিবুর রহমান হাবিবের মালিকানাধীন মিজান-নাইম জুটিকে ২-১ গেমে পরাজিত করে।

উভয় দলেই জাতীয় পর্যায়ের শাটলারদের অংশগ্রহণে তীব্র প্রতিদ্বন্দ্বিতাপূর্ণ ফাইনালের প্রথম সেটটি হাবিবের মিজান-নাইম জুটি ২১-১৬ পয়েন্টে জয়লাভ করে। দ্বিতীয় সেটে প্রবলভাবে ঘুরে দাঁড়িয়ে ছলুর এনাম-গৌরব জুটি হাড্ডাহাড্ডি লড়াইয়ের পর ২১-২০ পয়েন্টে জয়লাভ করে সমতা আনে। পরে শিরোপা নির্ধারণী তৃতীয় গেমটি ছলুর এনাম-গৌরব জুটি ২১-১৫ পয়েন্টে জয়লাভ করে শিরোপার উল্লাসে মেতে ওঠে।
খেলা শেষে বিজয়ী ও বিজিত দলের মাঝে পুরস্কার হিসেবে ট্রফি তুলে দেওয়া হয়। চ্যাম্পিয়ন হওয়ায় ছলুর এনাম-গৌরব জুটিকে ট্রফি, ক্রেস্ট ও নগদ ৫০ হাজার টাকা প্রাইজমানি প্রদান করা হয়। এছাড়া রানারআপ হাবিবের মিজান-নাইম লাভ করে ট্রফি, ক্রেস্ট ও প্রাইজমানি নগদ ৪০ হাজার টাকা।
খেলা শুরুর আগে আয়োজিত সংক্ষিপ্ত আলোচনা সভায় প্রধান অতিথি হিসেবে বক্তব্য রাখেন জেলা প্রশাসক মো. মোমিনুর রশীদ। এতে উদ্বোধক হিসেবে বক্তব্য রাখেন জেলা পরিষদ চেয়ারম্যান হুমায়ুন কবীর রুমান। জেলা পরিষদের প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা সাইয়েদ এ.জেড মোরশেদ আলীর সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি হিসেবে বক্তব্য রাখেন পুলিশ সুপার হাসান নাহিদ চৌধুরী, পৌর মেয়র গোলাম মোহাম্মদ কিবরিয়া লিটন, সদর উপজেলা চেয়ারম্যান মো. রফিকুল ইসলাম, সাবেক উপজেলা পরিষদ চেয়ারম্যান ছানুয়ার হোসেন ছানু, জেলা মহিলা ক্রীড়া সংস্থার সভাপতি জান্নাতুল ফেরদৌস প্রিয়া প্রমুখ।

জেলা যুব রেড ক্রিসেন্টের প্রধান ইউসূফ আলী রবিনের সঞ্চালনায় অনুষ্ঠানে আরও উপস্থিত ছিলেন জেলা পুনাক সভাপতি কাজী মোনালিসা মারিয়া, জেলা রেড ক্রিসেন্টের সিনিয়র সহ-সভাপতি শামছুন্নাহার কামাল, প্রেসক্লাব সভাপতি শরিফুর রহমান, আওয়ামী লীগ নেতা বীর মুক্তিযোদ্ধা আব্দুল খালেক, জেলা স্বেচ্ছাসেবক লীগের যুগ্ম আহবায়ক খোরশেদ আলম ইয়াকুব, জেলা পরিষদের সদস্য এ্যাডভোকেট ফারহানা পারভীন মুন্নী, আব্দুল হান্নান মোল্লা প্রমুখ।
আয়োজকরা জানান, মুজিব জন্মশতবার্ষিকী ও স্বাধীনতার সুবর্ণজয়ন্তী উপলক্ষে জেলা পরিষদ আয়োজিত এ ব্যাডমিন্টন টুর্নামেন্টে ৪৮টি দ্বৈত জুটি অংশগ্রহণ করে। এ টুর্নামেন্টে জাতীয় পর্যায়ের সেরা সেরা শাটলাররা খেলায় অংশগ্রহণ করায় স্থানীয়ভাবে দারুণ জনপ্রিয়তা পায়। বিপুল সংখ্যক দর্শক ব্যাডমিন্টন ফাইনাল খেলাটি উপভোগ করেন।




