শেরপুরে জেলা বিএনপির সাধারণ সম্পাদক আলহাজ্ব মো. হযরত আলী ও যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক মো. শফিকুল ইসলাম মাসুদের সমর্থকদের মধ্যে সংঘর্ষের ঘটনা ঘটেছে। ২২ মার্চ মঙ্গলবার দুপুর ১টায় শহরের ডিসিগেইট মোড়ে এ সংঘর্ষের ঘটনা ঘটে। এতে জেলা ছাত্রদলের সাধারণ সম্পাদক নিয়ামুল হাসান আনন্দ (৩১)সহ অন্তত ১০ জন আহত হয়েছে।

জানা গেছে, বেশ কিছুদিন ধরে জেলা বিএনপির সাধারণ সম্পাদক মো. হযরত আলী এবং যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক ও জেলা যুবদলের সভাপতি মো. শফিকুল ইসলাম মাসুদ গ্রুপের মধ্যে দলীয় কোন্দল চলে আসছিলো। মঙ্গলবার দুপুরে কেন্দ্রীয় কর্মসূচির অংশ হিসেবে দ্রব্যমূল্যের উর্ধ্বগতির প্রতিবাদে বিএনপি ও সহযোগী সংগঠনের নেতৃবৃন্দ জেলা প্রশাসক বরাবর স্মারকলিপি দেওয়ার জন্য জেলা প্রশাসক চত্বরে জমায়েত হতে থাকেন। জেলা প্রশাসক মো. মোমিনুর রশীদের হাতে স্মারকলিপি প্রদানের পর ফিরে যাওয়ার পথে হযরত আলী ও শফিকুল ইসলাম মাসুদের সমর্থকদের মাঝে সংঘর্ষ শুরু হয়। এতে জেলা ছাত্রদলের সাধারণ সম্পাদক নিয়ামুল হাসান আনন্দ, মো. রনি ও মো. আশরাফসহ অন্তত ১০ জন আহত হয়। পরে পুলিশ গিয়ে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনে।
এ ব্যাপারে জেলা বিএনপির সাধারণ সম্পাদক মো. হযরত আলী জানান, ইতোপূর্বে মাসুদসহ তিনজনের বিরুদ্ধে দলীয় শৃঙ্খলা ভঙ্গের অভিযোগে ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য কেন্দ্রে পত্র প্রেরণ করা হয়েছে। এর ফলে ক্ষুব্ধ হয়ে আমার নেতা-কর্মীর ওপর অতর্কিত হামলা চলানো হয়েছে।

তবে জেলা বিএনপির যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক মো. শফিকুল ইসলাম মাসুদ জানান, সামনের সারিতে দাঁড়ানোকে কেন্দ্র করে এ ঘটনা ঘটেছে। আমার কোন সমর্থক এ ঘটনার সাথে জড়িত নয়।
এ ঘটনায় শেরপুর জেলা বিএনপির সভাপতি মো. মাহমুদুল হক রুবেল জানান, আমরা এ বিষয়টি কেন্দ্রীয় কমিটিকে জানাবো। কেন্দ্রীয় সিদ্ধান্ত অনুযায়ী ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
এ ব্যাপারে শেরপুর সদর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা মনসুর আহমেদ জানান, বর্তমানে পরিস্থিতি স্বাভাবিক আছে।




