শ্যামলবাংলা ডেস্ক : গণ আন্দোলনের তীব্রতায় ভীত হয়ে সরকার দমন, নির্যাতন-নিপীড়ন শুরু করেছে বলে মন্তব্য করেছেন বিএনপির সদ্য দায়িত্বপ্রাপ্ত মুখপাত্র যুগ্ম মহাসচিব সালাহউদ্দিন আহমেদ। ৩০ নভেম্বর শনিবার বিকেলে এক বিবৃতিতে তিনি বলেন, গণ আন্দোলনের তীব্রতা দেখে সরকার অতিমাত্রায় ভীত হয়ে দমন-পীড়ন, হামলা-মামলা, হত্যা-গেফতার চালিয়ে শেষ রক্ষা পেতে চায়। কিন্তু ইতিহাস সাক্ষী দেয়, সব স্বৈরাচারের পতন হয়েছে গণ আন্দোলনের মুখে। সেইসাথে গ্রেফতারকৃত দলের যুগ্ম মহাসচিব রুহুল কবির রিজভীসহ শীর্ষস্থানীয় নেতাদের মুক্তিও দাবি করেন তিনি।
রিজভী গ্রেফতারের পর দলের দায়িত্বপ্রাপ্ত মুখপাত্র সালাহউদ্দিন আহমেদ অভিযোগ করেন, অবৈধ সরকারের মন্ত্রীরা আলোচনার নামে ধুম্রজাল সৃষ্টি করছে। আলোচনার আগে সব নেতাকর্মীর মুক্তি দিয়ে মামলা প্রত্যাহার করে আলোচনা করার মত পরিবেশ তৈরি করতে হবে।
তিনি বলেন, আমরা কোনো গোপন সংগঠন করি না। তলে তলে নয়, আলোচনা যদি হয়, তা প্রকাশ্যে হতে হবে। অবশ্যই আলোচনার পূর্বে নির্দলীয় সরকারের গণদাবি নীতিগতভাবে মেনে নিতে হবে। যুগ্ম মহাসচিব রুহুল কবির রিজভী আহমেদ ও নির্বাহী কমিটির সদস্য বেলাল আহমেদকে গ্রেপ্তারের নিন্দা ও প্রতিবাদ জানানো হয় বিবৃতিতে। এতে ওই ঘটনাকে ‘ইতিহাসের কলঙ্কজনক অধ্যায়’ হিসাবে আখ্যায়িত করা হয়।
দলের যুগ্ম মহাসচিব আবদুল লতিফ জনি স্বাক্ষরিত বিবৃতিতে সালাহউদ্দিন আহমেদ জানান, ১৮ দলীয় জোটের ডাকা ৭২ ঘন্টার অবরোধ কর্মসূচির প্রথম দিনে সারাদেশে আইনশৃঙ্খলা বাহিনী এবং আওয়ামী লীগের সশস্ত্র ক্যাডারদের হামলা ও গুলিবর্ষণের ঘটনায় ২ জন নিহত হয়েছে। অবরোধ কর্মসূচিতে জনগণ স্বতস্ফূর্তভাবে অংশগ্রহণ করছে বলেও দাবি করেন তিনি।




