ads

বুধবার , ১৭ এপ্রিল ২০১৯ | ৬ই বৈশাখ, ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
তথ্য ও সম্প্রচার মন্ত্রণালয়ের নিবন্ধনপ্রাপ্ত অনলাইন নিউজ পোর্টাল
  1. ENGLISH
  2. অনিয়ম-দুর্নীতি
  3. আইন-আদালত
  4. আন্তর্জাতিক
  5. আমাদের ব্লগ
  6. ইতিহাস ও ঐতিহ্য
  7. ইসলাম
  8. উন্নয়ন-অগ্রগতি
  9. এক্সক্লুসিভ
  10. কৃষি ও কৃষক
  11. ক্রাইম
  12. খেলাধুলা
  13. খেলার খবর
  14. চাকরির খবর
  15. জাতীয় সংবাদ

শেরপুর সদর ও নকলা উপজেলায় কে হচ্ছেন নৌকার কাণ্ডারি

শ্যামলবাংলা ডেস্ক
এপ্রিল ১৭, ২০১৯ ৯:৫৩ অপরাহ্ণ

স্টাফ রিপোর্টার ॥ শেরপুরের ৫ উপজেলার মধ্যে তৃতীয় ধাপে ৩টি উপজেলার নির্বাচন শেষ হলেও পঞ্চম ধাপে অনুষ্ঠিত হবে সদর ও নকলা উপজেলা পরিষদের নির্বাচন। এখনও পঞ্চম ধাপে অনুষ্ঠেয় নির্বাচনের তফসিল ঘোষিত না হলেও আগামী রমজানের পর সম্ভাব্য ভোট গ্রহণের তারিখ হিসেবে ভাবা হচ্ছে ১৮ জুন। অন্যদিকে ওই ২ উপজেলায় আওয়ামী লীগের চেয়ারম্যান প্রার্থীও এখনও চূড়ান্ত না হওয়ায় তা নিয়ে চলছে নানা জল্পনা-কল্পনা। কে কে হচ্ছেন ওই ২ উপজেলার নৌকার কাণ্ডারি এমন প্রশ্নই এখন ঘুরে ফিরে উচ্চারিত হচ্ছে জেলার রাজনৈতিক অঙ্গনে।
জানা যায়, এবার ষষ্ঠ ধাপে অনুষ্ঠেয় শেরপুর সদর উপজেলা পরিষদ নির্বাচনকে সামনে রেখে কেন্দ্রীয় আওয়ামী লীগ তৃণমূলের ভোটের মাধ্যমে চেয়ারম্যান পদে কমপক্ষে ৩ জনের নাম পাঠানোর জন্য নির্দেশনা দিলেও তৃণমূলের ভোট ব্যতিরেকে কেবল উপজেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক, ভাতশালা ইউনিয়নের ৩ দফায় নির্বাচিত চেয়ারম্যান রফিকুল ইসলামের একক নাম কেন্দ্রে পাঠানো হয়। পরবর্তীতে দলীয় মনোনয়নপত্র সংগ্রহ উন্মুক্ত থাকায় জেলা আওয়ামী লীগের সাবেক যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক, সদর উপজেলা চেয়ারম্যান ছানুয়ার হোসেন ছানু ও জেলা আওয়ামী লীগের সহ-সভাপতি, লছমনপুর ইউনিয়নের দু’দফায় নির্বাচিত চেয়ারম্যান মিনহাজ উদ্দিন মিনাল মনোনয়নপত্র সংগ্রহ করে কেন্দ্রে জমা দেন। সেই থেকে প্রস্তাবিত রফিকুল ইসলামের পাশাপাশি তারা দু’জনও দলীয় মনোনয়ন পেতে কেন্দ্রে জোর লবিং চালিয়ে যাচ্ছেন। জেলা, উপজেলা ও শহর আওয়ামী লীগের দায়িত্বশীল সূত্রগুলো এককভাবে প্রস্তাব পাঠানো রফিকুল ইসলামের দলীয় মনোনয়ন প্রাপ্তির বিষয়ে প্রবল আশাবাদী। অন্যদিকে কেন্দ্রে একাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে মনোনয়নপ্রত্যাশী থেকেও যারা মনোনয়ন পাননি, বিশেষ করে দ্বিতীয় অবস্থানে ছিলেন তারা এবং বর্তমান চেয়ারম্যানদের মধ্যে যারা এখনও সক্রিয়, বয়স্ক-অসুস্থ বা দুর্নীতির কোন মামলায় অভিযুক্ত নন- মনোনয়নের ক্ষেত্রে তাদেরকে অগ্রাধিকার দেওয়া হচ্ছে- এমন বিষয়টি আলোচিত হওয়ায় এবারও মনোনয়ন পেতে প্রবল আশাবাদী ছানুয়ার হোসেন ছানু ও তার অনুসারীরা। অন্যদিকে মিনহাজ উদ্দিন মিনাল কেন্দ্রে খুব একটা অবস্থান তৈরি করতে না পারলেও মাঠ পর্যায়ে রয়েছে তার একটি বিশেষ অবস্থান। কাজেই মনোনয়ন না পেলেও জেলার অপর ৩টি নির্বাচনের ফলাফলের প্রেক্ষাপটে ছানু বা মিনাল বিদ্রোহী প্রার্থী হিসেবে নির্বাচনে অবতীর্ণ হতে পারেন-এমন গুঞ্জনও রয়েছে।
এদিকে নকলায় তৃণমূলের ভোটে উপজেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক বীর মুক্তিযোদ্ধা শফিকুল ইসলাম জিন্নাহকে প্রথম অবস্থানে রেখে ৩ জনের প্রস্তাব কেন্দ্রে পাঠানো হলেও এখনও ঘোষিত হয়নি চূড়ান্ত প্রার্থী। ত্যাগী ও পরিচ্ছন্ন নেতা হিসেবে জিন্নাহর পরিচিতি ও অবস্থানের সূত্রে তিনিই দলীয় মনোনয়ন পাচ্ছেন এমনটিই জোরালোভাবেই শোনা যাচ্ছে। তবে তৃণমূলের ভোটে দ্বিতীয় হওয়া সাবেক উপজেলা চেয়ারম্যান শাহ মোঃ বোরহান ও তৃতীয় হওয়া বর্তমান উপজেলা চেয়ারম্যান মাহবুবুল আলম সোহাগও মনোনয়ন পেতে হাল ছাড়েননি। এ উপজেলাতেও মনোনয়ন না পেলে শাহ মোঃ বোরহান বিদ্রোহী প্রার্থী হিসেবে লড়বেন এমনটাই শোনা যাচ্ছে।

Need Ads
error: কপি হবে না!