ads

রবিবার , ১ নভেম্বর ২০২৬ | ১ নভেম্বর ২০২৬
তথ্য ও সম্প্রচার মন্ত্রণালয়ের নিবন্ধনপ্রাপ্ত অনলাইন নিউজ পোর্টাল
  1. ENGLISH
  2. অনিয়ম-দুর্নীতি
  3. আইন-আদালত
  4. আন্তর্জাতিক
  5. আমাদের ব্লগ
  6. ইতিহাস ও ঐতিহ্য
  7. ইসলাম
  8. উন্নয়ন-অগ্রগতি
  9. এক্সক্লুসিভ
  10. কৃষি ও কৃষক
  11. ক্রাইম
  12. খেলাধুলা
  13. খেলার খবর
  14. চাকরির খবর
  15. জাতীয় সংবাদ

মিরপুরে পুলিশের সঙ্গে পোশাকশ্রমিকদের সংঘর্ষ, টিয়ারশেল-লাঠিচার্জ, পুলিশের পিকআপে আগুন

শ্যামলবাংলা ডেস্ক - ফটো কার্ড
নভেম্বর ১, ২০২৬ ২:৫৫ অপরাহ্ণ

ন্যূনতম মজুরি ৩০ হাজার টাকার দাবিতে রাজধানীর মিরপুর ১০ নম্বর গোলচত্বরে সড়ক অবরোধ করা পোশাকশ্রমিকদের সঙ্গে পুলিশের সংঘর্ষ হয়েছে। আজ রোববার সকাল সাড়ে ১১টার দিকে এ ঘটনা ঘটে। পুলিশ শ্রমিকদের সরিয়ে দিতে চাইলে ধাওয়া-পাল্টা ধাওয়া ও ইটপাটকেল নিক্ষেপের ঘটনা ঘটে। একই সময়ে মিরপুর-১১ নম্বরে পুলিশের একটি পিকআপে আগুন দেওয়ার ঘটনা ঘটে।

Shamol Bangla Ads

এর আগে ১ নভেম্বর রবিবার সকাল আটটা থেকে মিরপুর ১০ নম্বর গোলচত্বরে সড়ক অবরোধ করে বিক্ষোভ করছিলেন শ্রমিকেরা। পুলিশ প্রথমে শ্রমিকদের সড়ক ছেড়ে দেওয়ার অনুরোধ জানায়। শ্রমিকেরা সড়ক ছাড়তে রাজি না হলে পুলিশ তাঁদের সরিয়ে দেয়। এ সময় পুলিশ পোশাকশ্রমিকদের ওপর লাঠিচার্জ করলে শ্রমিকেরা পুলিশকে লক্ষ্য করে ইটপাটকেল নিক্ষেপ করেন। পুলিশ টিয়ার শেল নিক্ষেপ করলে শ্রমিকেরা ছত্রভঙ্গ হয়ে যান। পরে একদল শ্রমিক মিরপুর ২ নম্বরের দিকে এবং আরেক দল পল্লবীর দিকে চলে যান।
আন্দোলনে অংশ নেওয়া শ্রমিক তাজুল ইসলাম বলেন, ন্যূনতম মজুরি ৩০ হাজার টাকার দাবিতে তাঁরা গত কয়েক দিন ধরে আন্দোলন করছেন। কিন্তু সরকারের পক্ষ থেকে এখনো কোনো ব্যবস্থা নেওয়া হয়নি। এ কারণে তাঁরা প্রতিদিনই আন্দোলন করছেন।

ঢাকা মেট্রোপলিটন পুলিশের ক্রাইম প্রিভেনশন উত্তরের যুগ্ম পুলিশ কমিশনারের দায়িত্বে থাকা মো. মহিদুল ইসলাম বলেন, আন্দোলনকারীদের সঙ্গে কিছু দুষ্কৃতিকারী যুক্ত হয়েছিল। তাঁদের কর্মকাণ্ডে পুলিশের মনে হয়েছে, তাঁরা অরাজকতা সৃষ্টি বা আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতির অবনতি ঘটানোর চেষ্টা করছেন। এ কারণে পর্যাপ্ত পুলিশ সদস্য ও কর্মকর্তা মোতায়েন করা হয়েছিল।

Shamol Bangla Ads

মো. মহিদুল ইসলাম আরও বলেন, ‘জনসাধারণের দুর্ভোগ ও জনভোগান্তির কথা বিবেচনা করে আমরা তাঁদের ধাওয়া দিয়ে সড়ক থেকে সরিয়ে দিয়েছি এবং আন্দোলনকারীদের ছত্রভঙ্গ করে দিয়েছি। এ জন্য আমাদের কোনো লাঠিচার্জ করতে হয়নি। আমরা কিছু সাউন্ড গ্রেনেড ব্যবহার করেছি। তবে এ ঘটনায় কাউকে আটক করা হয়নি। আমরা শুধু সড়কটি ছেড়ে দেওয়ার জন্য তাদের সরিয়ে দিয়েছি।’

পুলিশের এই কর্মকর্তা আরও জানান, এ ঘটনায় পুলিশের কোনো সদস্য আহত হননি। তিনি আরও দাবি করেন, কোনো ধরনের মারামারি বা লাঠিচার্জের ঘটনাও ঘটেনি। তবে ঘটনাস্থলের পরিস্থিতি সম্পর্কে পাওয়া তথ্যে আন্দোলনকারীদের সঙ্গে পুলিশের ধাওয়া-পাল্টাধাওয়া এবং উভয় পক্ষের ইটপাটকেল নিক্ষেপের কথা উঠে এসেছে। এ দিকে সংঘর্ষের পর মিরপুর এলাকায় যান চলাচল স্বাভাবিক হলেও সড়কে গাড়ির সংখ্যা কম দেখা গেছে।

Need Ads