২০২৬ বিশ্বকাপের পর্দা উঠতেই জমে উঠেছে গোল্ডেন বুটের লড়াই। টুর্নামেন্টের সর্বোচ্চ গোলদাতাকে দেওয়া হয় এই মর্যাদাপূর্ণ পুরস্কার। আর গ্রুপ পর্বের শুরুতেই গোলের বন্যা বইয়ে দিয়ে আলোচনার কেন্দ্রবিন্দুতে উঠে এসেছেন আর্জেন্টিনার অধিনায়ক লিওনেল মেসি।

আলজেরিয়ার বিপক্ষে বিশ্বকাপের প্রথম ম্যাচেই হ্যাটট্রিক করে গোল্ডেন বুটের তালিকার শীর্ষে উঠে গেছেন মেসি। তার তিন গোলে ৩-০ ব্যবধানে জয় পেয়েছে বর্তমান বিশ্বচ্যাম্পিয়ন আর্জেন্টিনা। একই সঙ্গে বিশ্বকাপে নিজের গোলসংখ্যা ১৬-তে নিয়ে গিয়ে জার্মান কিংবদন্তি মিরোস্লাভ ক্লোসের সর্বোচ্চ গোলের রেকর্ডও স্পর্শ করেছেন তিনি।
গোল্ডেন বুটের দৌড়ে মেসির সবচেয়ে কাছের প্রতিদ্বন্দ্বী বর্তমানে কানাডার জোনাথন ডেভিড। কাতারের বিপক্ষে হ্যাটট্রিক করে তিনি তিন গোল নিয়ে তালিকার দ্বিতীয় স্থানে রয়েছেন। জাতীয় দলের হয়ে এটি ছিল তার ৭৯ ম্যাচে ৪২তম গোল।

দুই গোল করে যৌথভাবে পরের অবস্থানে রয়েছেন একাধিক ফুটবলার। তাদের মধ্যে রয়েছেন ব্রাজিলের ভিনিসিয়ুস জুনিয়র ও ম্যাথিউস কুনহা, ইংল্যান্ডের হ্যারি কেইন, ফ্রান্সের কিলিয়ান এমবাপে, নরওয়ের আর্লিং হলান্ড, জার্মানির কাই হাভার্টজ, সুইডেনের ইয়াসিন আইয়ারি, নিউজিল্যান্ডের এলাইজা জাস্ট, সুইজারল্যান্ডের জোহান মানজাম্বি, কানাডার সাইল লারিন, যুক্তরাষ্ট্রের ফোলারিন বালোগুন এবং মরক্কোর ইসমাইল সাইবারি।
ফ্রান্সের হয়ে দুই গোল করে আরও একটি রেকর্ড গড়েছেন এমবাপে। সেনেগালের বিপক্ষে ম্যাচে জোড়া গোল করে তিনি ফ্রান্সের ইতিহাসে সর্বোচ্চ গোলদাতার আসনে উঠে গেছেন।
অন্যদিকে বিশ্বকাপে প্রথম ম্যাচ খেলেই দুই গোল করেছেন নরওয়ের তারকা আর্লিং হলান্ড। ২৮ বছর পর বিশ্বকাপে ফেরা নরওয়েকে জয় এনে দিতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখেন ম্যানচেস্টার সিটির এই স্ট্রাইকার।
ব্রাজিলের হয়ে হাইতির বিপক্ষে জোড়া গোল করেছেন ম্যাথিউস কুনহা। একই ম্যাচে গোল পেয়েছেন ভিনিসিয়ুস জুনিয়রও। ফলে গোল্ডেন বুটের দৌড়ে শক্ত অবস্থানে রয়েছেন সেলেসাওদের দুই তারকা।
এখনও টুর্নামেন্টের অনেক পথ বাকি। তবে শুরুতেই মেসি, এমবাপে, কেইন, হলান্ড, ভিনিসিয়ুসদের গোল উৎসব ইঙ্গিত দিচ্ছে, এবারের গোল্ডেন বুটের লড়াই হতে যাচ্ছে সাম্প্রতিক সময়ের অন্যতম প্রতিদ্বন্দ্বিতাপূর্ণ এক প্রতিযোগিতা।




