শেরপুরের ঝিনাইগাতী উপজেলার ১নং কাংশা ইউনিয়ন পরিষদ ভবন মধ্যবর্তী স্থানে নির্মানের দাবিতে এলাকাবাসীর উদ্যোগে মানববন্ধন অনুষ্ঠিত হয়েছে। শুক্রবার (১৯ জুন) দুপুরে কাংশা বাজারে ইউনিয়নের বিভিন্ন গ্রামের কয়েক শতাধিক নারী-পুরুষ এ মানববন্ধনে অংশগ্রহণ করেন।

এতে বক্তব্য রাখেন, অবসর প্রাপ্ত সেনা সদস্য আমিনুল ইসলাম, আজাহার আলী মেম্বার, মাহফুজুর রহমান, মাহফুজ, সাবেক মেম্বার শের আলী, ইউপি সদস্য গোলাপ হোসেন, ইউপি সদস্য মুছা সরদার প্রমুখ।
বক্তারা বলেন, এক সময় আয়নাপুর এলাকায় বাজার ও বিভিন্ন প্রতিষ্ঠান গড়ে উঠলেও নদীভাঙনের কারণে সেসব এলাকা এখন অস্তিত্ব সংকটে রয়েছে।

এছাড়া আয়নাপুর বাজার ইউনিয়নের এক প্রান্তে অবস্থিত হওয়ায় সাধারণ মানুষকে পরিষদরের সরকারি সেবা নিতে আসা সেবা গ্রহিতাদের ভোগান্তির শিকার হতে হতে হবে। বক্তারা বলেন, দেশ স্বাধীনের ৫৫ বছরেও ইউনিয়ন পরিষদ ভবন নির্মিত হয়নি। ফলে সেবা গ্রহিতাদের যুগযুগ ধরে চরম ভোগান্তী পোহাতে হচ্ছে। দেশ স্বাধীনের পর থেকে যখন যে এলাকা থেকে চেয়ারম্যান নির্বাচিত হয়েছেন তখন সেই চেয়ারম্যান তার বাড়ির সামনেই ইউনিয়ন পরিষদ ভবন নির্মানের চেষ্টা করেন। ফলে এলাকাবাসীর সাথে সেই চেয়ারম্যানের মতবিরোধ সৃষ্টি হয়। এ কারনে গত ৫৫ বছরেও ইউনিয়ন পরিষদ ভবন নির্মিত হয়নি। ২০২৪ সালে ইউনিয়ন পরিষদ ভবন নির্মানের লক্ষে স্থান নির্ধারণের জন্য তৎকালীন উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তাকে আহ্বায়ক করে ৫ সদস্য বিশিষ্ট একটি কমিটি গঠন করা হয়। এসময় এলাকাবাসীর পক্ষ থেকে ভবন নির্মানের জন্য গুরুচরন দুধনই, আয়নাপুর ও কাংশা এলাকায় তিনটি জায়গা ভবন নির্মানের জন্য দেয়া হয়। বক্তারা বলেন, ওই তদন্ত কমিটি বর্তমান চেয়ারম্যান আতাউর রহমানের পক্ষাশ্রিত হয়ে ইউনিয়নের একাংশে আয়নাপুর বাজারে ভবন নির্মানের জন্য উর্ধ্বতন কর্মকর্তার নিকট প্রতিবেদন দেয়। বক্তারা আরও বলেন, কাংশা বাজার ইউনিয়নের কেন্দ্রস্থলে অবস্থিত হওয়ায় এখান থেকে ইউনিয়নের সব এলাকার মানুষ সহজেই যাতায়াত ও সরকারি সেবা গ্রহণ করতে পারবেন। তাই জনস্বার্থে এবং জনগণের সুবিধার কথা বিবেচনা করে কাংশা বাজারেই ইউনিয়ন পরিষদ ভবন নির্মাণের দাবি জানান তারা।
মানববন্ধন শেষে অংশগ্রহণকারীরা কাংশা বাজারে ইউনিয়ন পরিষদের স্থায়ী ভবন নির্মাণের দাবিতে বিভিন্ন স্লোগান দেয় । একই সঙ্গে দ্রুত সময়ের মধ্যে তাদের দাবির বাস্তবায়নে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের হস্তক্ষেপ কামনা করেন তারা।




