ads

মঙ্গলবার , ২৮ এপ্রিল ২০২৬ | ১৫ই বৈশাখ, ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
তথ্য ও সম্প্রচার মন্ত্রণালয়ের নিবন্ধনপ্রাপ্ত অনলাইন নিউজ পোর্টাল
  1. ENGLISH
  2. অনিয়ম-দুর্নীতি
  3. আইন-আদালত
  4. আন্তর্জাতিক
  5. আমাদের ব্লগ
  6. ইতিহাস ও ঐতিহ্য
  7. ইসলাম
  8. উন্নয়ন-অগ্রগতি
  9. এক্সক্লুসিভ
  10. কৃষি ও কৃষক
  11. ক্রাইম
  12. খেলাধুলা
  13. খেলার খবর
  14. চাকরির খবর
  15. জাতীয় সংবাদ

প্রধানমন্ত্রীর একটি সিদ্ধান্তেই রক্ষা পেলো ৩ হাজারেরও বেশি গাছ

শ্যামলবাংলা ডেস্ক
এপ্রিল ২৮, ২০২৬ ৫:৫৫ অপরাহ্ণ

গাছ না কেটে কক্সবাজারের মেরিন ড্রাইভ সড়ক প্রশস্তকরণের নির্দেশ দিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। পরিবেশের ভারসাম্য রক্ষায় তার এই সিদ্ধান্তের ফলে প্রায় তিন হাজার গাছ রক্ষা পেয়েছে বলে জানিয়েছে সড়ক পরিবহন মন্ত্রণালয়। প্রধানমন্ত্রীর নির্দেশনা বাস্তবায়নে দ্রুত উদ্যোগ নেয় সড়ক পরিবহন মন্ত্রণালয়। তারই পরিপ্রেক্ষিতে গত ২১ এপ্রিল সড়ক পরিবহন, সেতু ও রেলমন্ত্রী রবিউল ইসলাম, প্রধানমন্ত্রীর প্রতিরক্ষা বিষয়ক উপদেষ্টা ব্রিগেডিয়ার জেনারেল (অব.) এ কে এম শামছুল ইসলাম এবং রেল প্রতিমন্ত্রী হাবিবুর রশীদ হাবিব মেরিন ড্রাইভ এলাকা সরেজমিনে পরিদর্শন করেন। এ সময় প্রকল্প সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তা ও প্রকৌশলীরাও উপস্থিত ছিলেন।

Shamol Bangla Ads

কলাতলী থেকে টেকনাফের সাবরাং জিরো পয়েন্ট পর্যন্ত প্রায় ৮০ কিলোমিটার দীর্ঘ এ সড়ককে চার লেনে উন্নীত করার কাজ চলছে। শুরুতে সড়ক প্রশস্ত করতে বিপুলসংখ্যক গাছ কাটার পরিকল্পনা থাকলেও প্রধানমন্ত্রীর নির্দেশে তা পরিবর্তন করা হয়েছে।

সংশ্লিষ্টরা জানান, অতীতে সড়ক উন্নয়ন প্রকল্পে গাছ কেটে পরিবেশের ক্ষতি হলেও এবার সেই ধারা থেকে সরে এসে পরিবেশ সংরক্ষণকে অগ্রাধিকার দেওয়া হয়েছে। গাছ কাটার সম্ভাবনার খবর পাওয়ার পরই প্রধানমন্ত্রী বিষয়টি খতিয়ে দেখার নির্দেশ দেন এবং গাছ না কেটেই কাজ সম্পন্ন করার নির্দেশনা দেন। পরবর্তীতে সড়ক পরিবহন, সেতু ও রেলমন্ত্রী শেখ রবিউল আলম সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তা ও প্রকৌশলীদের সঙ্গে বৈঠক করে বিকল্প পরিকল্পনায় কাজ শুরু করেন। এর ফলে গাছ সংরক্ষণ করেই সড়ক প্রশস্তকরণের কাজ এগিয়ে নেওয়া হচ্ছে। মন্ত্রী জানান, শুধু বিদ্যমান গাছ রক্ষা নয়, পুরো মেরিন ড্রাইভকে আরও নান্দনিক ও পরিবেশবান্ধব করতে সড়কের দুই পাশে নতুন গাছ লাগানোর পরিকল্পনাও নেওয়া হয়েছে।

Shamol Bangla Ads

প্রকল্পের কাজ বাস্তবায়ন করছে বাংলাদেশ সেনাবাহিনীর ১৬ ও ১৭ ইঞ্জিনিয়ারিং কনস্ট্রাকশন ব্যাটালিয়ন। এতে রাস্তা প্রশস্তকরণের পাশাপাশি রেজু খালের ওপর ৩০৫ মিটার দীর্ঘ দুই লেনের সেতু নির্মাণ, আরসিসি রিটেইনিং ওয়াল, সিসি ব্লক স্থাপন এবং বিভিন্ন ইউটিলিটি স্থানান্তরের কাজ অন্তর্ভুক্ত রয়েছে।

২০২৬ সালের মধ্যে প্রকল্পের কাজ শেষ করার লক্ষ্য নির্ধারণ করা হয়েছে। সংশ্লিষ্টদের মতে, এই উদ্যোগ উন্নয়ন ও পরিবেশ সংরক্ষণের মধ্যে ভারসাম্য রক্ষার একটি গুরুত্বপূর্ণ উদাহরণ হয়ে থাকবে।

Need Ads
error: কপি হবে না!