ads

বৃহস্পতিবার , ৫ মার্চ ২০২৬ | ৮ই জ্যৈষ্ঠ, ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
তথ্য ও সম্প্রচার মন্ত্রণালয়ের নিবন্ধনপ্রাপ্ত অনলাইন নিউজ পোর্টাল
  1. ENGLISH
  2. অনিয়ম-দুর্নীতি
  3. আইন-আদালত
  4. আন্তর্জাতিক
  5. আমাদের ব্লগ
  6. ইতিহাস ও ঐতিহ্য
  7. ইসলাম
  8. উন্নয়ন-অগ্রগতি
  9. এক্সক্লুসিভ
  10. কৃষি ও কৃষক
  11. ক্রাইম
  12. খেলাধুলা
  13. খেলার খবর
  14. চাকরির খবর
  15. জাতীয় সংবাদ

অতীতে বিএনপির সংসদ উপনেতা হিসেবে আলোচনায় ছিলেন যারা

শ্যামলবাংলা ডেস্ক
মার্চ ৫, ২০২৬ ৯:২০ অপরাহ্ণ

জাতীয় সংসদের উপনেতা পদটি সম্মানজনক ও মন্ত্রিপদমর্যাদার। সাধারণত সরকারি দলের জ্যেষ্ঠ কোনো নেতাকে এই পদে অলংকৃত করা হয়। যেমন— আওয়ামী লীগ সরকারের সময়ে দলের জ্যেষ্ঠ নেতা আব্দুস সামাদ আজাদ, সাজেদা চৌধুরী ও মতিয়া চৌধুরীকে উপনেতা করেছিলেন শেখ হাসিনা। বিএনপি সরকারের সময়ও দলের জ্যেষ্ঠ নেতাদের এই পদে আসীন করা হয়।

Shamol Bangla Ads

১৯৯১ সালে তৎকালীন প্রধানমন্ত্রী খালেদা জিয়ার নেতৃত্বাধীন মন্ত্রিসভায় সংসদ উপনেতা নির্বাচিত হন অধ্যাপক ডা. একিউএম বদরুদ্দোজা চৌধুরী। ২০০১ সালে বিএনপি আবার ক্ষমতায় এলে তখন প্রায় ২ মাস তিনি সংসদ উপনেতার দায়িত্ব পালন করেন। পরে তিনি রাষ্ট্রপতি নির্বাচিত হলে পদটি শূন্য হয়। পরে এ পদ নিয়ে দলটির সিনিয়র নেতাদের মধ্যে প্রতিযোগিতা তৈরি হয়। তবে কেউই আর সংসদ উপনেতা হতে পারেননি। ২০০১ সালের পর বিএনপির তৎকালীন মহাসচিব আবদুল মান্নান ভূঁইয়া ও স্থায়ী কমিটির জ্যেষ্ঠ সদস্য এম সাইফুর রহমানের মধ্যে প্রতিযোগিতা থাকায় কেউ এ পদে বসতে পারেননি। তবে তখনকার প্রধানমন্ত্রী বেগম খালেদা জিয়ার পাশের সিটে বসতেন সাইফুর রহমানই।

২০০৮ সালে বিএনপি বিরোধী দলে গেলে তৎকালীন স্থায়ী কমিটির অন্যতম সদস্য ব্যারিস্টার মওদুদ আহমেদ, ব্যারিস্টার জমিরউদ্দিন সরকার ও সালাউদ্দিন কাদের চৌধুরীর মধ্যে প্রতিযোগিতার কারণে কাউকেই উপনেতা করা হয়নি। ওই নির্বাচনে শুধুমাত্র সালাউদ্দিন চৌধুরী জিতেছিলেন। মওদুদ আহমেদ ও জমিরউদ্দিন সরকার খালেদা জিয়ার ছেড়ে দেওয়া আসন বগুড়া-৬ ও বগুড়া-৭ এ উপনির্বাচন করে জয়ী হয়ে আসেন। পরে এই তিনজনের মধ্যে বিরোধী দলীয় উপনেতা হওয়ার আকাঙক্ষা দেখা যায়।

Shamol Bangla Ads

দীর্ঘ বিরতির পর এবার আবার ক্ষমতায় এসেছে বিএনপি। ইতোমধ্যে ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদের চিফ হুইপ ও হুইপ নির্বাচন করেছে বিএনপি। দলের সর্বোচ্চ নীতিনির্ধারণী ফোরামের বৈঠকে রাষ্ট্রপতি, স্পিকার ও উপনেতার পদ চূড়ান্ত করা হবে। অভিজ্ঞতা, সিনিয়র, রাজনৈতিক কৌশল-সব মিলিয়ে রাষ্ট্র ও সংসদের এ তিন শীর্ষ পদে শেষ পর্যন্ত কারা আসছেন তা নিয়ে রাজনৈতিক অঙ্গনে আলোচনা চলছে। এরই ধারাবাহিকতায় ১২ মার্চ বসবে সংসদের প্রথম অধিবেশন। এমন অবস্থায় সরকারি দলের ‘সংসদ উপনেতা’ কে হচ্ছেন-তা নিয়ে রাজনৈতিক অঙ্গনে চলছে নানা আলোচনা। তবে যতটুক জানা গেছে, তা হলো-এ তালিকায় এগিয়ে আছেন বিএনপির প্রবীণ নেতারা। দলটির স্থায়ী কমিটির সদস্য ড. খন্দকার মোশাররফ হোসেন, গয়েশ্বর চন্দ্র রায় ও ড. আব্দুল মঈন খানের নাম প্রথম দিকে রয়েছে।

তিনজনই এবার সংসদ-সদস্য নির্বাচিত হয়েছেন। তবে নতুন সরকারের মন্ত্রিসভায় তাদের জায়গা হয়নি। ফলে সংসদ উপনেতা পদে এ তিনজনের নামই সবার আগে উঠে আসছে। এছাড়া বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য সেলিমা রহমানের নামও শোনা যাচ্ছে। এক্ষেত্রে তাকে সংরক্ষিত মহিলা আসনে সংসদ-সদস্য হতে হবে। কারণ তিনি নির্বাচিত সংসদ-সদস্য নন।

সংসদীয় রীতি অনুযায়ী, সংসদ নেতা হন প্রধানমন্ত্রী। এছাড়া সংসদ উপনেতা নির্বাচন করে সরকারি দল। সংসদ নেতার অনুপস্থিতিতে উপনেতাই কার্যক্রম পরিচালনা করে থাকেন। মন্ত্রী পদমর্যাদার সংসদ উপনেতার জন্য সংসদে অফিস রয়েছে। মন্ত্রীদের মতো সব সুযোগ-সুবিধা ভোগ করেন তিনি।

এ প্রসঙ্গে বিএনপির মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর গণমাধ্যমকে বলেন, বর্তমান সংবিধানে সংসদ উপনেতা নির্বাচনের বিধান নেই। তবে অতীতের সংসদ উপনেতা করার নজির রয়েছে। বিএনপির নেতাদের কারো কারো মতে, এর প্রয়োজনীয়তাও রয়েছে।

Need Ads
error: কপি হবে না!