এনসিপি, এবি পার্টি, রাষ্ট্র সংস্কার আন্দোলনসহ ৫ দল মিলে নতুন নির্বাচনী জোট গঠন করতে পারে। এতে থাকতে পারে বিএনপির মিত্র গণঅধিকার পরিষদও। আগামী কয়েক দিনের মধ্যে নতুন জোট আত্মপ্রকাশ করতে পারে।

সম্ভাব্য এই জোটে আপ বাংলাদেশও থাকতে পারে। এনসিপি গঠনের সময় জাতীয় নাগরিক কমিটি থেকে বেরিয়ে যাওয়া ইসলামী ছাত্রশিবিরের সাবেক নেতাদের সংগঠন আপ বাংলাদেশ। নতুন জোটের উদ্যোক্তারা গণমাধ্যমকে জানিয়েছেন, ৪ দল নিশ্চিত হলেও গণঅধিকার পরিষদ নিয়ে অনিশ্চয়তা রয়েছে। দলটির একাংশ বিএনপির সঙ্গে থাকতে চায়।
জানা যায়, গণঅধিকার পরিষদের সাধারণ সম্পাদক রাশেদ খানকে ঝিনাইদহ-২ আসন ছাড়তে যাচ্ছে বিএনপি। সেখানে বিদ্রোহী প্রার্থী নেই। গণঅধিকার সূত্র জানিয়েছে, এ কারণে রাশেদ বিএনপির জোট ছাড়তে রাজি নন। এ কারণেই নতুন জোটে যোগ দেওয়ার বিষয়ে অনিশ্চয়তা রয়েছে।

রাশেদ খান সমকালকে বলেন, গণঅধিকার ও এনসিপির একীভূত হওয়ার আলোচনা আগেই ভেস্তে গেছে। এখন জোট গঠনের আলোচনা চলছে। জোট হবেই, তা বলা যাচ্ছে না। গণঅধিকার ২০২২ সাল থেকে বিএনপির সঙ্গে রয়েছে। আর এনসিপির নেতৃত্বে জোট হবে না। যৌথ নেতৃত্বে কিছু করা যায় কিনা, আলোচনা চলছে।
রাষ্ট্র সংস্কারের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক দিদারুল ভূঁইয়া বলেন, বিএনপি বা জামায়াত জোটের বাইরে নতুন জোট করতে চাই। এই মুহূর্তে যে রাজনীতি করা প্রয়োজন, তা এই দুই জোট করছে না। আগামী বৃহস্পতিবার নতুন জোটের আত্মপ্রকাশ হতে পারে– এমন গুঞ্জনের বিষয়ে এবি পার্টির চেয়ারম্যান মজিবুর রহমান মঞ্জু সমকালকে বলেন, দিনক্ষণ ঠিক হয়নি। চারটি দলের থাকা নিশ্চিত। আরও একটি দলের সঙ্গে আলোচনা চলছে।
জোটের সম্ভাব্য শরিক দলগুলোর সূত্র জানিয়েছে, এই জোট হবে নির্বাচনী, আদর্শিক নয়। এই জোট বিএনপির জোট বা জামায়াতসহ আট দলের সঙ্গে নির্বাচনী সমঝোতা করতে পারে। তবে আপাতত একাই থাকবে। জোট বা নির্বাচনী সমঝোতার সিদ্ধান্ত হবে তপশিলের পর। নতুন জোট সংস্কারের জন্য অর্থাৎ গণভোটে হ্যাঁ-এর পক্ষে থাকবে।
জেএসডি, নাগরিক ঐক্য, বিপ্লবী ওয়ার্কার্স পার্টি, গণসংহতি আন্দোলন, ভাসানী জনশক্তি পার্টি, রাষ্ট্র সংস্কার আন্দোলন এবং গণঅধিকার পরিষদ মিলে ২০২২ সালে গণতন্ত্র মঞ্চ গঠন করা হয়। ৭ দলীয় এ জোট বিএনপির যুগপৎ আন্দোলনের মিত্র। বিএনপির ৩১ দফা কর্মসূচি প্রণয়নেও যুক্ত ছিল গণতন্ত্র মঞ্চ। নুরুল হক নুরের গণঅধিকার ২০২৩ সালের মে মাসে গণতন্ত্র মঞ্চ ছাড়ে।




