শেরপুরে এক ব্যক্তির স্বত্বদখলীয় জমি বেদখলের চেষ্টা ও ঘর ভাংচুরের অভিযোগ উঠেছে। ওইসময় হামলার শিকার হয়ে আহত হয়েছেন রহিমা বেগম নামে এক বৃদ্ধা নারী। ১০ আগস্ট রবিবার ভোররাতে শহরের কসবা কাচারীপাড়া এলাকায় এ ঘটনা ঘটে। এ ঘটনায় থানায় লিখিত অভিযোগ দিয়েছেন আহত রহিমা বেগমের স্বামী আলহাজ্ব মো. ইয়ানুছ আলী।

অভিযোগ ও ভুক্তভোগী সূত্রে জানা গেছে, শেরপুর শহরের কসবা কাচারীপাড়া এলাকার আলহাজ্ব মো. ইয়ানুছ আলীর ছেলে মো. শফিকুল ইসলাম বেশ কিছুদিন আগে তার মামা সহিদুর রহমানের কাছ থেকে পৌণে ৭১ শতাংশ জমি কিনে গণ্যমান্য ব্যক্তিদের উপস্থিতিতে বুঝে নিয়ে আবাদ ফসল ও ঘর নির্মাণ করে ভোগদখল করে আসছেন। তবে কিছুদিন পর সহিদুর রহমানসহ কয়েকজন ওই জমিতে লাগানো গাছপালাসহ মালিকানা সাইনবোর্ড তুলে নষ্ট করে ফেলেন। এ ঘটনায় থানায় ও আদালতে পাল্টাপাল্টি মামলা দায়ের হয়।
এদিকে রবিবার ভোররাতে সহিদুর রহমান, হাবিবুর রহমান, উকিল মিয়া শাবানাসহ আরও কয়েকজন দেশিয় অস্ত্রশস্ত্রে সজ্জিত হয়ে শফিকুল ইসলামের দখলে থাকা জমিতে প্রবেশ করে একচালা একটি ঘর ভাংচুর করে এবং গাছপালা কেটে ফেলে। এসময় শফিকুল ইসলামের মা রহিমা বেগম বাধা দিতে গেলে তাকে দা দিয়ে কোপ দিলে তিনি গুরুতর আহত হন। বর্তমানে তিনি জেলা সদর হাসপাতালে চিকিৎসাধীন রয়েছেন। ওই ঘটনায় থানায় একটি লিখিত অভিযোগ দিয়েছেন শফিকুল ইসলামের বাবা ইয়ানুছ আলী। তদন্ত সাপেক্ষে এ ঘটনায় আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে বলে জানিয়েছে পুলিশ।

ভুক্তভোগী শফিকুল ইসলাম বলেন, আমার ক্রয়কৃত জায়গায় ঘর তুলে সেখানে আমার মা থাকছেন। কিন্তু জোরজবরদস্তি করে আমার জায়গা দখল করে নিতে সেখানে হামলা চালায় এবং আমার মাকে আহত করে। আমি মা’র উপর হামলাকারীদের বিচার চাই।
তবে অভিযোগের বিষয়ে জানতে সহিদুর রহমানের সাথে যোগাযোগের চেষ্টা করেও পাওয়া যায়নি।




