জাতীয় পরিচয়পত্র (এনআইডি) সেবা গ্রহণকারী ৫টি প্রতিষ্ঠানের বিরুদ্ধে তথ্য পাচারের প্রমাণ পেয়েছে নির্বাচন কমিশন (ইসি), বলে জানিয়েছেন কমিশনের সিনিয়র সচিব আখতার আহমেদ। ১০ ফেব্রুয়ারি সোমবার সকালে রাজধানীল আগারগাঁওয়ে নির্বাচন ভবনে এনআইডি যাচাই সেবা গ্রহণকারী প্রতিষ্ঠানগুলোর সঙ্গে মতবিনিময় সভা শেষে ওই কথা জানান তিনি।

আখতার আহমেদ জানান, প্রতিষ্ঠানের বিরুদ্ধে প্রাথমিক তদন্তে প্রমাণ পেয়েছে নির্বাচন কমিশন। তবে এটি ইচ্ছেকৃত কিনা তার প্রমাণ পেলেই ব্যবস্থা নেয়া হবে।
নিবন্ধনের তথ্য-উপাত্ত যাচাই-বাছাই সংক্রান্ত চুক্তি লঙ্ঘনের প্রমাণ পাওয়ায় নির্বাচন কমিশন (ইসি) ২০ ডিসেম্বর বাংলাদেশ কম্পিউটার কাউন্সিলের (বিসিসি) সঙ্গে করা চুক্তি বাতিল করে। বিসিসির পর এবার আরও ৫টি প্রতিষ্ঠানের বিরুদ্ধে তথ্য পাচারের প্রমাণ পেয়েছে ইসি।

তথ্য ফাঁসে অভিযুক্ত ৫ প্রতিষ্ঠান হলো—স্বাস্থ্য অধিদপ্তর, মহিলা বিষয়ক অধিদপ্তর, চট্টগ্রাম পোর্ট অথরিটি, অর্থ মন্ত্রণালয়ের আইবাস এবং ইউসিবি ব্যাংকের ডিজিটাল সেবা ‘উপায়’। ওই প্রতিষ্ঠানগুলোকে শোকজ করা হয়েছে বলে জানান ইসি সচিব।
জানা যায়, দ্বাদশ জাতীয় নির্বাচনের আগে বাংলাদেশ কম্পিউটার কাউন্সিল (বিসিসি) থেকে নাগরিকদের তথ্য ফাঁসের ঘটনায় দেশজুড়ে ব্যাপক আলোচনা সৃষ্টি হয়। তখন প্রতিষ্ঠানটি দায় অস্বীকার করলেও পরবর্তীতে নাসির উদ্দিন কমিশন বিষয়টি পুনরায় যাচাই-বাছাই করে।
নির্বাচন কমিশনের কাছ থেকে তথ্য যাচাই করে থাকে ১৮২টি প্রতিষ্ঠান। কোন প্রতিষ্ঠান কী পরিমাণ তথ্য গ্রহণ করছে এবং তা প্রয়োজনের তুলনায় বেশি নেওয়া হচ্ছে কি না, তা পর্যালোচনার জন্য তিন দিনব্যাপী এই মতবিনিময় অনুষ্ঠানে অংশীজনদের সঙ্গে আলোচনা করা হবে।
এনআইডির তথ্য নিরাপত্তা নিয়ে উদ্বেগ বাড়ছে এবং এ বিষয়ে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নিতে কমিশন প্রস্তুতি নিচ্ছে বলেও জানা গেছে।




