ads

বৃহস্পতিবার , ২ জানুয়ারি ২০২৫ | ২৮শে আষাঢ়, ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
তথ্য ও সম্প্রচার মন্ত্রণালয়ের নিবন্ধনপ্রাপ্ত অনলাইন নিউজ পোর্টাল
  1. ENGLISH
  2. অনিয়ম-দুর্নীতি
  3. আইন-আদালত
  4. আন্তর্জাতিক
  5. আমাদের ব্লগ
  6. ইতিহাস ও ঐতিহ্য
  7. ইসলাম
  8. উন্নয়ন-অগ্রগতি
  9. এক্সক্লুসিভ
  10. কৃষি ও কৃষক
  11. ক্রাইম
  12. খেলাধুলা
  13. খেলার খবর
  14. চাকরির খবর
  15. জাতীয় সংবাদ

ডিসেম্বরে রপ্তানি বেড়েছে ১৮ শতাংশ

শ্যামলবাংলা ডেস্ক
জানুয়ারি ২, ২০২৫ ৯:০৭ অপরাহ্ণ

রাজনৈতিক অস্থিতিশীলতায় কেটেছে চলতি ২০২৪-২৫ অর্থবছরের বড় একটা সময়। এতে রপ্তানি খাতে প্রয়োজনীয় কাঁচমাল আমদানি, উৎপাদনসহ সার্বিক রপ্তানি কার্যক্রম ব্যাহত হয়। প্রধান রপ্তানি পণ্য তৈরি পোশাক খাতে শ্রমঅসন্তোষ শুরু হয় সরকার পরিবর্তনের পর পরই। আশুলিয়া, গাজীপুর শিল্পাঞ্চলের শ্রম অসন্তোষ এখনো পুরোপুরি কাটেনি। এরকম বৈরি বাস্তবতার মধ্যেই গত ডিসেম্বর পর্যন্ত চলতি অর্থবছরের প্রথম ছয় মাসে আগের অর্থবছরের একই সময়ের তুলনায় রপ্তানি বেড়েছে প্রায় ১৩ শতাংশ। একক মাসের হিসেবে ডিসেম্বরে রপ্তানির হারটা আরও বেশি। মাসটিতে বেড়েছে ১৮ শতাংশ।

Shamol Bangla Ads

রপ্তানি উন্নয়ন ব্যুরোর (ইপিবি) তথ্য-উপাত্ত বিশ্লেষণে দেখা যায়, চলতি অর্থবছরের প্রথম দিকে কম হারে বাড়ে রপ্তানি আয়। তবে গত তিন মাসে রপ্তানি আয়ে প্রতি মাসেই বেশ ভালোই প্রবৃদ্ধি এসেছে। এ সুবাদেই ছয় মাসের গড় রপ্তানির প্রবৃদ্ধিও ভালো। এই অর্থবছরের প্রথম মাস জুলাইয়ে রপ্তানি বাড়ে ২ দশমিক ৯ শতাংশ। আগস্টে ৫ দশমিক ৬ শতাংশ। সেপ্টেম্বরে ছিল ৬ দশমিক ৮ শতাংশ। অক্টোবরে রপ্তানি প্রবৃদ্ধি অনেক বেড়ে হয় ২১ শতাংশ। নভেম্বরে দাঁড়ায় ১৫ দশমিক ৬৩ শতাংশ। ডিসেম্বরে রপ্তানি বাড়ে ১৮ শতাংশ।

আজ বৃহস্পতিবার প্রকাশিত ইপিবির হালনাগাদ প্রতিবেদেনে দেখা যায়, একক মাস ডিসেম্বরে পণ্য রপ্তানি হয়েছে প্রায় ৪৬৩ কোটি ডলারের। দেশীয় মুদ্রায় যার পরিমাণ ৫৫ হাজার ৫৬০ কোটি টাকা। অন্যদিকে চলতি অর্থবছরের প্রথম ছয় মাসে মোট রপ্তানির পরিমাণ দু্ই হাজার ৪৫৩ কোটি ৩৫ লাখ ডলার বা প্রায় তিন লাখ কোটি টাকা। গত অর্থবছরের একই সময়ে এ পরিমাণ ছিল দুই হাজার ১৭৪ কোটি ডলার।

Shamol Bangla Ads

তৈরি পোশাকের রপ্তানি বেড়েছে ১৮ শতাংশ। রপ্তানি হয়েছে এক হাজার ৯৭৯ কোটি ডলারের পোশাক, যা গত অর্থবছরের একই সময়ে ছিল এক হাজার ৭৫৬ কোটি ডলার। অর্থাৎ টানা পাঁচ মাসের শ্রম অসন্তোষের মধ্যেই পোশাকের রপ্তানি বেড়েছে ২২৩ কোটি ডলার বা ২৭ হাজার কোটি টাকার মত।

তৈরি পোশাকের রপ্তানি এত বেশি হারে বাড়ার অনেকগুলো কারণের কথা বলেছেন এ খাতের রপ্তানিকারক উদ্যোক্তাদের সংগঠন বিজিএমইএর সাবেক সভাপতি ফারুক হাসান। সমকালকে তিনি বলেন, বৈরি পরিস্থিতির মধ্যেও উদ্যোক্তারা লক্ষ্যচ্যুত হননি। উৎপাদন ও রপ্তানি ঠিক রাখতে বিকল্প সব সুযোগ কাজে লাগিয়েছেন তারা। মৌলিক পণ্যের সঙ্গে মূল্যসংযোজিত পণ্যের রপ্তানি বাড়ছে দিন দিন। একইভাবে উচ্চ মূল্যের পোশাক রপ্তানিও বাড়ছে। প্রধান বাজার ইউরোপ-আমেরিকায় নীতি সুদহার কিছুটা কমেছে। ওই সব দেশে চাহিদাও বেড়েছে। কমপ্লায়েন্স শর্ত পরিপালন, সার্কুলার আরএমজি, পরিবশসম্মত উৎপাদন কাঠামোয় বড় বিনিয়োগ ইত্যাদি কারণে বাংলাদেশের পোশাকের প্রতি পশ্চিমা ব্র্যান্ড-ক্রেতাদের আস্থা আরও বেড়েছে। এছাড়া সভাপতি থাকাকালে তিনি নতুন বাজার সৃষ্টি, পণ্যে বৈচিত্র্য আনা ও ব্র্যান্ডিংয়ে বেশ কিছু কাজ করেছেন। এসবের ফলও পাচ্ছে পোশাক খাত। সার্বিক পরিস্থিতি বিবেচনায় নতুন বছর রপ্তানি খাত আরও ভালো করবে বলে মনে করেন তিনি।

তৈরি পোশাক ছাড়াও রপ্তানি খাতের ছোট-বড় প্রায় সব খাতেই রপ্তানি বেড়েছে গত ছয় মাসে। ইপিবির প্রতিবেদনে দেখা যায়, বহুদিন পর চিংড়িসহ সব ধরনের হিমায়িত মাছের রপ্তানি বেড়েছে ১৯ শতাংশেরও বেশি। রপ্তানির পরিমাণ প্রায় ২৫ কোটি ডলার। কৃষি পণ্যের রপ্তানি বেড়েছে ১৪ শতাংশেরও বেশি। রপ্তানির পরিমাণ দাড়িয়েছে ৬০ কোটি ডলার। ওষুধের রপ্তানি বেড়েছে প্রায় ৮ শতাংশ। রপ্তানি হয়েছে ১১ কোটি ডলারের ওষুধ। চামড়া ও চামড়া পণ্যের রপ্তানি বেড়েছে ২৪ শতাংশ। রপ্তানি হয়েছে প্রায় ৫৮ কোটি ডলারের বিভিন্ন পণ্য। প্রায় ছয় বছর পর পাট ও পাটপণ্যের রপ্তানিও বাড়ল গত ছয় মাসে। রপ্তানি বেড়েছে ১ শতাংশের কিছু বেশি। রপ্তানি হয়েছে ৪২ কোটি ডলারের বিভিন্ন ধরনের পাটপণ্য।

Need Ads
error: কপি হবে না!