ads

বুধবার , ১৮ ডিসেম্বর ২০২৪ | ২১শে জ্যৈষ্ঠ, ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
তথ্য ও সম্প্রচার মন্ত্রণালয়ের নিবন্ধনপ্রাপ্ত অনলাইন নিউজ পোর্টাল
  1. ENGLISH
  2. অনিয়ম-দুর্নীতি
  3. আইন-আদালত
  4. আন্তর্জাতিক
  5. আমাদের ব্লগ
  6. ইতিহাস ও ঐতিহ্য
  7. ইসলাম
  8. উন্নয়ন-অগ্রগতি
  9. এক্সক্লুসিভ
  10. কৃষি ও কৃষক
  11. ক্রাইম
  12. খেলাধুলা
  13. খেলার খবর
  14. চাকরির খবর
  15. জাতীয় সংবাদ

৬ বছর পর ক্যারিবিয়ানদের বিপক্ষে বাংলাদেশের সিরিজ জয়

শ্যামলবাংলা ডেস্ক
ডিসেম্বর ১৮, ২০২৪ ২:১০ অপরাহ্ণ

১৬তম ওভারে প্রথম দুই বলে দুই ছক্কা মারেন রোস্টন চেজ। প্রথমটি স্কুপ করে, পরেরটি ফুল টসে স্ট্রেট দিয়ে। ১৬ রান দিয়েছিলেন হাসান মাহমুদ তার এই ওভারে। তাতে ম্যাচটা অনেকটা ঘুরে যায় স্বাগতিকদের পক্ষে। তবে, সেটাকে বাংলাদেশের দিকে ফিরিয়ে আনতে সময় নেননি লেগস্পিনার রিশাদ হোসেন। পরপর দুই বলে ফেরান চেজ ও গুদাকেশ মোতিকে। চেজ হয়েছেন বোল্ড আর বাউন্ডারি লাইনে শেখ মাহেদিকে ক্যাচ দেন মোতি।

Shamol Bangla Ads

পরের ওভারেই আলজারি জোসেফকে কট এন্ড বোল্ড করেন তানজিম সাকিব। অনেকটা চোখের পলকে ৮৯ রানে ৬ উইকেট থেকে স্কোর হয়ে যায় ৯০ রানে ৯ উইকেট। তাসকিন নিয়েছেন শেষ উইকেট। ওয়েস্ট ইন্ডিজ থামল ১০২ রানে। ২৭ রানের জয়ে ৬ বছর পর ওয়েস্ট ইন্ডিজের বিপক্ষে টি-টোয়েন্টি সিরিজ নিশ্চিত করল বাংলাদেশ।

১২৯ রানের স্বল্প পুঁজি থেকেও ম্যাচ নিজেদের করে আনার পুরো কৃতিত্বটা এদিন পাচ্ছেন বোলাররা। শুরুতে তাসকিন আহমেদ এবং শেখ মাহেদি হাসান নতুন বলে নিজেদের কাজটা একেবারেই ঠিকঠাক করেন। এরপর সেটাকে ধরে রাখেন তানজিম সাকিব। আগের ম্যাচে বেশ খরুচে বোলিং করলেও এদিন ছিলেন নিয়ন্ত্রিত। রিশাদের জাদুকরী ১৭তম ওভারটা বাংলাদেশের জয় এনে দেয় একেবারেই হাতের নাগালে। আর শেষটা করেছেন এই ম্যাচে বাংলাদেশের সেরা বোলার তাসকিন আহমেদ।

Shamol Bangla Ads

হাসান মাহমুদের ইনিংসের প্রথম ওভারেই বাউন্ডারি পেয়েছিলেন ব্রেন্ডন কিং। পরের ওভারে শেখ মাহেদিকে এক চার আর এক ছক্কায় ঝড়ের আভাস দেন জনসন চার্লস। অবশ্য সেটা আর হয়নি। তৃতীয় ওভারেই জোড়া উইকেট শিকার করেন তাসকিন আহমেদ। প্রথম বলেই দারুণ এক লেংথ ডেলিভারিতে কিংকে উইকেটের পেছনে ক্যাচ বানান তাসকিন। ৫ বলে ৮ রানে ফিরলেন তিনি। শেষ বলে ফ্লেচারকেও উইকেটের পেছনে ক্যাচ বানান তাসকিন। ৪ বলে শূন্য রানে ফিরেন ফ্লেচার।

চতুর্থ ওভারে এক বাউন্ডারি হজম করলেও জনসন চার্লসকে এলবিডব্লিউতে ফেরান শেখ মাহেদি। এরপরই স্লিপে সৌম্য সরকারকে ক্যাচ দিয়ে ফেরেন নিকোলাস পুরান। সপ্তম ওভারে তানজিম সাকিবের বলে স্লিপে আঙুলের ডগায় থাকা রভম্যান পাওয়েলের ক্যাচ ছেড়ে দেন সৌম্য। সেই আক্ষেপ অবশ্য বাড়েনি খুব একটা। পরের ওভারেই হাসান মাহমুদের বলে দুর্দান্ত এক ক্যাচে ডেঞ্জারম্যান পাওয়েলকে ফেরান মিরাজ।

রোমারিও শেফার্ডকে শুন্য রানে প্যাভিলিয়নের পথ দেখান তানজিম সাকিব। ৪২ রানে ৬ উইকেটের পতন। জয় তো বাংলাদেশেরই…। কিন্তু না. এখান থেকে উইন্ডিজদের জয়ের দিকে নিতে শুরু করেন চেজ-আকিল জুটি। ৮ম থেকে ১৫তম ওভারে কেবল একটি বাউন্ডারি পেয়েছিল স্বাগতিকরা। কিন্তু জুটি জমিয়ে ফেলে। এরপর রোস্টন চেজের টানা দুই ছক্কা চাপেই ফেলে দিল বাংলাদেশকে।

সেখান থেকে আবার দুর্দান্ত ফাইটব্যাক– রিশাদ, তানজিম সাকিব আর তাসকিনরা ১২ বলের ব্যবধানে নিয়ে নিলেন স্বাগতিকদের ৪ উইকেট। ধরা দিল বহু আকাঙ্ক্ষিত সিরিজ জয়। বিশেষ করে টি-টোয়েন্টিতে। ২০১৮ সালের পর ওয়েস্ট ইন্ডিজের বিপক্ষে এই প্রথম সিরিজ জিতল টাইগাররা।

এর আগে ব্যাট করতে নেমে আরও একবার ব্যাটিং বিপর্যয় দেখে বাংলাদেশ। আর্নেস ভ্যালি স্টেডিয়ামে বৃষ্টিবিঘ্নিত দিনে একের পর এক ব্যাটারদের আসা-যাওয়া। ম্যাচের শুরু থেকেই বাংলাদেশের ওপর চেপে বসেছিল উইন্ডিজ বোলিং লাইনআপ। দলীয় রান ৫০ পেরুবার আগেই নেই দলের ৪ উইকেট। আরও একবার লাল-সবুজের ত্রাতা হয়ে আসেন লোয়ার মিডল অর্ডারের শামীম পাটোয়ারী। তার ২ চার ও ২ ছক্কায় ১৭ বলে ৩৫ রানের ইনিংসটাই শেষ অব্দি বাংলাদেশের বোলারদের খানিক লড়াই করার পুঁজি এনে দেয়।

ম্যাচের তৃতীয় ওভারে প্রথম উইকেট হারায় বাংলাদেশ। আকিল হোসেনের আঁটসাঁট বোলিংয়ে ৩ রান করে ফেরেন লিটন দাস। চতুর্থ ওভারে আরেক স্পিনার রোস্টন চেজ আক্রমণে এসেই পেয়ে যান তানজিদ হাসান তামিমের উইকেট। সাধারণ সুইং বুঝতে পারেননি তানজিদ। হয়েছেন বোল্ড। পরের ওভারে এলো এক চার এবং এক ছক্কা। মেহেদি হাসান মিরাজ দিলেন আগ্রাসী হওয়ার ইঙ্গিত।

মিরাজের সঙ্গে ২৮ রানের জুটির পর রানআউট হন সৌম্য সরকার। এই আউট দিয়েই পরপর ৩ ওভারে ৩ উইকেটের পতন দেখেছে বাংলাদেশ। পরের ওভারে আলজারি জোসেফকে পুল করতে গিয়ে আউট হন মিরাজ। তার পরের ওভারে গুদাকেশ মোতির বলে বোল্ড হয়ে ফেরেন রিশাদ হোসেন। এরপরেই আসে বৃষ্টি। তার আগে ১১.৫ ওভারে বাংলাদেশের সংগ্রহ হয় ৬২ রান।

বৃষ্টির পর জাকের আলী অনিকের ২০ বলে ২১ রানের ক্যামিও আর শামীম পাটোয়ারীর ১৭ বলে ৩৫ রান বাংলাদেশকে এনে দেয় ১২৯ রানের পুঁজি। বোলাদের নিখুঁত পারফরম্যান্সের দিনে সেটাই জয়ের জন্য যথেষ্ট হয়ে যায় বাংলাদেশের জন্য।

Need Ads

সর্বশেষ - ব্রেকিং নিউজ

Shamol Bangla Ads
error: কপি হবে না!