ads

রবিবার , ৩ নভেম্বর ২০২৪ | ২৯শে আষাঢ়, ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
তথ্য ও সম্প্রচার মন্ত্রণালয়ের নিবন্ধনপ্রাপ্ত অনলাইন নিউজ পোর্টাল
  1. ENGLISH
  2. অনিয়ম-দুর্নীতি
  3. আইন-আদালত
  4. আন্তর্জাতিক
  5. আমাদের ব্লগ
  6. ইতিহাস ও ঐতিহ্য
  7. ইসলাম
  8. উন্নয়ন-অগ্রগতি
  9. এক্সক্লুসিভ
  10. কৃষি ও কৃষক
  11. ক্রাইম
  12. খেলাধুলা
  13. খেলার খবর
  14. চাকরির খবর
  15. জাতীয় সংবাদ

চট্টগ্রামের নতুন মেয়র হিসেবে শপথ নিলেন ডা. শাহাদাত

শ্যামলবাংলা ডেস্ক
নভেম্বর ৩, ২০২৪ ১:১৩ অপরাহ্ণ

চট্টগ্রাম সিটি করপোরেশনের (চসিক) মেয়র হিসেবে শপথ নিলেন বিএনপি নেতা ডা. শাহাদাত হোসেন। ৩ নভেম্বর রবিবার সকাল সাড়ে ১০টায় স্থানীয় সরকার, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় মন্ত্রণালয় এবং ভূমি মন্ত্রণালয়ের উপদেষ্টা এ এফ হাসান আরিফ তাকে শপথ পড়ান। সচিবালয়ের সম্মেলন কক্ষে এই শপথগ্রহণ অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়।

Shamol Bangla Ads

শপথ নিয়েই জলাবদ্ধতা থেকে নগরবাসীকে মুক্তি দেওয়ার অঙ্গীকার করেছেন চট্টগ্রাম সিটি করপোরেশনের নতুন মেয়র ডা. শাহাদাত হোসেন। মেয়র হিসেবে শপথ নেওয়ার পর সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে তিনি এই অঙ্গীকার করেন। শাহাদাত বলেন, ‘চট্টগ্রামের জলাবদ্ধতা দীর্ঘদিনের সমস্যা। এই সংকট নিরসন করে চট্টগ্রামকে পরিকল্পিত শহর হিসেবে গড়ে তোলা হবে।’ তিনি আরও বলেন, ‘জঙ্গি ও সন্ত্রাসের কথা বলে, দেশের পর্যটন খাতকে পিছিয়ে দেওয়া হয়েছে। এ খাতকে ঠিকমত ব্যবহার করা যায়নি।’ অবকাঠামো উন্নয়নের মাধ্যমে চট্টগ্রামে পর্যটক খাতের উন্নয়ন করার কথা জানিয়েছেন বিএনপির সাবেক এই নেতা।

গত ১ অক্টোবর চট্টগ্রাম নগর বিএনপির সাবেক আহ্বায়ক শাহাদাত হোসেনকে চট্টগ্রাম সিটি করপোরেশনের মেয়র হিসেবে ঘোষণা করে রায় দেন আদালত। এরপর ৮ই অক্টোবর শাহাদাত হোসেনকে চসিক মেয়র হিসেবে সংশোধিত প্রজ্ঞাপন জারি করে নির্বাচন কমিশন।

Shamol Bangla Ads

উল্লেখ্য, ২০২১ সালের ২৭ জানুয়ারি অনুষ্ঠিত নির্বাচনের ফলাফল বাতিল চেয়ে দায়ের করা মামলার রায়ে বিএনপির ডা. শাহাদাত হোসেনকে মেয়র হিসেবে ঘোষণা করে চট্টগ্রামের নির্বাচনী ট্রাইব্যুনাল। গত ১ অক্টোবর এ ঘোষণা দেয়া হয়। ২০২১ সালের ২৪ ফেব্রুয়ারি মামলাটি করেন শাহাদাত। মামলার এজাহারে তার অভিযোগ, ২০২১ সালের ২৭ জানুয়ারি অনুষ্ঠিত চসিক নির্বাচনের ফলাফলে ইসি কর্মকর্তারা ‘কারচুপি’ করেছিলেন। মামলায় তিনি নির্বাচনের ফলাফল বাতিল করে পুনরায় নির্বাচনের দাবি জানান।

শাহাদাত আরও অভিযোগ করেন, তিনটি ভোটকেন্দ্রে তার শূন্য ভোট দেখানো হলেও তিনদিন পর ২৮টি কেন্দ্রে তার শূন্য ভোট দেখানো হয়—যা অবিশ্বাস্য ও অকল্পনীয়। ওই মামলায় তৎকালীন সিটি করপোরেশনের মেয়র রেজাউল করিম চৌধুরী, নির্বাচনের রিটার্নিং কর্মকর্তা মো. হাসানুজ্জামান ও প্রধান নির্বাচন কমিশনার (সিইসি) কে এম নুরুল হুদাসহ ছয়জনকে আসামি করা হয়।

Need Ads
error: কপি হবে না!