ads

বুধবার , ১৩ মার্চ ২০২৪ | ৩রা শ্রাবণ, ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
তথ্য ও সম্প্রচার মন্ত্রণালয়ের নিবন্ধনপ্রাপ্ত অনলাইন নিউজ পোর্টাল
  1. ENGLISH
  2. অনিয়ম-দুর্নীতি
  3. আইন-আদালত
  4. আন্তর্জাতিক
  5. আমাদের ব্লগ
  6. ইতিহাস ও ঐতিহ্য
  7. ইসলাম
  8. উন্নয়ন-অগ্রগতি
  9. এক্সক্লুসিভ
  10. কৃষি ও কৃষক
  11. ক্রাইম
  12. খেলাধুলা
  13. খেলার খবর
  14. চাকরির খবর
  15. জাতীয় সংবাদ

ভারতে বিতর্কিত নাগরিক আইন, বিজেপির সমালোচনায় কমল-বিজয়

শ্যামলবাংলা ডেস্ক
মার্চ ১৩, ২০২৪ ৯:২৪ অপরাহ্ণ

বিতর্কিত নাগরিকত্ব সংশোধনী আইন (সিএএ) কার্যকরের পরপরই তীব্র প্রতিক্রিয়া সৃষ্টি হয়েছে ভারতে। আইন কার্যকরের দিন গত সোমবার সন্ধ্যায় বিক্ষোভ হয় তামিলনাড়ু ও কেরালায়। গতকাল মঙ্গলবার বিক্ষোভ হয়েছে আসামে। এই আইন কার্যকরের প্রতিবাদে পশ্চিমবঙ্গে আজ বুধবার বিক্ষোভের ডাক দিয়েছে রাজ্যে ক্ষমতাসীন তৃণমূল কংগ্রেস। খবরটি প্রকাশ্যে আসতেই সিএএর বিরোধিতায় মুখ খুললেন দক্ষিণ ভারতীয় সিনেমার দুই তারকা থালাপতি বিজয় ও কমল হাসান।

Shamol Bangla Ads

গতকাল মঙ্গলবার এই বিষয়ে তামিলনাড়ু সরকারকে চিঠি লিখেছেন থালাপতি বিজয়। তিনি লিখেছেন, ‘এটা মানা সম্ভব নয়। সিএএর মতো কোনো আইন আমাদের রাজ্যে প্রয়োগ করতে দেওয়া হবে না। আমরা এটা মানব না। যেখানে দেশের সমস্ত নাগরিক ভালোবেসে একে অপরের সঙ্গে বসবাস করেন, সেখানে এই আইন বেমানান। আমরা নিশ্চিত করব যেন তামিলনাড়ুতে এই আইন কর্যকর করা না হয়।’

অন্যদিকে তামিল মেগাস্টার কমল হাসান সংবাদমাধ্যমে জানিয়েছেন, ‘ভারতকে ভাগ করার ষড়যন্ত্র সিএএ। যদি আমরা বিশ্বাস করি এই দাবি সংখ্যালঘুদের সুরক্ষা দেওয়া, তাহলে কেন শ্রীলঙ্কার তামিলদের এই তালিকায় যোগ করা হলো না? দুর্ভাগ্যবশত, এই আইন, যা তাড়াহুড়ো করে পেশ করা হয়েছিল এবং এখন একটি জাতীয় নির্বাচনের প্রাক্কালে প্রয়োগ করা হচ্ছে, এটি বিজেপির ঘৃণ্য পরিকল্পনাগুলোকে স্পষ্ট করে তোলে।’

Shamol Bangla Ads

উল্লেখ্য, সোমবার ভারতের কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয় জানায়, সিএএ কার্যকর হয়েছে। যদিও এই আইন চার বছর আগে পাস করেছিল শাসক দল বিজেপি। তবে কার্যকর করতে পারেনি। আইন অনুসারে, ২০১৪ সালের ৩১ ডিসেম্বরের মধ্যে বাংলাদেশ, পাকিস্তান ও আফগানিস্তান থেকে যেসব হিন্দু, খ্রিষ্টান, বৌদ্ধ, শিখ, জৈন ও পার্সিধর্মীয় সংখ্যালঘু সাম্প্রদায়িক নির্যাতন ও নিপীড়নের কারণে ভারতে এসেছেন, তাঁদের নাগরিকত্ব দেওয়া হবে।

আইন কার্যকরের ঘোষণা দিয়ে স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয় ভারতের নাগরিকত্ব চাইলে কীভাবে আবেদন করতে হবে এবং এই আবেদনের জন্য কী কী লাগবে, তা জানিয়ে দিয়েছে। তবে আইনে এটা উল্লেখ করা হয়নি, ভারতে যাওয়া মুসলমানরা নাগরিকত্ব পাবেন কি না। ফলে আইনটি পাসের পরপরই সমালোচনা শুরু হয়। সমালোচকদের দাবি, মুসলিমদের বিতাড়িত করতেই আইনটি করা হয়েছে।

Need Ads
error: কপি হবে না!