প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার পক্ষ থেকে স্মার্ট উপহারের ল্যাপটপ পেয়েছেন শেরপুরের ২৪০ জন নারী। ১০ ফেব্রুয়ারি শনিবার দুপুরে জেলা প্রশাসন ও তথ্য যোগাযোগ প্রযুক্তি অধিদপ্তরের উদ্যোগে জেলা শিল্পকলা একাডেমি মিলনায়তনে ওইসব ল্যাপটপ বিতরণ করেন শেরপুরের জেলা প্রশাসক আব্দুল্লাহ আল খায়রুম।

ওইসময় তিনি বলেন, সরকার সবাইকে চাকরি দিতে পারবে না। কিন্তু সবাইকে স্বাবলম্বী করে গড়ে তোলার চেষ্টা করে যাচ্ছে। স্বাবলম্বী জাতি হিসেবে গড়ে তুলতে সরকার সব ধরনের সহযোগিতা করে যাচ্ছেন। এ থেকে যাতে নারীরাও পিছিয়ে না থাকতে পারে, এ জন্য নারীদের নানাভাবে প্রশিক্ষণসহ অন্যভাবে সহায়তা প্রদান করে আসছে। আর আজ প্রশিক্ষণ শেষে ল্যাপটপ প্রদান করায় তাদের স্বাবলম্বী করার ক্ষেত্রে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করবে।
অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি হিসেবে বক্তব্য রাখেন পুলিশ সুপার মোনালিসা বেগম পিপিএম। স্বাগত বক্তব্য রাখেন হার পাওয়ার প্রকল্পের উপ-প্রকল্প পরিচালক নিলুফা ইয়াসমিন। প্রশিক্ষণ গ্রহণকারীদের মধ্যে বক্তব্য রাখেন মাহিমা মাধুর্য, নাসরিন সুলতানা ও শারমিন রিমা।

শিক্ষিকা করুনা দাস কারুয়ার সঞ্চালনায় অনুষ্ঠানে নালিতাবাড়ী উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা ইলিশায় রিছিল, ভারপ্রাপ্ত সদর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা ঈফফাত জাহান তুলি, তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি মন্ত্রণালয়ের সহকারী প্রোগ্রামার মো. তারিকুল ইসলাম, সদর উপজেলা ভাইস-চেয়ারম্যান সাবিহা জামান শাপলা, শেরপুর প্রেসক্লাবের সভাপতি রফিকুল ইসলাম আধারসহ বিভিন্ন দপ্তরের সরকারি বেসরকারি কর্মকর্তাগণ উপস্থিত ছিলেন।
এদিন শেরপুরের ৩টি উপজেলায় আইটি সার্ভিস প্রোভাইডার, ওম্যান ফ্রিল্যান্স্যার ক্যাটাগরিতে মোট ১২টি ব্যাচের ২৪০ জন প্রশিক্ষণার্থীর মাঝে একটি করে ল্যাপটপ প্রদান করা হয়।
উল্লেখ্য, সরকারের তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি অধিদপ্তরের উদ্যোগে বাস্তবায়নাধীন হার পাওয়ার প্রকল্পের মাধ্যমে ৪৪টি জেলার ১৩০টি উপজেলায় ৪টি ক্যাটাগরিতে মোট ২৫ হাজার ১২৫ জন নারী প্রশিক্ষণার্থীকে প্রশিক্ষণ প্রদান করা হবে এবং সবাইকে ১টি করে ল্যাপটপ প্রদান করা হবে। তারই ধারাবাহিকতায় শেরপুরের ৩ টি উপজেলার মধ্যে শেরপুর সদর, নালিতাবাড়ী ও শ্রীবরদীর ৫৮০ জন নারীকে প্রশিক্ষণ প্রদান করা হবে। এর মধ্যে ১২টি ব্যাচের ২৪০ প্রশিক্ষণার্থীদের একটি করে ল্যাপটপ বিতরণ করা হয়। যা প্রশিক্ষণ শেষে তাদেরকে স্বাবলম্বী করার ক্ষেত্রে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করতে পারেন।




