দেশের ৬ জেলায় বজ্রপাতের ঘটনায় ১০ জনের মৃত্যু হয়েছে। ২৩ মে মঙ্গলবার দুপুর থেকে বিকাল পর্যন্ত বজ্রপাতের এসব ঘটনা ঘটে।
নরসিংদীতে রায়পুরা ও মনোহরদী উপজেলায় বজ্রপাতে ৩ জনের মৃত্যু হয়েছে। এ সময় আহত হয়েছেন আরও ৩ জন। নিহতরা হলেন, রায়পুরা উপজেলার শ্রীনগর ইউনিয়নের ফকিরের চর গ্রামের মোমরাজ মিয়ার স্ত্রী সামসুন নাহার, নিলক্ষা ইউনিয়নের গোপীনাথপুর গ্রামের ইসমাইল মিয়ার ছেলে জাবেদ মিয়া ও মনোহরদী উপজেলার দৌলতপুর ইউনিয়নের পাতরদিয়া গ্রামের বাদল মিয়ার ছেলে রায়হান মিয়া।

পাবনার ভাঙ্গুড়া উপজেলায় মাঠে কাজ করার সময় বজ্রপাতে দুই শ্রমিকের মৃত্যু হয়েছে। এ ঘটনায় আহত হয়েছেন আরও ১৩ জন। তাদের মধ্যে কয়েকজনের অবস্থা আশঙ্কাজনক। আহতদের উদ্ধার করে হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে। নিহত শ্রমিকরা হলেন, জেলার চাটমোহর উপজেলার ছাইকোলা গ্রামের বাসিন্দা শাকিল হোসেন ও রমিজ উদ্দিন।
ব্রাহ্মণবাড়িয়ার বাঞ্ছারামপুর ও নাসিরনগর উপজেলায় বজ্রপাতে দুজনের মৃত্যু হয়েছে। নিহতরা হলেন, বাঞ্ছারামপুর উপজেলার মানিকপুর ইউনিয়নের মায়ারামপুর গ্রামের আব্দুল কাদিরের ছেলে মেনু মিয়া এবং নাসিরনগর উপজেলার গোয়ালনগর ইউনিয়নের সোনাতলা গ্রামের মতি মিয়ার ছেলে মোজাম্মেল হক।
চাঁদপুর সদর উপজেলার রামপুর ইউনিয়নে আম কুড়াতে গিয়ে বজ্রপাতে মো. হাসান মিজি নামের একজন মারা গেছেন। হাসান মিজি পশ্চিম ছোট সুন্দর গফুর মিজি বাড়ির মো. কলিমউদ্দিন মিজির ছেলে। রামপুর ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান মো. আল মামুন পাটওয়ারী বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।

সুনামগঞ্জের ধর্মপাশায় বজ্রপাতে ওমর ফারুক নামে এক স্কুলশিক্ষার্থীর মৃত্যু হয়েছে। এতে আহত হয়েছেন আরও তিনজন। ওমর ফারুক উপজেলার জয়শ্রী ইউনিয়নের বাদেহরিপুর গ্রামের আলিম উদ্দিনের ছেলে। সে জয়শ্রী উচ্চ বিদ্যালয়ের দশম শ্রেণির ছাত্র ছিল। ধর্মপাশা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মোহাম্মাদ মিজানুর রহমান বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।
শরীয়তপুরের গোসাইরহাট উপজেলায় বজ্রপাতে মোহাম্মদ মাইনুদ্দিন মান্দ নামে এক ব্যক্তির মৃত্যু হয়েছে। তিনি উপজেলার কোদালপুর ইউনিয়নের রশিদ সরদারপাড়া গ্রামের বাসিন্দা। গোসাইরহাট থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা মোহাম্মদ আসলাম সিকদার মৃত্যুর বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।




