শেরপুর জেলা শহরের প্রধান সড়কসহ প্রতিটি রাস্তার ফুটপাত দখল করে দোকানপাট বসানো, ফুটপাত দখলে নিয়ে মার্কেটগুলোর সম্প্রসারণ, যত্রতত্র গাড়ি পার্কিং করায় শহরে যানজটের সৃষ্টি হচ্ছে। এতে ভোগান্তিতে পড়ছেন শহরে চলাচলকারী জনসাধারণ। জনগণের ভোগান্তি ও যানজট নিরসনে ৭ ফেব্রুয়ারি সোমবার সকাল থেকে জেলা প্রশাসন, সড়ক ও জনপথ বিভাগ, পৌরসভা ও পুলিশ প্রশাসনের উদোগে যৌথভাবে উচ্ছেদ ও ফুটপাত দখলমুক্ত অভিযান শুরু হয়েছে। শহরের থানামোড়স্থ বঙ্গবন্ধু স্কয়ার থেকে খোয়ারপাড় শাপলাচত্বর পর্যন্ত প্রধান সড়কে এ উচ্ছেদ অভিযান চলবে। অভিযানকালে জেলা প্রশাসন, পুলিশ প্রশাসন, পৌরসভা এবং সড়ক ও জনপথের কর্মকর্তা-কর্মচারীবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন।

জেলা প্রশাসনের নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট মো. মাসুদ রানা বলেন, আমরা তালিকা অনুযায়ী অভিযান চালাবো। আমাদের তালিকাভুক্তদের অবৈধ দখলদারদের উচ্ছেদ শেষ না হওয়া পর্যন্ত অভিযান অব্যাহত থাকবে।
এদিকে ওই উচ্ছেদ অভিযান চালানোর কারণে সন্তোষ প্রকাশ করেন শহরের সচেতন বাসিন্দারা। শহরের খরমপুর মহল্লার বাসিন্দা এ্যাডভোকেট রেদওয়ানুল হক আবীর বলেন, শেরপুর একটি পরিচ্ছন্ন ও যানজটমুক্ত শহর হিসেবে গড়ে উঠুক- এটি শহরবাসীর প্রাণের দাবি। আজকের এ অভিযানের মধ্য দিয়ে রাস্তার দুপাশের ফুটপাতে থাকা অবৈধ স্থাপনা মুক্ত হবে এবং আমরা নির্বিঘ্নে চলাচল করতে পারব বলে আশা করছি। এর মধ্য দিয়ে যানজটও নিরসন হবে। এজন্য পৌর কর্তৃপক্ষকে ধন্যবাদ জানাই। তিনি আরও বলেন, অনেকেই পৌরসভার ড্রেনের উপরে অবৈধভাবে বাড়ি করেছেন। সেগুলোও দখলমুক্ত করতে পৌরসভার প্রতি আহবান জানাচ্ছি।

শেরপুর পৌরসভার সহকারী প্রকৌশলী খোরশেদ আলম জানান, শহরের ভেতর দিয়ে সড়ক ও জনপথের রাস্তাটির উন্নয়ন ও প্রশস্তকরণ কাজ চলছে। এরই অংশ হিসেবে রাস্তা দখল করে যারা স্থাপনা গড়ে তুলেছিলেন সেগুলো যৌথভাবে উচ্ছেদ অভিযান চলছে। আমি আশা করি এর মাধ্যমে শহরের বাসিন্দারা উপকৃত হবেন।
এ ব্যাপারে শেরপুর পৌরসভার মেয়র আলহাজ্ব গোলাম মোহাম্মদ কিবরিয়া লিটন জানান, এ সড়কটি মূলত সড়ক ও জনপথ বিভাগের। সম্প্রতি সড়কটির উন্নয়ন ও প্রশস্তকরণের দরপত্র হয়েছে। এজন্য তাদের সম্মতিক্রমে জেলা প্রশাসন, পৌরসভা এবং সড়ক ও জনপথের যৌথ উচ্ছেদ অভিযান চালানো হচ্ছে। আপাতত দুদিনব্যাপী অভিযান চলবে। প্রয়োজন হলে অভিযানের সময়সীমা বাড়ানো হবে।




