ময়মনসিংহ মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের (মমেকহা) করোনা ইউনিটে গত ২৪ ঘণ্টায় ২৩ জনের মৃত্যু হয়েছে। এদের মধ্যে ১০জন করোনায় এবং ১৩উপসর্গ নিয়ে চিকিৎসাধীন অবস্থায় মারা যান। মমেকহা’য় করোনা রোগী ভর্তি ৩৯৯জন। গতকাল মারা গিয়েছিল ১৬জন। এছাড়া বেসরকারি কমিউনিটি বেজড মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতাল বাংলাদেশ (সিবিএমসিবি) করোনা ইউনিটে ভর্তি মোট ২৭জন রোগী চিকিৎসাধীন।

১৪ আগস্ট শনিবার সকালে বিষয়টি নিশ্চিত করে হাসপাতালের করোনা ইউনিটের মুখপাত্র ডা. মহিউদ্দিন খান মুন জানান, শুক্রবার সকাল ৮টা থেকে শনিবার সকাল ৮টা পর্যন্ত করোনা ইউনিটে করোনায় মারা যাওয়া ১০জনের মধ্যে ময়মনসিংহের ৮জন ও নেত্রকোনা ও শেরপুরের ১জন করে রয়েছেন। তারা হলেন- ময়মনসিংহ সমদরের মর্জিনা (৬৫), খাদিজা বেগম (৭০), সুফিয়া, ৪৫), আকুয়ার খোদেজা (৫৫), মুক্তাগাছার আব্দুল মালেক (৫৫), ও রিয়াজুল (৪৫), তারাকান্দার কোহিনূর বেগম (৬৫), হালুয়াঘাটের আব্দুল মতিন (৭০), নেত্রকোনা সদরের খলিন্দ্র চন্দ্র (৮০), শেরপুরের নালিতাবাড়ীর আবুল সালেহ (৭০)।
এ ছাড়া ওই সময়ের মধ্যে করোনার উপসর্গ নিয়ে মারা যাওয়া ১০জনের মধ্যে ময়মনসিংহের ৭জন, নেত্রকোণার ৩জন, জামালপুর, শেরপুর ও টাঙ্গাইলের ১জন রয়েছেন। তারা হলেন- ময়মনসসিংহ সদরের ফারুক (৩৬), আসিরন (৬০) গোলাম কিবরিয়া (৬০), রাবেয়া (৭০), রোজি আক্তার (৫০),আব্দুল রাজ্জাক (৭০), ঈশ্বরগঞ্জের সাকিনা বেগম (৫৫), নেত্রকোনা সদরের আহমেদ (৫৬), হাজেরা খাতুন (৬৫), মঞ্জুরুল হক (৬৫), টাংগাইল সদরের আব্দুল গফুর (৮৫), জামালপুর সদরের মোঃ বিল্লাল উদ্দিন (৬০) ও শেরপুর সদরের মোজাম্মেল (৬৫০।
ডা. মহিউদ্দিন খান মুন আরও জানান, করোনা ইউনিটে বর্তমানে ৩৯৯ জন রোগী ভর্তি আছেন। এর মধ্যে আইসিইউতে চিকিৎসাধীন রয়েছেন ২২ রোগী। নতুন সনাক্ত ২২৮ ও ভর্তি হয়েছেন ২৪ জন এবং সুস্থ হয়ে বাড়ি ফিরেছেন ২৬ জন। ওয়ান স্টপ ফ্লু কর্নারে গত ২৪ ঘন্টায় মোট সেবা নিয়েছেন ৮৭ জন ও ১৫ জন টেলিমেডিসিন সেবা নিয়েছেন।
এদিকে গত ২৪ ঘণ্টায় ময়মনসিংহ জেলায় ৬০০ নমুনা পরীক্ষা করে ১৩৯ জনের শরীরে করোনার উপস্থিতি পাওয়া গেছে। শনাক্তের হার ২৩.১৬ শতাংশ এবং এর আগেরদিন ১৩ আগষ্ট ছিল ১৬.৯৯ শতাংশ বলে জানিয়েছেন সিভিল সার্জন ডা. মোহাম্মদ নজরুল ইসলাম। কমিউনিটি বেজড মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতাল বাংলাদেশ (সিবিএমসিবি) করোনা ইউনিটের মুখপাত্র ডাঃ খায়রুল ইসলাম সিজার জানান, ১২আগষ্ট সকাল ৮টা পর্যন্ত সিবিএমসিবি করোনা ইউনিটে ভর্তি রোগী করোনায় ১৮জন ও উপসর্গ নিয়ে ৯জনসহ মোট ২৭ জন। তন্মধ্যে নতুন ভর্তি ৩জন, সুস্থ্য হয়ে বাড়ি ফিরেছেন ৪জন।




