ঈদের বাকি আর মাত্র দুই দিন। করোনা ভাইরাসজনিত পরিস্থিতিতে দূরপাল্লার বাস চলাচল বন্ধ থাকলেও ঘরমুখো মানুষ বিকল্প উপায়ে বাড়ি ফিরছেন। এজন্য শেরপুরে বেড়েছে যানবাহনের চাপ। পাশাপাশি বেড়েছে যানজটও। এদিকে জেলার প্রবেশদ্বারে বসানো হয়েছে পুলিশের চেকপোস্ট। বিগত কয়েকদিনের তুলনায় ১২ মে বুধবার বেশি কড়াকড়ি দেখা গেছে।

জেলা ও উপজেলা শহরের মূল সড়কগুলোও ব্যক্তিগত গাড়ি, সিএনজি, মোটরসাইকেল, ব্যাটারিচালিত রিকশার দখলে। চেকপোস্টে আগের মতোই গাড়ি থামিয়ে পুলিশ চেক করছেন। ভাড়ায়চালিত ও লকডাউন অমান্যকারী গাড়ির চালকদের পুলিশের জিজ্ঞাসাবাদের সম্মুখীন হতে হচ্ছে। মোটরসাইকেল ও প্রাইভেটকারগুলোকে মামলা দিতেও দেখা গেছে। বুধবার সকালে সরেজমিনে শেরপুর জেলার প্রবেশদ্বার নকলার গৌড়দ্বারে পুলিশের চেকপোস্টে এমন চিত্র দেখা গেছে।
এদিন সড়কে যানবাহনের চাপও ছিল বেশি। মূল সড়কে ব্যক্তিগত গাড়ি, মোটরসাইকেল ও রিকশার দখলে চলে গেছে। এজন্য লকডাউনের মধ্যেও কর্মস্থল থেকে ঈদের ছুটিতে আসা জনসাধারণ চরম ভোগান্তিতে পড়েছেন। গণপরিবহন চালু না থাকায় কেউ এক মোড় থেকে আরেক মোড় পর্যন্ত রিকশায়, আবার কেউ ভাড়া করা প্রাইভেটকারে যাচ্ছেন। অনেকে অন্যের মোটরসাইকেলে যাত্রা করে পথিমধ্যে পুলিশের বাঁধার মুখে পড়েন।




