
শ্যামলবাংলা ডেস্ক : পরিকল্পনামন্ত্রী এম এ মান্নান বলেছেন, রূপপুর পারমাণবিক বিদ্যুৎ কেন্দ্রের গ্রিনসিটি হাউজিং প্রকল্পের বিষয়টি আমাদের নজরে এসেছে। বিষয়টি দেখে আমি এক্সসাইটেড। প্রকল্পে ৩ টাকার বালিশ তুলতে পাঁচ টাকা হলো কেন? বিষয়টি তদন্ত করতে পরিকল্পনা মন্ত্রণালয়ের বাস্তবায়ন পরিবীক্ষণ ও মূল্যায়ন বিভাগ (আইএমইডি) থেকে টিম পাঠানো হবে।
২১ মে মঙ্গলবার সকাল ১০টায় রাজধানীর শেরেবাংলা নগরের এনইসি সম্মেলন কক্ষে অনুষ্ঠিত একনেক সভা শেষে এক প্রশ্নের জবাবে ওইসব কথা জানান পরিকল্পনামন্ত্রী।
পরিকল্পনামন্ত্রী বলেন, রূপপুর পারমাণবিক বিদ্যুৎ প্রকল্পের কেনাকাটা নিয়ে দুটি তদন্ত চলছে। একটি পাবলিক ওয়ার্কস ডিপার্টমেন্ট (পিডাব্লিউডি) অন্যটি বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি মন্ত্রণালয়ের। আমরাও আইএমইডিকে দিয়ে তদন্ত করাবো। রূপপুরে টিম যাবে। এই টিম কি তথ্য দেয় তা প্রধানমন্ত্রীকে অবগত করা হবে। এর পরেই আমরা প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নিতে পারবো।

মন্ত্রী বলেন, উন্নয়ন থেমে থাকবে না। দেশের উন্নয়ন চলবে। আমাদের দেশের সব উন্নয়ন ধরে রাখবো। অন্যান্য মন্ত্রণালয় বাড়তি বরাদ্দ চেয়েছে কি এমন? প্রশ্নের জবাবে এম এ মান্নান বলেন, অন্য কোনো মন্ত্রণালয় বাড়তি বরাদ্দ চাইলে টাকার কোনো সমস্যা নেই। কোনো মন্ত্রণালয় বাড়তি চাহিদার কথা আমাদের বোঝাতে পারলে বাড়তি বরাদ্দ দেয়া হবে।
এম এ মান্নান আরও বলেন, প্রধানমন্ত্রী আমাদের গবেষণা ও পাটে বিশেষ নজর দিতে বলেছেন। আমরা এই দুটি বিষয়ের উন্নয়নে কাজ করবো। কিছু কিছু প্রকল্প বাস্তবায়নে ধীরগতি দেখা দিয়েছে। প্রকল্প বাস্তবায়নে ধীরগতির কারণ খুঁজতে নির্দেশ দিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী।




