ঝিনাইগাতী (শেরপুর) প্রতিনিধি ॥ শেরপুরের ঝিনাইগাতীতে ধর্ষণ চেষ্টার শিকার হয়েছে ষষ্ঠ শ্রেণিপড়–য়া এক কিশোরী (১২)। ২৮ জানুয়ারি সোমবার সকালে উপজেলার নলকুড়া ইউনিয়নের গজারীপাড়া গ্রামের ওই ঘটনায় থানায় মামলা হলেও এখনও গ্রেফতার হয়নি একমাত্র আসামী ২ সন্তানের জনক লম্পট আবুল হাশেম (৪০)। ঘটনার পর থেকেই লম্পট আবুল হাশেম গাঁ ঢাকা দিয়ে রয়েছে।
পুলিশ জানায়, ঝিনাইগাতী উপজেলার নলকুড়া ইউনিয়নের গজারীপাড়া গ্রামের কৃষক পরিবারের সন্তান ও পার্শ্ববর্তী শালচূড়া উচ্চ বিদ্যালয়ের ৬ষ্ঠ শ্রেণির শিক্ষার্থী ওই কিশোরী সোমবার সকাল সাড়ে ১০টার দিকে কলা বিক্রি করতে বাড়ির সামনে আবুল হাশেমের মুদি দোকানে যায়। ওইসময় দোকান মালিক হাশেম দোকানে না থাকায় তার বাড়িতে খোঁজ নিতে গেলে কিশোরীকে ফাঁকা বাড়িতে একা পেয়ে জোরপূর্বক ধর্ষণের চেষ্টা করে আবুল হাশেম। কিশোরীর ডাক-চিৎকারে পরিবারের লোকজন গিয়ে তাকে উদ্ধার করে ঝিনাইগাতী উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তি করে। কিশোরীর মার লিখিত অভিযোগ পেয়ে থানা পুলিশ ঘটনাস্থল পরিদর্শন করে। তবে ওই কিশোরীর পরিবারের অভিযোগ, তাকে ধর্ষণ করেছে ওই লম্পট এবং ঘটনার পর রক্তাক্ত অবস্থায় তাকে হাসপাতালে ভর্তি করা হয়।
এ ব্যাপারে ঝিনাইগাতী থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা বিপ্লব কুমার বিশ্বাস বলেন, প্রথম দিকে ঘটনাটি ধর্ষণের বলে অভিযোগ করা হলেও প্রাথমিক তদন্তে তা ধর্ষণ চেষ্টা বলে প্রতীয়মান হওয়ায় সংশ্লিষ্ট আইনে নিয়মিত মামলা রেকর্ড করা হয়েছে। ঘটনার পর থেকেই একমাত্র আসামী পলাতক রয়েছে। তাকে গ্রেফতারে চেষ্টা চলছে।




