ads

শনিবার , ২২ ডিসেম্বর ২০১৮ | ৫ই বৈশাখ, ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
তথ্য ও সম্প্রচার মন্ত্রণালয়ের নিবন্ধনপ্রাপ্ত অনলাইন নিউজ পোর্টাল
  1. ENGLISH
  2. অনিয়ম-দুর্নীতি
  3. আইন-আদালত
  4. আন্তর্জাতিক
  5. আমাদের ব্লগ
  6. ইতিহাস ও ঐতিহ্য
  7. ইসলাম
  8. উন্নয়ন-অগ্রগতি
  9. এক্সক্লুসিভ
  10. কৃষি ও কৃষক
  11. ক্রাইম
  12. খেলাধুলা
  13. খেলার খবর
  14. চাকরির খবর
  15. জাতীয় সংবাদ

শেরপুর-১ আসনে আঞ্চলিকতার চাপে নীরব থাকার ঘোষণা দিলেন জাপা’র উন্মুক্ত প্রার্থী ইলিয়াস!

শ্যামলবাংলা ডেস্ক
ডিসেম্বর ২২, ২০১৮ ৮:১৯ অপরাহ্ণ

স্টাফ রিপোর্টার ॥ একাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে বিভিন্ন নির্বাচনী এলাকায় যখন জাতীয় পার্টির উন্মুক্ত থাকা প্রার্থীরা মহাজোটের প্রধান দল আওয়ামী লীগের প্রার্থীদের সমর্থনে নির্বাচন থেকে সরে দাঁড়াচ্ছেন, ঠিক তখন শেরপুর-১ (সদর) আসনে ঘটছে তার ব্যতিক্রম। এ আসনে এবার মহাজোটের স্বার্থে আওয়ামী লীগ প্রার্থী হুইপ আতিউর রহমান আতিকের সমর্থনে নয়, আঞ্চলিকতার চাপে নীরব থাকার ঘোষণা দিলেন জাতীয় পার্টির উন্মুক্ত প্রার্থী দলের জেলা শাখার সভাপতি, সাবেক উপজেলা চেয়ারম্যান মোঃ ইলিয়াস উদ্দিন। ২২ ডিসেম্বর শনিবার বিকেলে শহরের খরমপুর নতুন বাজারস্থ দলীয় কার্যালয়ে আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে ওই ঘোষণা দেন।
সংবাদ সম্মেলনে তিনি জানান, আমি মহাজোটের মনোনয়নপ্রত্যাশী হলেও শেষ পর্যন্ত আমাকে মনোনয়ন না দেওয়ায় আমার দলের চেয়ারম্যান হুসেইন মুহম্মদ এরশাদ আমার আসনসহ আরও কয়েকটি আসন জাতীয় পার্টির জন্য উন্মুক্ত করে দেন। সে কারণে আমি এখানে লাঙল প্রতীক নিয়ে উন্মুক্ত প্রার্থী হয়েছিলাম। কিন্তু আমি প্রার্থী হয়ে প্রতীক বরাদ্দের পর থেকে নির্বাচনী গণসংযোগে বের হওয়ার পর থেকেই আমার চরাঞ্চলের ধানের শীষের সমর্থকদের তোপের মুখে পড়ি। কারণ সদর উপজেলার ১৪ টি ইউনিয়ন দীর্ঘদিন থেকে দু’ভাগে বিভক্ত হয়ে পূর্বাঞ্চল ও পশ্চিমাঞ্চল হিসেবে সাধারণ ভোটাররা ভোট দিয়ে থাকে। আমি পশ্চিমাঞ্চলের প্রার্থী হলেও এখানে এবার ২২ বছর পর ধানের শীষের প্রার্থী হওয়ায় এলাকাবাসী এ এলাকায় একক প্রার্থী দেখতে চাইছে। সেক্ষেত্রে আমাকে চাপে রাখা হয়েছে মাঠ ছেড়ে দেওয়ার জন্য।
অন্যদিকে তিনি প্রশাসন থেকেও নির্বাচনে এক তরফাভাবে নৌকা প্রতীকের প্রার্থীকে বিজয়ী করতে নানা তাল-বাহানা করা হচ্ছে এবং তার প্রতিবাদ করলেও তার সমর্থকরা মামলা-হামলার শিকার হচ্ছে অভিযোগ করে বলেন, সুষ্ঠু ও অবাধ ভোট গ্রহণ হবে না বিধায় প্রকাশ্যে সভা-সমাবেশ বাদ রেখে আজ থেকে নীরব থাকার ঘোষণা দিলাম। সেইসাথে দলীয় নেতা-কর্মীসহ এলাকার সাধারণ ভোটারদের উন্মুক্ত করে দিলাম। এখন তারা তাদের ইচ্ছেমাফিক যাকে খুশি তাকেই ভোট দিতে এবং যে কোন প্রার্থীর পক্ষে প্রচারণায় অংশ নিতে পারবেন। তবে ৩০ ডিসেম্বর নির্বাচনের দিন নৌকা প্রতীকের প্রার্থী যেন জোরপূর্বক কিছু না করতে পারে সে জন্য প্রতিটা ভোট কেন্দ্রে তার এজেন্ট থাকবে উল্লেখ করে তিনি বলেন, বাইরে আমার বিরুদ্ধে মিথ্যে রটনা করা হচ্ছে যে, আমি নাকি ধানের শীষের পক্ষে টাকা নিয়ে নির্বাচন থেকে সরে গেছি। কিন্তু আমি নির্বাচন থেকে সরে যাইনি। বরং আছি, তবে নীরবে।
সংবাদ সম্মেলনে জাতীয় পার্টির নেতা রইস উদ্দিন, হারুন জিলানী, তাজুল ইসলাম হেলালসহ বিভিন্ন স্তরের নেতা-কর্মীরা উপস্থিত ছিলেন।
উল্লেখ্য, এ আসনে আওয়ামী লীগ প্রার্থী হুইপ আতিউর রহমান আতিকের সাথে মূল লড়াইয়ে থাকা ঐক্যফ্রন্ট সমর্থিত বিএনপি প্রার্থী ডাঃ সানসিলা জেবরিন প্রিয়াংকা সম্পর্কে জাতীয় পার্টির প্রার্থী ইলিয়াস উদ্দিনের নাতনী (ভাগনের মেয়ে) এবং তারা একই এলাকার। আর সেজন্যই তিনি অঘোষিতভাবে সরে দাঁড়ালেন- এমনটাই ভাবছেন নির্বাচন পর্যবেক্ষকরা।

Need Ads

সর্বশেষ - ব্রেকিং নিউজ

Shamol Bangla Ads
error: কপি হবে না!