স্টাফ রিপোর্টার ॥ শেরপুরের নালিতাবাড়ী উপজেলার কাপাশিয়া গ্রামে কৃষকের মাঠে বারি বিটি বেগুন-৩ চাষের উপযোগিতা পরীক্ষা সংক্রান্ত এক মাঠ দিবস অনুষ্ঠিত হয়েছে। ১০ ফেব্রুয়ারি শনিবার দুপুরে ‘ফিড দি ফিউচার বায়োটেকনোলজী পার্টনারশীপ প্রকল্পে’র আওতায় বাংলাদেশ কৃষি গবেষণা ইনিস্টিটিউটের সরেজমিন গবেষনা বিভাগ ওই মাঠ দিবসের আয়োজন করে। ওইসময় বিটি বেগুনের গুনাগুন এবং ওই গ্রামের জিয়াউর রহমানের ১০ শতাংশ জমিতে বারি বিটি বেগুন-৩ আবাদের সফলতার বিভিন্ন দিক তুলে ধরে বক্তব্য রাখেন বাংলাদেশ কৃষি গবেষণা ইনিস্টিটিউট বিজ্ঞানীরা।
প্রধান অতিথি বাংলাদেশ কৃষি গবেষণা ইনিস্টিটিউট (বারি) জয়দেবপুর, গাজীপুরের পরিচালক (সেবা ও সরবরাহ) ড. মো. আমজাদ হোসেন বলেন, বারি বিটি বেগুন-৩ ডগা ও ফল ছিদ্রকারি পোকা প্রতিরোধী। যে কারণে ফলন বেশী পাওয়া যায়। হেক্টরপ্রতি এ বেগুনের ফলন প্রায় ৩০/৩৫ টন। কীটনাশক ব্যবহার করতে হয়না বলে এটা পরিবেশবান্ধব। এ বেগুন খেতে সুস্বাদু, বাজারে চাহিদাও ভালো। এতে আর্থিকভাবে কৃষকরা লাভবান হবেন।
অনুষ্ঠানে কৃষক জিয়াউর রহমান জানান, বারি’র সরেজমিন গবেষণা বিভাগের সহায়তায় তিনি এবার ১০ শতাংশ জমিতে বারি বিটি বেগুন-৩ জাত আবাদ করে ইতোমধ্যে ৯৬ মণ বিক্রী করেছেন। তিনি বলেন, দেখতে সুন্দর, খেতে সুস্বাদু, বিষমুক্ত বলে বলে এ বেগুনের চাহিদা বেশী। বাজারে নেওয়ার সাথেই বিক্রী হয়ে যায়। এ বেগুন চাষ করে তিনি বেশ লাভবান এবং অনেক কৃষক তার নিকট এ বেগুনের জাত ও চাষের বিষয়ে জানতে চাচ্ছেন বলে জানান।
বারি’র সরেজমিন গবেষনা বিভাগের মুখ্য বৈজ্ঞানিক কর্মকর্তা ড. আ. সা. ম. মাহাবুবুর রহমান মাঠ দিবসের আলোচনা অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন। অন্যান্যের মাঝে নালিতাবাড়ী উপজেলা কৃষি অফিসার শরিফ ইকবাল, বিনা নালিতাবাড়ী উপকেন্দ্রের ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা নাসরিন আক্তার, উর্ধ্বতন বৈজ্ঞানিক কর্মকর্তা জুনায়েদ উল নূর প্রমুখ বক্তব্য রাখেন।




