
স্পোর্টস ডেস্ক : চ্যাম্পিয়নস লিগের শিরোপা জিতলো রিয়াল মাদ্রিদ,অ্যাতলেতিকো মাদ্রিদকে হারিয়ে শিরোপা জিতেছে তাদেরই নগর প্রতিদ্বন্দ্বী রিয়াল মাদ্রিদ। টাইব্রেকারে ৫-৩ গোলের জয় নিয়ে মাঠ ছাড়ে রোনালদো বাহিনী।
শনিবার (২৮ মে) মিলানের সান সিরো স্টেডিয়ামে ইউরোপ শ্রেষ্ঠত্বের শিরোপা নির্ধারণী ম্যাচটি শুরু হয় বাংলাদেশ সময় দিবাগত রাত পৌনে একটায়। স্নায়ুক্ষয়ী, রুদ্ধশ্বাস ও উত্তেজনাপূর্ণ ম্যাচে মাঠে নামে দুই নগর প্রতিদ্বন্দ্বী রিয়াল মাদ্রিদ ও অ্যাতলেতিকো মাদ্রিদ। তিন মৌসুমের মধ্যে দ্বিতীয়বারের মতো চ্যাম্পিয়নস লিগের ফাইনাল রূপ নিয়েছিল ‘মাদ্রিদ ডার্বি’ ম্যাচে!


ইউরোপিয়ান ক্লাব প্রতিযোগিতার সবচেয়ে বড় ম্যাচে শেষ হাসি হেসেছে রিয়াল। নির্ধারিত সময়ের খেলায় রিয়ালের হয়ে গোল করেন দলপতি সার্জিও রামোস। আর অ্যাতলেতিকোর হয়ে গোল করেন ক্যারাসকো। অতিরিক্ত সময়ে গোল না হলে ম্যাচ গড়ায় টাইব্রেকারে। আর তাতে ৫-৩ গোলের ব্যবধানে জিতে চ্যাম্পিয়নস লিগের ১১তম শিরোপা জেতে রিয়াল।
জিনেদিন জিদান কী পারবেন খেলোয়াড় ও কোচ হিসেবে রিয়ালকে শিরোপা এনে দিতে? নাকি দিয়েগো সিমিওন নিজেকে আরো অন্য উচ্চতায় নিয়ে যাবেন? সব প্রশ্নের উত্তর মেলানোর অপেক্ষায় ছিল সান সিরোর ফাইনালটি।
এর আগে পর্তুগালের লিসবনে ২০১৪ সালে অ্যাতলেতিকোকে হারিয়েই গ্যালাকটিকোদের বহুল প্রতীক্ষিত ‘লা ডেসিমা’র (দশম চ্যাম্পিয়নস লিগ) অপেক্ষার অবসান ঘটে।
কোচ হিসেবে নিজের প্রথম অ্যাসাইনমেন্টে সফলতা দেখালেন জিনেদিন জিদান। চ্যাম্পিয়নস লিগের ফাইনালে অ্যাতলেটিকো মাদ্রিদকে হারিয়ে শিরোপা উৎসবে মাতে ৯৮’র বিশ্বকাপ জয়ী ফ্রেঞ্চ অধিনায়কের শিষ্যরা। আর কিংবদন্তি এ তারকার এমন সফলতায় শুভেচ্ছা জানিয়েছেন আরেক তারকা ডেভিড বেকহাম।
চলতি মৌসুমের মাঝ থেকে রিয়ালের দায়িত্ব নেন জিদান। রাফায়েল বেনিতেজকে বরখাস্তের পর দলটির সাবেক তারকার ওপরই ভরসা রাখে লা গ্যালাকটিকোরা। আর তারই অধীনে মিলান ফাইনালে টাইব্রেকারে ৫-৩ গোলের জয় নিয়ে রেকর্ড ১১তম ট্রফির স্বাদ পায় দলটি।
এদিকে নিজের ইন্সটাগ্রাম অ্যাকাউন্টে ইংল্যান্ডের সাবেক অধিনায়ক ও এক সময় রিয়ালে জিজুর সতীর্থ বেকহাম লিখেন, ‘আমার বন্ধু শুভেচ্ছা তোমাকে। এমন তারকার হাতেই শিরোপা মানায়…জয় মাদ্রিদের।’





