ads

বৃহস্পতিবার , ১১ ফেব্রুয়ারি ২০১৬ |
তথ্য ও সম্প্রচার মন্ত্রণালয়ের নিবন্ধনপ্রাপ্ত অনলাইন নিউজ পোর্টাল
  1. ENGLISH
  2. অনিয়ম-দুর্নীতি
  3. আইন-আদালত
  4. আন্তর্জাতিক
  5. আমাদের ব্লগ
  6. ইতিহাস ও ঐতিহ্য
  7. ইসলাম
  8. উন্নয়ন-অগ্রগতি
  9. এক্সক্লুসিভ
  10. কৃষি ও কৃষক
  11. ক্রাইম
  12. খেলাধুলা
  13. খেলার খবর
  14. চাকরির খবর
  15. জাতীয় সংবাদ

এবার মতিয়া চৌধুরীর বিষোদগারে নকলা-নালিতাবাড়ীর পদবঞ্চিত নেতারা

শ্যামলবাংলা ডেস্ক - ফটো কার্ড
ফেব্রুয়ারি ১১, ২০১৬ ৬:২৬ অপরাহ্ণ

Press Briffing 2স্টাফ রিপোর্টার : ফের আওয়ামী লীগের প্রেসিডিয়াম সদস্য, কৃষিমন্ত্রী বেগম মতিয়া চৌধুরীর বিষোদগার করা হয়েছে। এবার বিষোদগার করেছেন তারই নির্বাচনী এলাকা শেরপুর-৩ (নকলা-নালিতাবাড়ী) এর ‘বঞ্চনার শিকার’ ও পদবঞ্চিত নেতারা। একইসাথে তারা রাজনৈতিক প্রতিবন্ধকতা সৃষ্টি করা থেকে বিরত থেকে আওয়ামী লীগ করার সুযোগ দাবি করেন। ৭ ফেব্রুয়ারি রবিবার সন্ধ্যায় শেরপুর প্রেসকাবে উপস্থিত হয়ে নকলা উপজেলা ও জেলা আওয়ামী লীগের সাবেক নেতা অধ্যক্ষ শহীদুল ইসলাম মুকুল এবং নালিতাবাড়ী উপজেলা কৃষক লীগের সাধারণ সম্পাদক আনোয়ারুল মনজিলের নেতৃত্বে কয়েকজন নেতা প্রিন্ট ও ইলেকট্রনিক মিডিয়া কর্মীদের হাতে একটি যৌথ বিবৃতি তুলে দিয়ে ওই দাবি জানান। ওইসময় তাদের দাবির সাথে একাত্মতা প্রকাশ করেন নালিতাবাড়ীর সাবেক উপজেলা চেয়ারম্যান, কেন্দ্রীয় কৃষক লীগের সাবেক যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক ও কেন্দ্রীয় ছাত্রলীগের সাবেক সহ-সভাপতি কৃষিবিদ বদিউজ্জামান বাদশা। অন্যান্যের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন নালিতাবাড়ীর সাবেক ছাত্রলীগ নেতা, নাজমুল স্মৃতি মহাবিদ্যালয়ের সাবেক জিএস আসাদুজ্জামান সোহেল ও সাবেক যুবলীগ নেতা রফিকুল ইসলাম।
যৌথ স্বাক্ষরিত বিবৃতি সাংবাদিকদের পড়ে শুনান অধ্যক্ষ শহীদুল ইসলাম মুকুল। বিবৃতিতে দাবি করা হয়, আমরা অত্যন্ত পরিতাপের সাথে বলতে চাই যে, শেরপুরের নালিতাবাড়ী-নকলা উপজেলাসহ গোটা জেলায় আওয়ামী পরিবারের নেতৃবৃন্দ এবং দলের বিশাল কর্মী বাহিনী কৃষিমন্ত্রী বেগম মতিয়া চৌধুরীর রাজনৈতিক বঞ্চনার শিকার। আমরা আওয়ামী পরিবারের পরীক্ষিত সৈনিক এবং বিগত দিনে উপজেলা ও জেলা কমিটির ভেতরে আমাদের অনেকেরই নাম ছিল।’ ৭৫ পরবর্তী সময়ে ছাত্রলীগ ও আওয়ামীলীগকে পূনর্গঠনে আমাদের উল্লেখযোগ্য ভূমিকা ছিল। স্বৈরাচার বিরোধী আন্দোলনসহ জননেত্রী শেখ হাসিনার নির্দেশ অনুযায়ী বিভিন্ন কর্মসূচী আমরা দক্ষতার সাথে পালন করেছি। কিন্তু বেগম মতিয়া চৌধুরীর আওয়ামী বিরোধী মনোভাব এবং রাজনৈতিক দুর্বৃত্তায়নের শিকার হয়ে আজ আমরা উপজেলা কমিটি থেকে বঞ্চিত হয়েছি। শুধু আমরাই নই, নকলা-নালিতাবাড়ীতে খুব কম নেতা-কর্মীই আছেন যারা মতিয়া চৌধুরী দ্বারা অপমানিত হননি।
বিবৃতিতে আরও দাবি করা হয়, বিগত উপজেলা আওয়ামী লীগের সম্মেলনে কাউন্সিলরদের মতামত গ্রহণ না করে নালিতাবাড়ী-নকলা উপজেলা কমিটি করা হয়। বেগম মতিয়া চৌধুরী কেন্দ্রীয় নেতৃবৃন্দের উপস্থিতিতে উনার ভ্যানেটি ব্যাগ থেকে মনগড়া কমিটির তালিকা বের করে কাউন্সিলরদের পড়ে শুনানোর জন্য নেতৃবৃন্দকে অনুরোধ করেন। একজন প্রেসিডিয়াম সদস্যের এমন অগণতান্ত্রিক কর্মকান্ডকে সেদিন অনেকে নীতিগতভাবে মেনে নিতে না পারলেও ভয় ও রাজনৈতিক সংস্কৃতির কারণে নীরব ছিলেন। বেগম মতিয়া চৌধুরীর পকেট কমিটিতে সকল সাবেক সভাপতি/সম্পাদক এবং বিভিন্ন পদে থাকা স্বাধীনচেতা নেতৃবৃন্দ বাদ পড়েন অথবা অবমূল্যায়িত হন।
বিবৃতিতে আরও বলা হয়, বিগত পৌর নির্বাচনে শেরপুর সদর পৌরসভায় জননেত্রী শেখ হাসিনা মনোনীত আওয়ামী লীগ প্রার্থী গোলাম মোহাম্মদ কিবরিয়া লিটনের বিরোধিতা করে বেগম মতিয়া চৌধুরী আওয়ামী বিদ্বেষী মনোভাবের চূড়ান্ত স্বাক্ষর রেখেছেন। ওই ঘটনায় জেলা আওয়ামীলীগের সভাপতি জননেতা আতিউর রহমান আতিক ও সাধারণ সম্পাদক এডভোকেট চন্দ কুমার পালের সাহসী প্রতিবাদ সময়োপযোগী হয়েছে। তাদেরকে নালিতাবাড়ী-নকলা উপজেলার বঞ্চিত নেতা- কর্মীদের পক্ষ থেকে অভিনন্দন জানিয়ে দাবি করা হয়, নিজের অপর্কম ঢেকে রাখার জন্য উনার অনুগত অনুসারীদের দিয়ে জেলা আওয়ামীলীগের সফল সভাপতি জননেতা আতিউর রহমান আতিকের বিরুদ্ধে উদ্ভট ও বানোয়াট কথা বলাচ্ছেন। আতিউর রহমান আতিক শেরপুর সদর আসন থেকে জনগণের ভোটে পর পর ৫ বার নির্বাচিত গণমানুষের নেতা ও মহান সংসদের হুইপ। উনার গণমুখী নেতৃত্বের জন্য শেরপুরের জনগণ উনাকে আপন করে নিয়েছেন। জেলা আওয়ামী লীগ ও হুইপ আতিকের মতো একজন সার্বজনীন ব্যক্তিকে নিয়ে অবান্তর বক্তব্য প্রদান করায় তার তীব্র প্রতিবাদ জানিয়ে তারা এ থেকে বিরত থাকার জন্য অনুরোধ জানিয়ে বলেন, আমরা জাতির জনক বঙ্গবন্ধুর কন্যা জননেত্রী শেখ হাসিনার নেতৃত্বে আওয়ামীলীগের সুদিনে-দুর্র্দিনে দলের সাথে সম্পৃক্ত ছিলাম, আছি ও ভবিষ্যতেও থাকব- ইনশাল্লাহ। আমরা বেগম মতিয়া চৌধুরীকে অনুরোধ জানিয়ে বলতে চাই, দয়া করে মাটি ও মানুষের নেতা হওয়ার চেষ্টা করুন, মানুষের সাথে মানুষের মত ব্যবহার করতে শিখুন এবং রাজনৈতিক প্রতিবন্ধকতা সৃষ্টি করা থেকে বিরত থেকে আমাদের আওয়ামী লীগ করার সুযোগ দিন।
ওই যৌথ বিবৃতিতে স্বাক্ষর করেন জেলা আওয়ামী লীগ ও নকলা উপজেলা আওয়ামী লীগের সাবেক সদস্য শহিদুল ইসলাম মুকুল, নালিতাবাড়ী উপজেলা আওয়ামী লীগের সাবেক সহ-সভাপতি মফিজ উদ্দিন তালুকদার ও আব্দুস সালাম মাস্টার, সাবেক সাংগঠনিক সম্পাদক মোঃ মোক্তারুজ্জামান ও মোঃ মোক্তার হোসাইন, সাবেক দপ্তর সম্পাদক মোঃ আঃ রাজ্জাক, সম্পাদকমন্ডলীর সাবেক সদস্য এডভোকেট ইব্রাহিম খলিল, উপজেলা স্বেচ্ছাসেবক লীগের সাবেক সভাপতি এডভোকেট হাফিজুর রহমান, উপজেলা কৃষক লীগের সাধারণ সম্পাদক আনোয়ারুল মন্জিল ও নালিতাবাড়ী নাজমুল স্মৃতি মহাবিদ্যালয়ের সাবেক জিএস আসাদুজ্জামান সোহেল। ওইসময় সাংবাদিকদের বিভিন্ন প্রশ্নের জবাব দেন কৃষিবিদ বদিউজ্জামান বাদশা, মোঃ শহীদুল ইসলাম মুকুল ও আনোয়ারুল মনজিল।
উল্লেখ্য, পৌর নির্বাচনের পরদিন ৩১ ডিসেম্বর এক সাংবাদিক সম্মেলনে বেগম মতিয়া চৌধুরীকে ষড়যন্ত্রকারী হিসেবে আখ্যায়িত করে প্রকাশ্যে তার বিষোদগার করেন জেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি, হুইপ আতিউর রহমান আতিক এমপি। ওইসময় তাকে সমর্থন করেন জেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক এডভোকেট চন্দন কুমার পাল পিপি ও নবনির্বাচিত পৌর মেয়র গোলাম মোহাম্মদ কিবরিয়া লিটন। এর কয়েকদিন পরই গণমাধ্যমে দেওয়া বিবৃতিতে বেগম মতিয়া চৌধুরীর বিষোদগার করেন গত জাতীয় নির্বাচনে নকলা-নালিতাবাড়ী নির্বাচনী এলাকায় বিদ্রোহী প্রার্থী সাবেক উপজেলা চেয়ারম্যান কৃষিবিদ বদিউজ্জামান বাদশা।

Need Ads

সর্বশেষ - ব্রেকিং নিউজ

Shamol Bangla Ads