ads

শনিবার , ৬ ফেব্রুয়ারি ২০১৬ | ১১ সেপ্টেম্বর ২০২৬
তথ্য ও সম্প্রচার মন্ত্রণালয়ের নিবন্ধনপ্রাপ্ত অনলাইন নিউজ পোর্টাল
  1. ENGLISH
  2. অনিয়ম-দুর্নীতি
  3. আইন-আদালত
  4. আন্তর্জাতিক
  5. আমাদের ব্লগ
  6. ইতিহাস ও ঐতিহ্য
  7. ইসলাম
  8. উন্নয়ন-অগ্রগতি
  9. এক্সক্লুসিভ
  10. কৃষি ও কৃষক
  11. ক্রাইম
  12. খেলাধুলা
  13. খেলার খবর
  14. চাকরির খবর
  15. জাতীয় সংবাদ

শেরপুরে শতাধিক এতিম শিশুকন্যাকে নিয়ে বনভোজন করলো কুড়া ব্যবসায়ী সমিতি

শ্যামলবাংলা ডেস্ক - ফটো কার্ড
ফেব্রুয়ারি ৬, ২০১৬ ৯:৫৫ অপরাহ্ণ

picnic-picস্টাফ রিপোর্টার : শেরপুরে শতাধিক এতিম কন্যাশিশুকে নিয়ে বনভোজন করেছে জেলা কুড়া ব্যবসায়ী সমিতি। ৬ ফেব্রুয়ারী শনিবার নালিতাবাড়ী উপজেলার মধূটিলা ইকোপার্কে দিনভর এ বনভোজন অনুষ্ঠিত হয়। জীবনে প্রথমবারের মতো বনভোজনের স্বাদ পেয়ে আনন্দে মাতোয়ারা হয়ে হয়ে ওঠে শেরপুর সরকারী বালিকা শিশু পরিবারের ১২০ জন এতিম শিশুকন্যা।
সংশ্লিষ্ট সুত্রে জানা যায়, শেরপুরের কুড়া ব্যবসায়ী সমিতি ব্যবসায়ী কার্যক্রমের পাশাপাশি বিভিন্ন সামাজিক উন্নয়নমুলক কাজে অংশগ্রহন করে থাকেন। প্রতিবছর সমিতির সদস্যদের নিয়ে তারা শীতের মৌসুমে বার্ষিক বনভোজন করেন। এবার নতুন কমিটি দায়িত্ব নেওয়ায় বনভোজনের সাথে যুক্ত হয় অভিষেক অনুষ্ঠান। সবসময় তারা বনভোজনে শহরের কিছু গন্যমান্য ব্যক্তিকে অতিথি করে নিয়ে যান। কিন্তু এবার তারা অন্যরকমভাবে তাদের বনভোজনের চিন্তা করেন। কুড়া ব্যবসায়ী সমিতির এক সদস্য বনভোজনের সভায় সরকারি বালিকা শিশু পরিবারের নিবাসী এতিম শিশুদের নিয়ে বনভোজনের প্রস্তাব করলে সেটি সর্বসম্মতভাবে গৃহীত হয়। বিষয়টি জেলা প্রশাসক ও সমাজসেবা অধিদপ্তরকে জানালে তারাও কুড়া ব্যবসায়ী সমিতির এমন উদ্যোগের প্রশংসা করেন এবং নিবাসীর এতম মিশুদের নিয়ে বনভোজনে যাওয়ার অনমতি দেন। বনভোজনের স্বাদ পেয়ে এতিম শিশুরাও আনন্দ আর উল্লাসে মাতোয়ারা হয়ে ওঠে। বনভোজন শেষে আয়োজন করা হয় মনোজ্ঞ সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান। এদিন জেলা কুড়া ব্যবসায়ী সমিতির ৩৫০ জন সদস্য এবং এতিম শিশুরা সহ বনভোজনে প্রায় পাঁচ শতাধিক লোক অংশগ্রহণ করেন।
সরকারি বালিকা শিশু পরিবারের নিবাসী এতিম নবম শ্রেনি পড়–য়া সাইমা আক্তার সিনিয়া, পঞ্চম শ্রেণির তানিয়া আক্তার, আলপনা খাতুন জানায়, আমাদের এতিমখানার পাশ দিয়ে যখন বনভোজনের গাড়ীগুলো যায়, তখন আমরা কেবল চেয়ে চেয়ে দেখতাম, আর আফসোস করতাম। আইজ আমগর মনের আশা পূরণ অইছে। খুব মজা অইছে। সবাই মিল্লা খুব আনন্দ-ফুর্তি করছি। চতুর্থ শ্রেণি পড়ুয়া মিতু বেগম ও তৃতীয় শ্রেণির কাকলী বেগম তাদের অনুভুতি প্রকাশ করে বলে, আমগরে (আমাদের) খুব ভালা লাকতাছে (লাগছে)। মাঝে মাঝে এমুন (এমন) কইরা করলে আমরা আরো খুশি অমু (হব)।
জেলা কুড়া ব্যবসায়ী সমিতির সভাপতি আলহাজ্ব আব্দুল আজিজ বলেন, একদিন এই এতিম শিশু পরিবারে ভোজনের আয়োজন করেছিলাম। তখন ওই এতিম শিশুরা বনভোজনের আবদার করে। তাদের আবদার পুরন করতে ও দুঃখী মানুষের পাশে দাঁড়ানোর ল্েয সমিতি এই বনভোজনের আয়োজন করে।
সাধারন সম্পাদক উজ্জলুর রহমান উজ্জল বলেন, এতিমদের কেউ নেই। তাই তাদের খোঁজ-খবর নেওয়া আমাদের সকলের দায়িত্ব। তাই এতিম শিশুদের আনন্দ-উল্লাস করানোর জন্য কুড়া ব্যবসায়ী সমিতি এই উদ্যোগ নেয়। তিনি আরো বলেন, এসব এতিম শিশুদের সামনের ঈদে নতুন জামা-কাপড় কিনে দেয়ার পরিকল্পনা আছে।
শেরপুরের সরকারী বালিকা শিশু পরিবারের উপ-তত্ত্বাবধায়ক বেলাল হোসেন ধন্যবাদ জানিয়ে বলেন, সরকারের পাশাপাশি শেরপুর জেলা কুড়া ব্যবসায়ী সমিতি সামাজিক দায়বদ্ধতা থেকে তাদের সাথে সরকারী শিশু পরিবারের এতিম (বালিকা) ১২০ জন শিশুদের বনভোজন করানোর সুযোগ সৃষ্টি করেছেন। এমন সহযোগিতার হাত সামর্থ অনুযায়ী সকলের বাড়ানো উচিত।

Need Ads