ads

শনিবার , ২১ নভেম্বর ২০১৫ | ৩রা জ্যৈষ্ঠ, ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
তথ্য ও সম্প্রচার মন্ত্রণালয়ের নিবন্ধনপ্রাপ্ত অনলাইন নিউজ পোর্টাল
  1. ENGLISH
  2. অনিয়ম-দুর্নীতি
  3. আইন-আদালত
  4. আন্তর্জাতিক
  5. আমাদের ব্লগ
  6. ইতিহাস ও ঐতিহ্য
  7. ইসলাম
  8. উন্নয়ন-অগ্রগতি
  9. এক্সক্লুসিভ
  10. কৃষি ও কৃষক
  11. ক্রাইম
  12. খেলাধুলা
  13. খেলার খবর
  14. চাকরির খবর
  15. জাতীয় সংবাদ

প্রাণভিক্ষা চাইলেন যুদ্ধাপরাধী সাকা-মুজাহিদ

শ্যামলবাংলা ডেস্ক
নভেম্বর ২১, ২০১৫ ৩:৩৬ অপরাহ্ণ

mujahid-salauddinশ্যামলবাংলা ডেস্ক : ফাঁসির দণ্ডাদেশপ্রাপ্ত বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য সালাউদ্দিন কাদের (সাকা) চৌধুরী ও জামায়াতের সেক্রেটারি জেনারেল আলী আহসান মোহাম্মদ মুজাহিদ রাষ্ট্রপতির কাছে প্রাণভিক্ষার আবেদন করেছেন। আইনমন্ত্রী আনিসুল হক ওই তথ্য নিশ্চিত করে বলেন, ‘হ্যাঁ, তারা দুইজন প্রাণভিক্ষার আবেদন করেছেন।’ এর বেশি কোনো মন্তব্য করতে রাজী হননি তিনি।
স্বরাষ্ট্রমন্ত্রণালয়ের একটি সূত্র জানিয়েছে, শনিবার একাত্তরের মানবতাবিরোধী অপরাধের দায় স্বীকার করে এ মামলায় ফাঁসির দণ্ডাদেশপ্রাপ্তরা রাষ্ট্রপতি মো. আবদুল হামিদ বরাবর প্রাণভিক্ষার আবেদন করেন।
এদিকে, আইনমন্ত্রী আনিসুল হক বিবিসিকে বলেছেন, আবেদন দুটি স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয় থেকে আইন মন্ত্রণালয়ে এলে আজই (শনিবার) তা রাষ্ট্রপতির কাছে বিবেচনার জন্য পাঠানো হবে। তিনি বলেন, ‘এ ব্যাপারে দ্রুত সিদ্ধান্ত নেওয়া হবে।’ এর আগে সকাল ১০টার দিকে ঢাকা জেলা প্রশাসনের দুই ম্যাজিস্ট্রেট ঢাকা কেন্দ্রীয় কারাগারে প্রবেশ করেন।
কারাগারের একাধিক সূত্র জানায়, কারাগারের রজনীগন্ধা সেলে গিয়ে পৃথকভাবে সাকা চৌধুরী ও মুজাহিদের সঙ্গে দেখা করবেন ওই দুই ম্যাজিস্ট্রেট। এই দুই আসামি রাষ্ট্রপতির কাছে প্রাণভিক্ষার আবেদন করবেন কিনা তা আনুষ্ঠানিকভাবে জানতে চান তারা।
গত বুধবার বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য সাকা চৌধুরী ও জামায়াতের সেক্রেটারি জেনারেল আলী আহসান মোহাম্মদ মুজাহিদের ফাঁসির রায় পুনর্বিবেচনার (রিভিউ) আবেদন খারিজ করে তাদের মৃত্যুদণ্ড বহাল রাখেন সুপ্রিম কোর্টের আপিল বিভাগ। বৃহস্পতিবার বিকেলে পূর্ণাঙ্গ রায় প্রকাশের পর রাতে তা পাঠানো হয় ঢাকা কেন্দ্রীয় কারাগারে। বৃহস্পতিবার রাতে সাকা-মুজাহিদকে রায় পড়ে শোনানোর পর প্রাণভিক্ষার ব্যাপারে জানতে চাওয়া হয়।
স্বাধীনতার ঊষালগ্নে বুদ্ধিজীবী হত্যা এবং ফরিদপুরে হিন্দু সম্প্রদায়ের ওপর বর্বর নির্যাতন ও গণহত্যার দায়ে ২০১৩ সালের ১৭ জুলাই আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল-২ একাত্তরের বদর বাহিনীর প্রধান মুজাহিদকে ফাঁসির দড়িতে ঝুলিয়ে মৃত্যুদণ্ড কার্যকর করার নির্দেশ দেন। এর বিরুদ্ধে আসামিপক্ষ আপিল করে। আদালত মুজাহিদের আপিল আংশিক মঞ্জুর করে চূড়ান্ত রায়ে মৃত্যুদণ্ড বহাল রাখেন। পরে এই রায় পুনর্বিবেচনার (রিভিউ) আবেদন করে আসামিপক্ষ। অন্যদিকে ১৯৭১ সালে চট্টগ্রামের বিভিন্ন এলাকায় গণহত্যা ও মানবতাবিরোধী অপরাধের দায়ে ২০১৩ সালের ১ অক্টোবর সাকা চৌধুরীকে ফাঁসির আদেশ দেন আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল-১। ট্রাইব্যুনালের রায়ের বিরুদ্ধে সর্বোচ্চ আদালতে আপিল করেন সাকা চৌধুরী। আপিলে তার মৃত্যুদণ্ডাদেশ বহাল থাকে।
সাকা চৌধুরীর ফাঁসির সাজা বহাল রেখে আপিল বিভাগের দেওয়া পূর্ণাঙ্গ রায় প্রকাশিত হয় ৩০ সেপ্টেম্বর। এর ১৪ দিনের মাথায় ওই রায় পুনর্বিবেচনার জন্য আবেদন করেন সাকা চৌধুরী।
২০ অক্টোবর সুপ্রিম কোর্টের অবকাশকালীন চেম্বার আদালত ওই আবেদন শুনানির জন্য ২ নভেম্বর দিন নির্ধারণ করেন। পরে সাকা চৌধুরীর আইনজীবীর সময়ের আবেদনের পরিপ্রেক্ষিতে শুনানির দিন ১৭ নভেম্বর পুনর্নির্ধারণ করেন আপিল বিভাগ। ১৭ নভেম্বর শুনানি শেষে আদালত ১৮ নভেম্বর বুধবার রায় ঘোষণার দিন ধার্য করেন। এরই ধারাবাহিকতায় বুধবার আদালত সাকা চৌধুরী ও মুজাহিদের রিভিউ খারিজ করে মৃত্যুদণ্ড বহাল রাখেন।

Need Ads