শ্যামলবাংলা স্পোর্টস : ২০১২ ও ২০১৪ সালের পর আগামী ২০১৬ সালের এশিয়া কাপও বাংলাদেশে অনুষ্ঠিত হবে। বুধবার এশিয়ান ক্রিকেট কাউন্সিলের সর্বশেষ বৈঠকে এটি চূড়ান্ত করা হয়। এর ফলে প্রথম দেশ হিসেবে টানা ৩ বার এশিয়া কাপ আয়োজন করার রেকর্ড গড়তে যাচ্ছে বাংলাদেশ।
পূর্ব নির্ধারিত সূচি অনুযায়ী, ভারতে ২০১৬ এশিয়া কাপ অনুষ্ঠিত হওয়ার কথা ছিল। তবে একই বছর ভারত টি-২০ বিশ্বকাপের আয়োজক হওয়ায় এশিয়া কাপের আয়োজন থেকে সরে আসে। ফলে গত দুটি এশিয়া কাপ সফলভাবে আয়োজন করায় বাংলাদেশকে এবারও স্বাগতিকের মর্যাদা দেয় এশিয়ান ক্রিকেট কাউন্সিল।
এর আগে বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ডের (বিসিবি) সভাপতি নামজুল হাসান পাপন জানিয়েছেন, কোনো কারণে ভারত যদি এশিয়া কাপ আয়োজন থেকে সরে আসে তবে বাংলাদেশ আয়োজক হতে প্রস্তুত। বুধবার সেটিই বাস্তবে রূপ লাভ করলো। এশিয়ান কাউন্সিলের সিদ্ধান্ত অনুযায়ী, আগামী ২৮ ফেব্রুয়ারি থেকে ৬ মার্চ এশিয়ান কাপের ১৩তম আসর অনুষ্ঠিত হবে। এই প্রথমবারের মতো এশিয়া কাপ টুর্নামেন্ট টি-২০ ফরম্যাটে অনুষ্ঠিত হবে।
এই নিয়ে পঞ্চমবারের মতো এশিয়া কাপের আয়োজন করতে যাচ্ছে বাংলাদেশ। আর কোনো দেশ এতবার এশিয়া কাপ আয়োজন করতে পারেনি। সমান ৪ বার এই টুর্নামেন্ট আয়োজন করে বাংলাদেশ ও শ্রীলংকা আপাতত সমান্তরালে রয়েছে। তবে আগামী বছর এশিয়া কাপ আয়োজনের মধ্য দিয়ে শ্রীলংকাকে ছাড়িয়ে যাবে লাল সবুজের দেশ।
১৯৮৮ সালে বাংলাদেশ প্রথমবারের মতো এশিয়া কাপের আয়োজন করে। এর ১২ বছর পর দ্বিতীয়বারের মতো এশিয়া কাপ আয়োজন করে বাংলাদেশ। ২০১২ ও ২০১৪ সালের পর ২০১৬ সালেও টুর্নামেন্টটির আয়োজন করতে যাচ্ছে লাল সবুজের বাংলাদেশ। ২০১২ সালে ঘরের মাঠে এশিয়া কাপের ফাইনালে জয়ের দ্বারপ্রান্তে গিয়েও হতাশ হতে হয় সাকিব-মাশরাফিদের। ফাইনালে পাকিস্তানের কাছে মাত্র ২ রানে হেরে শিরোপা-স্বপ্ন ভঙ্গ হয় টাইগারদের। তবে ২০১২ সালের বাংলাদেশ আর বর্তমান বাংলাদেশ এক নয়। বদলে যাওয়া বাংলাদেশ এবার শিরোপা জয়ের লক্ষ্য নিয়েই মাঠে নামবে।




