
স্টাফ রিপোর্টার : শরৎপ্রাতে অসুরশক্তি বিনাশকারী দেবী দূর্গার আগমনের ম্যধ দিয়ে শুরু হতে যাচ্ছে সনাতন ধর্মাবলম্বীদের সবচেয়ে বড় ধর্মীয় উৎসব শারদীয় দূর্গা পূজা। মন্দিরে মন্দিরে বাজবে ঢাক, শংখ আর ঝাজ। ভক্তদের আগমনে শারদীয় এই উৎসব। আনন্দে মাতবে সবাই। শেরপুরে রকমারী আলোকসজ্জার বর্ণালী বাহারে সাজানো হয়েছে পূজা মন্ডপ ও তার আশপাশ এলাকা। কারিগররা রাত-দিন চালিয়ে যাচ্ছে তাদের সাজসজ্জার কাজ। সব মিলে উৎসবের রংয়ে সেজেছে শেরপুর। জেলার বিভিন্ন পূজামন্ডপ ঘুরে দেখা গেছে, বিভিন্ন মন্ডপে চলছে শারদীয় দুর্গা উৎসবের ব্যাপক প্রস্তুতি। প্রস্তুতির শেষ পর্যায়ে চলছে সাজসজ্জা, আলোকসজ্জা, প্যান্ডেল ও ডেকোরেশনের কাজ। ঘরে ঘরে উৎসবের আমেজ। এদিকে পরিবার-পরিজনের জন্য কেনা-কাটায় ব্যস্ত সময় পার করছেন সনাতন ধর্মাবলম্বীরা। ঘরে বাইরে পূজাকে ঘিরে চলছে ব্যস্ততা। জামা কাপড় তৈরি, কেনা-কাটায় সরগরম শহরের বিপণিবিতানগুলোতে। শারদীয় দূর্গোৎসবকে কেন্দ্র করে চারপাশে চলছে এখন উৎসবের আমেজ।
১৮ অক্টোবর সায়ংকালে দেবীর বোধন অনুষ্ঠিত হবে। ১৯ তারিখ দেবীর ষষ্ঠী বিহিত পুজো, সায়ংকালে আমন্ত্রণ ও অধিবাস। ২০ তারিখ দেবীর নবপত্রিকা প্রবেশ, সপ্তমী ও মহাসপ্তমী বিহিত পুজো। ২১ তারিখ মহাষ্টমী। কুমারী পূজা, সন্ধিপূজা। ২২ তারিখ মহানবমী পূজা। সনাতন পঞ্জিকা মতে এবার ২২ অক্টোবর একই দিনে মহানবমী ও বিজয়া দশমী পড়ায় ওই দিন দর্পণ বিসর্জন হবে। তবে সারাদেশে ২৩ অক্টোবরই বিজয়া শোভাযাত্রাসহকারে প্রতিমা বিসর্জনের সিদ্ধান্ত হয়েছে। তবে মহালয়ার দিন থেকেই মূলতঃ শুরু হয়েছে দেবী দূর্গার আগমনধ্বনি।
জেলা পূজা উযাপন পরিষদের সভাপতি দেবাশীষ ভট্টাচার্য জানান, জেলার ৫টি উপজেলার ১৪২টি মন্ডপে শারদীয় দূর্গা পূজা অনুষ্ঠিত হবে। এর মধ্যে শেরপুর সদর উপজেলায় ৭২টি, নালিতাবাড়ীতে ৩২টি, নকলায় ১৪টি, ঝিনাইগাতীতে ১৬টি ও শ্রীবরদীতে ৮টি পূজা মন্ডপে শারদীয় দূর্গোৎসব পালিত হবে। এ বছর দেবী ঘোড়ায় চড়ে আসবে এবং দোলনায় চড়ে যাবেন। সমাজের রাজনৈতিক, সাংস্কৃতিক ও পেশাজীবীসহ জেলার সর্বস্তরের মানুয়ের সহযোগিতায় এবারও পূজা উযাপনের কাজ চলছে। পূজা চলাকালীন সময় প্রশাসনসহ সকলের সহযোগিতা কামনা করেন তিনি।
শেরপুরের পুলিশ সুপার মোঃ মেহেদুল করিম জানান, সনাতন ধর্মাবলম্বীরা যাতে শান্তিপুর্ণভাবে শারদীয় দূর্গোৎসব পালন করতে পারে সে জন্য পুলিশ প্রশাসনের পক্ষ থেকে ব্যাপক নিরাপত্তা ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে।





