ads

রবিবার , ১১ অক্টোবর ২০১৫ | ১৬ই জ্যৈষ্ঠ, ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
তথ্য ও সম্প্রচার মন্ত্রণালয়ের নিবন্ধনপ্রাপ্ত অনলাইন নিউজ পোর্টাল
  1. ENGLISH
  2. অনিয়ম-দুর্নীতি
  3. আইন-আদালত
  4. আন্তর্জাতিক
  5. আমাদের ব্লগ
  6. ইতিহাস ও ঐতিহ্য
  7. ইসলাম
  8. উন্নয়ন-অগ্রগতি
  9. এক্সক্লুসিভ
  10. কৃষি ও কৃষক
  11. ক্রাইম
  12. খেলাধুলা
  13. খেলার খবর
  14. চাকরির খবর
  15. জাতীয় সংবাদ

চট্টগ্রামে ২০ হাজার কোটি টাকা ব্যয়ে বিদ্যুৎকেন্দ্র হচ্ছে

শ্যামলবাংলা ডেস্ক
অক্টোবর ১১, ২০১৫ ২:৫৫ অপরাহ্ণ

biddut kendroশ্যামলবাংলা ডেস্ক : চট্টগ্রামের মিরসরাইয়ে প্রায় ১৫ হাজার একর এলাকাজুড়ে একটি পরিপূর্ণ শিল্প শহর গড়ে তুলছে বাংলাদেশ অর্থনৈতিক অঞ্চল কর্তৃপক্ষ (বেজা)। পুরো শিল্প এলাকার চাহিদা মেটাতে এক হাজার ৩২০ মেগাওয়াট কয়লাভিত্তিক বিদ্যুৎ উৎপাদন কেন্দ্র স্থাপনে চীনের জিনডান হোল্ডিং গ্রুপ ২০ হাজার কোটি টাকা বিনিয়োগ করতে চায়। ১১ অক্টোবর রবিবার ঢাকায় এ বিষয়ে বেজার সঙ্গে সমঝোতা স্মারক (এমওইউ) সই করবে চীনের ওই কোম্পানি।
বেজা সূত্র জানিয়েছে, জিনডান হোল্ডিং গ্রুপের চেয়ারম্যান ঝো জেন কেনের নেতৃত্বে চার সদস্যের একটি প্রতিনিধি দল মিরসরাইয়ে নির্মাণাধীন অর্থনৈতিক অঞ্চল এলাকা পরিদর্শন করে। পরিদর্শন শেষে ঝো জেন কেন বিদ্যুৎকেন্দ্র স্থাপনে তাদের বিনিয়োগের সিদ্ধান্তের কথা জানান। জিনডান ইতিমধ্যে থাইল্যান্ড, কম্বোডিয়া, ভিয়েতনাম, ভারতসহ বিশ্বের বেশ কয়েকটি দেশে বিদ্যুৎ উৎপাদন কেন্দ্র নির্মাণে বিনিয়োগ করেছে। বিদ্যুৎ ছাড়া অন্যান্য খাতেও বিনিয়োগ রয়েছে চীনের ঝেজিয়াং প্রদেশভিত্তিক এই কোম্পানিটির।
বেজার নির্বাহী চেয়ারম্যান পবন চৌধুরী এ প্রসঙ্গে বলেন, জিনডান গ্রুপের সঙ্গে এমওইউ বাস্তবায়িত হলে আগামী ২০২০ সালের মধ্যে দেশে এক হাজার ৩২০ মেগাওয়াট বিদ্যুৎ উৎপাদন হবে। মিরসরাইয়ে তিনটি অর্থনৈতিক অঞ্চল স্থাপনের কাজ চলছে। আগামী বছরের শেষ নাগাদ এর একটি উৎপাদনে যাওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে বলে জানান তিনি।
বেজার প্রকল্প পরিচালক হারুনুর রশীদ জানান, মিরসরাই অর্থনৈতিক অঞ্চলে ১৫ হাজার একর খাস জমির মধ্যে ইতিমধ্যে ৬ হাজার একর বেজার কাছে হস্তান্তর করা হয়েছে। বাকি ৯ হাজার একর জমি আগামী দুই বছরের মধ্যে তাদের কাছে হস্তান্তর করা হবে। হস্তান্তর করা ৬ হাজার একর জমির মধ্যে বর্তমানে ২ হাজার ৩০০ একর জমিতে তিনটি অর্থনৈতিক অঞ্চল প্রতিষ্ঠার কাজ দ্রুত এগিয়ে চলছে।
প্রকল্প এলাকায় পানি উন্নয়ন বোর্ডের (পাউবো) মাধ্যমে এক হাজার ৪০ কোটি টাকা ব্যয়ে একটি প্রতিরক্ষা বাঁধ নির্মাণের পরিকল্পনা হাতে নেওয়া হয়েছে। এ প্রকল্পের ডিপিপি চূড়ান্ত হওয়ার পর তা পানিসম্পদ মন্ত্রণালয়ের অনুমোদনের অপেক্ষায় রয়েছে। এ বাঁধটিও পতেঙ্গার মতো সুপার ডাই পদ্ধতিতে নির্মাণ করা হবে। যাতে বড় কোনো প্রাকৃতিক দুর্যোগ শিল্প এলাকার ক্ষতি না করতে পারে। প্রকল্পটির নির্মাণকাজ শেষ হতে তিন বছর লাগবে। এ ছাড়া ভূ-গর্ভস্থ পানির ক্ষতি না করার উদ্দেশ্যে পুরো শিল্প এলাকায় প্রয়োজনীয় সুপেয় পানি সরবরাহের মাধ্যমে সমুদ্রের পানি ডি-স্যালাইনাজেশনের মাধ্যমে সরবরাহের পরিকল্পনা হাতে নিয়েছে বেজা।
মিরসরাই অর্থনৈতিক অঞ্চলের ভূমি উন্নয়নের জন্য ইতিমধ্যে আন্তর্জাতিক দরপত্র আহ্বান করা হয়েছে। সূত্র আরও জানায়, তিনটির মধ্যে দুটি অর্থনৈতিক অঞ্চলে বিশ্বব্যাংক অর্থায়ন করবে। এ দুটি অঞ্চলকে ঢাকা-চট্ট্র্রগ্রাম মহাসড়কের সঙ্গে সংযুক্ত করতে বড়টাকিয়া থেকে বামন সুন্দর খাল পর্যন্ত সড়কটি চার লেনে উন্নীত করা হবে। প্রকল্পটি বাস্তবায়নে ২৪৫ কোটি টাকা প্রাক্কলন ব্যয় ধরা হয়েছে।

Need Ads
error: কপি হবে না!