স্টাফ রিপোর্টার : শেরপুরে নিয়ন্ত্রনহীন বাসের চাপায় জিকে পাইলট উচ্চ বিদ্যালয়ের দশম শ্রেণির ব্যবসায়ী বিভাগের ছাত্র আতিকুর রহমান আতিক (১৫)র মৃত্যুর ঘটনার প্রতিবাদে দ্বিতীয় দিনের মতো শেরপুর-জামালপুর সড়ক অবরোধ ও মানববন্ধন করেছে বিভিন্ন স্কুলের শিক্ষার্থীরা। ৭ সেপ্টেম্বর বুধবার সকাল ১০টা থেকে বেলা ১২টা পর্যন্ত স্থায়ী ওই সড়ক অবরোধ ও মানববন্ধন কর্মসূচিতে শহরের সরকারি- বেসরকারি প্রায় ১৫ টি শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের শিক্ষার্থীরা অংশ নেয়। কর্মসূচিতে বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানের শিক্ষকমন্ডলীসহ বেশকিছু অভিভাবক ও সচেতন মহল একাত্মতা প্রকাশ করেন। ওই সময় তারা ঘাতক বাস চালকের ফাঁসির দাবি ও শহরের ভিতরে বাইপাস সড়কে দূরপাল্লার সকল যানচলাচল বন্ধের দাবিতে বিভিন্ন শ্লোগান দেয়। অবরোধের পুরো সময়ই ওই সড়কে যানচলাচল বন্ধ থাকে। অবস্থা বেগতিক দেখে পুলিশ গিয়ে উভয় পক্ষকে নিয়ে আলোচনায় বসে ঘাতক চালকের দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির আশ্বাস দিলে অবরোধ তুলে নিয়ে শহরের গুরুত্বপূর্ণ সড়কে শিক্ষার্থীরা বিক্ষোভ মিছিল করে। পরে ৫ দফা দাবিতে জেলা প্রশাসক ও পুলিশ সুপারের কাছে স্মারকলিপি পেশ করা হয়। ওইসময় সদর উপজেলা বেসরকারি শিক্ষক সমিতির সভাপতি মোঃ চাঁন মিয়া, সাধারণ সম্পাদক শাহিনুর রহমান শাহিন ও জি.কে পাইলট উচ্চ বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক মঞ্জুরুল ইসলামসহ শিক্ষক নেতৃবৃন্দসহ ছাত্র প্রতিনিধিরা উপস্থিত ছিলেন।
উল্লেখ্য, ৫ সেপ্টেম্বর সোমবার বিকেলে শেরপুর-জামালপুর সড়কের মধ্যশেরীপাড়া এলাকায় মেইন রোডের পাশে বসে থাকা স্থানীয় শফিকুর রহমানের ছেলে স্কুলছাত্র আতিককে চাপা দেয়। গুরুতর আহত অবস্থায় তাকে উদ্ধার করে জেলা সদর হাসপাতালে নিয়ে গেলে কর্তব্যরত চিকিৎসক তাকে মৃত ঘোষণা করেন।




