স্টাফ রিপোর্টার : প্রথম শ্রেণি পড়ুয়া শিশু আরাফাত ইসলাম রাহাত (৮) অপহরণ-হত্যার ঘটনায় নিন্দা ও প্রতিবাদের ঝড় উঠেছে শেরপুরে। সেইসাথে ক্ষোভের আগুনে জ্বলছে শেরপুর। ওই নৃশংস হত্যাকান্ডের প্রতিবাদ এবং দুর্বৃত্ত-ঘাতকদের দ্রুত বিচার ট্রাইব্যুনালে বিচারসহ তাদের ফাঁসির দাবিতে গড়ে উঠা ‘জনউদ্যোগ’ নামে একটি নাগরিক সংগঠনের ব্যানারে ৩ দিনব্যাপি কর্মসূচীর শেষ দিনে ১২ আগস্ট বুধবার দুপুরে শেরপুরে ২৪৯ টি শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের শিক্ষার্থীরা অবস্থান কর্মসূচী পালন করেছে। বেলা ১২টা থেকে সাড়ে ১২টা পর্যন্ত জেলা প্রাথমিক শিক সমিতি ও মাধ্যমিক শিক সমিতির সহযোগিতায় সদর উপজেলার প্রাথমিক, মাধ্যমিক, কলেজ, মাদ্রাসা ও কিন্ডারগার্ডেন স্কুলসহ ২৪৯টি শিা প্রতিষ্ঠানের হাজার হাজার শিার্থী রাস্তায় দাঁড়িয়ে শিশু শ্রম, শিশু নির্যাতন ও নাগরিক সচেতনতা বৃদ্ধি এবং শিশু রাহাত হত্যাকারিদের দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবিতে ওই অবস্থান কর্মসূচীতে অংশ নেয়। সোমবার কর্মসূচির প্রথম দিনে জেলা শহরে মানববন্ধন ও মঙ্গলবার জেলা প্রশাসকের মাধ্যমে প্রধানমন্ত্রী, স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী ও আইনমন্ত্রী বরাবর স্মারকলিপি দাখিল করা হয়। এছাড়া ওই ঘটনায় বিভিন্ন সামাজিক, সাংস্কৃতিক সংগঠনসহ স্থানীয় সচেতন মহল সোচ্চার হয়ে উঠেছে।
উল্লেখ্য, ২ আগস্ট রবিবার দুপুরে শহরের গৃর্দানারায়ণপুর এলাকার কাঠের আসবাবপত্র ব্যবসায়ী শহিদুল ইসলাম ও গৃহবধু রিনা বেগমের ছেলে এবং স্থানীয় বিপ্লব-লোপা মেমোরিয়াল গার্লস স্কুলের প্রথম শ্রেনীর ছাত্র আরাফাত ইসলাম রাহাতকে আপন খালু আব্দুল লতিফের যোগসাজসে দুর্বৃত্তরা অপহরণ করে ২ লাখ টাকা মুক্তিপণ দাবি করে। ৮ আগস্ট শনিবার দুপুরে নালিতাবাড়ী উপজেলার মধুটিলা ইকোপার্কের কাছে মাজারের টিলা নামে একটি পাহাড় থেকে শিশু রাহাতের কঙ্কাল উদ্ধার করা হয়। ওই অপহরণ ও হত্যাকান্ডের ঘটনায় গ্রেফতারকৃত অপহৃত শিশুর খালু মো. আব্দুল লতিফ (২২), লতিফের বন্ধু আসলাম বাবু (২১), রবিন মিয়া (২০) ও ইমরান হাসান (২১) ইতোমধ্যে আদালতে ১৬৪ ধারা মোতাবেক স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি দিয়েছে।




