রবিউল হাসান রবিন, কাউখালী (পিরোজপুর) : অবিভক্ত বাংলার সাবেক মুখ্যমন্ত্রী শের-ই-বাংলা এ কে ফজলুল হকের স্মৃতি সংরনে শের-ই-বাংলার জন্মস্থান ঝালকাঠির সাতুরিয়া গ্রামে বেসরকারিভাবে উদ্যোগ নেয়া হয়েছে। ধারনা করা হচ্ছে শের-ই-বাংলাকে নিয়ে কাজ করার জন্য বেসরকারিভাবে এটাই দেশের সর্বপ্রথম বড় উদ্যোগ। লন্ডন প্রবাসি সমাজসেবক ও সাতুরিয়া নিবাসি প্রকৌশলি এ কে এম রেজাউল করিম এ উদ্যোগ নিয়েছেন। এ লে তিনি সাতুরিয়ায় শের-ই-বাংলার নানা বাড়ীর খুব (মিঞা বাড়ী) কাছেই ‘ ইঞ্জিনিয়ার রেজাউল করিম কারিগরি স্কুল এন্ড কলেজ’ ক্যাম্পাসে শের-ই-বাংলা এ কে ফজলুল হক রিসার্চ ইনষ্টিটিউট প্রতিষ্ঠা করেন। বর্তমানে এই ইনষ্টিটিউট’র দ্বিতল ভবন রয়েছে। গত বছর ২৬ অক্টোবর শের-ই-বাংলার ১৪১তম জন্মবার্ষিকীতে বরিশাল অঞ্চলের বিশিষ্ট শিাবিদ প্রফেসর মো: হানিফ এই ভবনটির উদ্বোধন করেন। এর ধারাবাহিকতায় গত ২৭ এপ্রিল এখানে ব্যাপক আয়োজনে শের-ই-বাংলার ৫৩তম মৃত্যুবার্ষিকী পালিত হয়। ঝালকাঠি জেলা পরিষদ প্রশাসক সরদার মো: শাহ আলম এ অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন। শের-ই-বাংলা এ কে ফজলুল হক রিসার্চ ইনষ্টিটিউট’র কার্যক্রমে সন্তোষ প্রকাশ করে তিনি জেলা পরিষদ তহবিল থেকে ২ লাখ টাকা অনুদান প্রদান করেন।

শের-ই-বাংলাকে নিয়ে এ ধরনের উদ্যোগ নেয়া প্রসঙ্গে জানতে চাইলে ‘শের-ই-বাংলা এ কে ফজলুল হক রিসার্চ ইনষ্টিটিউট’র প্রতিষ্ঠাতা প্রকৌশলী এ কে এম রেজাউল করিম বলেন, অত্যন্ত দু:খের সাথে বিগত দিনগুলোতে ল করেছি শের-ই-বাংলা এ কে ফজলুল হকের মত এক মহান নেতার জন্মস্থানে তার কোন জন্মবার্ষিকী বা মৃত্যুবার্ষিকী কখনওই ব্যাপকভাবে পালিত হয়না। এছাড়া তাকে স্মরনে রাখার জন্যও কোন সরকারি বা বেসরকারি উদ্যোগ এ যাবৎ এই গ্রামে নেয়া হয়নি। তাই আমি গত বছর ‘শের-ই-বাংলা এ কে ফজলুল হক রিসার্চ ইনষ্টিটিউট’ প্রতিষ্ঠা করি। এ ইনষ্টিটিউটে একটি সমৃদ্ধ লাইব্রেরী এবং শের-ই-বাংলা’র জীবনীর উপরে গবেষনা কার্যক্রম শুরু করার পরিকল্পনা রয়েছে আমাদের। ্এছাড়া এ প্রতিষ্ঠানকে জাতীয় ও আর্ন্তজাতিকভাবে পরিচিত করানোর পরিকল্পনার কথাও জানান রেজাউল করিম।




