শ্যামলবাংলা ডেস্ক : বাংলাদেশকে থাইল্যান্ডের মতো পরিস্থিতির দিকে নিয়ে যাওয়ার ষড়যন্ত্র হচ্ছে বলে আশঙ্কা প্রকাশ করেছেন আওয়ামী লীগের প্রচার ও প্রকাশনা সম্পাদক হাছান মাহমুদ। এ জন্য তিনি সবাইকে সজাগ থাকার আহ্বান জানিয়েছেন। তিনি ২৫ মে রবিবার দুপুরে ঢাকা রিপোর্টার্স ইউনিটির সাগর-রুনি মিলনায়তনে ‘দেশরতœ পরিষদ’-র আলোচনা সভায় ওই আশঙ্কার প্রকাশ করেন। এসময় বিরোধী জোটের প্রতি ইঙ্গিত করে তিনি বলেন, তাদের রাজনীতি সব সময়ই ষড়যন্ত্রের। স্বাধীনতাবিরোধীদের নিয়ে খালেদা জিয়া মানুষ হত্যা করেছেন। ট্রেনের ফিশপ্লেট উঠিয়ে ও গাড়িতে আগুন দিয়ে নিরীহ ড্রাইভারদেরও হত্যা করেছেন। তাদের ষড়যন্ত্র এখনও থেমে নেই। তারা এখন বাংলাদেশকে থাইল্যান্ডের মতো করতে চায়।
এ সময় জিয়াউর রহমান বঙ্গবন্ধুর হত্যার নেপথ্যে ছিলেন দাবি করে হাছান মাহমুদ বলেন, যে সেনা সদস্যরা বঙ্গবন্ধুকে হত্যা করেছেন, জিয়া তাদের সহযোগিতা করেছেন। এরপর বঙ্গবন্ধুর হত্যার চেয়ে জিয়াউর রহমানকে নৃশংসভাবে হত্যা করা হয়েছে। তার লাশও পাওয়া যায়নি। তিনি আরও বলেন, আমার নির্বাচনী এলাকা রাঙ্গুনিয়ায় তার কবর আছে। সেখানে কেউ যায় না। একদিন গেলেও নিজেদের মধ্যে ঝগড়া করে।
খালেদা জিয়ার সমালোচনা করে হাছান মাহমুদ বলেন, শনিবার প্রকৃতপক্ষে সমাবেশের ডাক দিয়েছেন হাইকোর্টের সামনে। হাইকোর্টের নির্দেশ উপেক্ষা করে সমাবেশ ডাক দেওয়া আদালতের প্রতি বৃদ্ধাঙ্গুলি দেখানো ও অবমাননা করা। এই নির্দেশনা উপেক্ষা করে যে সমাবেশ ডেকেছেন, এ জন্য তিনি আদালতের কাছে অভিযুক্ত।
‘আরো পচন ধরলে আন্দোলন’ খালেদা জিয়ার এ বক্তব্যের সমালোচনা করে আওয়ামী লীগের এ নেতা বলেন, বিএনপি নেত্রী অনেক আল্টিমেটাম দিয়েছেন। কোনোটাই কাজে আসেনি। তাদের পচা নেতারা আন্দোলনে আসেননি। তাকে আমি বলবো, নিজের ও দলের গন্ধ নেন। নিজের দলের পচন ধরে উৎকট গন্ধ বেরুচ্ছে। নেতাদের মাঝে পচন ধরেছে। আপনি বলেছেন, শুদ্ধি অভিযান চালাবেন। এখনই ওই অভিযান চালিয়ে নিজের দলকে পচন থেকে রক্ষা করুন। স্বাধীনতাবিরোধীদের প্রতি ইঙ্গিত করে হাছান মাহমুদ বলেন, যাদের কারণে আজ আপনার দলে পচন ধরেছে, তাদের সঙ্গ ত্যাগ করুন।
সংগঠনের সভাপতি চিত্তরঞ্জন দাসের সভাপতিত্বে সভায় অন্যান্যের মধ্যে বক্তব্য রাখেন ঢাকা মহানগর আওয়ামী লীগের সাংগঠনিক সম্পাদক শাহে আলম মুরাদ, শিক্ষক নেতা শাহ আলম সাজু, আওয়ামী লীগ নেতা জিএম আতিক, অরুণ সরকার রানা প্রমুখ।




