ডুমুরিয়া (খুলনা) প্রতিনিধি ঃ ডুমুরিয়া উপজেলার নর্ণিয়া গ্রামে গতকাল বৃহস্পতিবার গভীর রাতে আটলিয়া ইউপি সদস্য এম এ হামিদ(৪৫)’র ওপর দুস্কৃতিকারীরা বোমা হামলা চালিয়েছে। পরে এলাকাবাসী ওই ঘটনায় জড়িত সন্দেহে এক মোটর সাইকেল চালককে ধরে গণধোলাই দিয়ে পুলিশে দিয়েছে।
পুলিশ ও স্থানীয় সুত্রে জানা গেছে, উপজেলার আটলিয়া ইউনিয়নের দুই নম্বর ওয়ার্ডের সদস্য এম এ হামিদ গতকাল বৃহস্পতিবার রাত তিনটার দিকে পার্শবর্তী নর্ণিয়া বিলে নিজের মৎস্য ঘের থেকে বাড়ি ফিরছিলেন। পথিমধ্যে আটলিয়া সেতুর কাছে দাড়ানো ৩-৪জন লোককে দাড়ানো দেখে তাদের পরিচয় জানতে চান। এক পর্যায় দাড়ানো লোকেরা হামিদকে উদ্দেশ্য একটা বোমা ছুড়ে মারে। কিন্তু বোমাটি তার গায়ে না লেগে একটু দুরে পড়ে বিকট শব্দে বিষ্ফোরিত হয়। বোমার বিকট শব্দ শুনে আশ-পাশের লোকেরা এগিয়ে আসে। ওই সময় সেখান দিয়ে মোটর সাইকেল চালিয়ে পার্শবর্তী কেশবপুর উপজেলার পরচকরা গ্রামের ইব্রাহিম বিশ্বাসের ছেলে দবির উদ্দিন বিশ্বাসকে (৩৪) ধরে জিজ্ঞাসাবাদ করে। দরিব এক পর্যায় পালানোর চেষ্টা করলে এলাকার লোকজন তাকে ধরে গণধোলাই দিয়ে স্থানীয় মাগুরাঘোনা ক্যাম্পের পুলিশের হাতে তুলে দেয়। পুলিশ তাকে চিকিৎসার জন্য ডুমুরিয়া উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তি করেছে।
এ প্রসঙ্গে ইউপি সদস্য এম এ হামিদ বলেন, ‘বাড়ি ফেরার পথে তিনজন লোক দেখে তাদের পরিচয় জানতে চাইলে কথাকাটাকাটি শুরু হয়। এক পর্যায় আমি পুলিশে খবর দেওয়ার চেষ্টা করলে তারা আমার উদ্দেশ্যে একটা বোমা ছুড়ে মারলে আমি সরে যাওয়ায় প্রাণে বেচে গেছি।’ ডুমুরিয়া থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা এম মসিউর রহমান বলেন, এলাকার লোকজন বোমা হামলাকারী সন্দেহে দবির উদ্দিনকে ধরে গণধোলাই দিয়ে পুলিশের হাতে দিয়েছে। আহত দবির ডুমুরিয়া হাসপাতালে চিকিৎসাধীন আছে। এ ঘটনায় মামলার প্রস্তুতি চলছে।




