ads

বুধবার , ২১ মে ২০১৪ | ৩রা শ্রাবণ, ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
তথ্য ও সম্প্রচার মন্ত্রণালয়ের নিবন্ধনপ্রাপ্ত অনলাইন নিউজ পোর্টাল
  1. ENGLISH
  2. অনিয়ম-দুর্নীতি
  3. আইন-আদালত
  4. আন্তর্জাতিক
  5. আমাদের ব্লগ
  6. ইতিহাস ও ঐতিহ্য
  7. ইসলাম
  8. উন্নয়ন-অগ্রগতি
  9. এক্সক্লুসিভ
  10. কৃষি ও কৃষক
  11. ক্রাইম
  12. খেলাধুলা
  13. খেলার খবর
  14. চাকরির খবর
  15. জাতীয় সংবাদ

ছাতক-আন্ধারীগাঁও সড়কে কালভার্ট ভেঙ্গে যান চলাচল প্রায় বন্ধ

রফিকুল ইসলাম আধার , সম্পাদক
মে ২১, ২০১৪ ৩:০৪ অপরাহ্ণ

Chhatak Photo--2ছাতক (সুনামগঞ্জ) প্রতিনিধিঃ যান চলাচলে অনুপযোগী ছাতক-আন্ধারীগাঁও সড়কের গণক্ষাই এলাকায় কালভার্ট ভেঙ্গে যান চলাচল বন্ধ হয়ে পড়েছে। প্রায় দু’সপ্তাহ আগে মালবোঝাই ট্রাক ক্রস করার সময় কালভার্টের সিংহভাগ অংশ ভেঙ্গে পড়ে। সোমবার সকালে বাকি অংশটুকু ধ্বসে পড়লে ছাতক-আন্ধারীগাঁও সড়কে যান চলাচল বন্ধ হয়ে যায়। সড়ক যোগাযোগ বিচ্ছিন্ন হওয়ায় যাত্রী ও মালবাহী গাড়ী আটকা পড়ে সড়কের উভয়পাশে দীর্ঘ যানজটের সৃষ্টি হয়। জেলার সাথে সংযোগ রক্ষাকারী এ সড়কে কালভার্ট ভেঙ্গে পড়ায় অফিস-আদালতে যোগ দেয়া কর্মজীবি বহু মানুষ আটকা পড়ে যায়। যাত্রী সাধারণও চরম ভোগান্তির শিকার হয়। রোববার সকালে প্যানেল মেয়র তাপস চৌধুরী ভাঙ্গা কালভার্ট মেরামতের জন্য স্থানীয় কাউন্সিলর সামছু মিয়াকে নিয়ে উদ্যোগ নেন। কিন্তু সোমবার সকালে তা সম্পূর্ন ভেঙ্গে পড়লে প্রায় ৩ঘন্টা সড়ক যোগাযোগ বিচ্ছিন্ন থাকার পর ছাতক পৌরসভার উদ্যোগে কালভার্টের ভাঙ্গা অংশে ষ্টিলের স্লাব বসিয়ে যান চলাচল স্বাভাবিক করার চেস্টা করা হয়। কিন্তু সড়কের চেয়ে স্লাবের উচ্চতা তুলনামুলকভাবে বেশি হওয়ায় যানবাহন স্বাভাবিক চলাচল করতে পারছেনা। যাত্রী নামিয়ে ঠেলা-ধাক্কা দিয়ে গাড়ী কালভার্ট অংশ পার করতে দেখা গেছে। কালভার্ট ভেঙ্গে যান চলাচল বন্ধ হওয়ার খবর পেয়ে স্থানীয় পৌর কাউন্সিলর সামছু মিয়া, পৌরসভার প্রকৌশলী প্রদীপ রায়, কর্মকর্তা আবু সাঈদ, কর্মচারী কল্যাণব্রত দাসসহ পৌরসভার ষ্টাপ ঘটনাস্থলে পৌছে সড়ক যোগাযোগ স্বাভাবিক রাখার চেষ্টা চালান।
ছাতক-আন্ধারীগাঁও সড়কের লাফার্জ ফেরীঘাট থেকে আন্ধারীগাঁও পর্যন্ত মাত্র ৫কিলোমিটার রাস্তা দীর্ঘ প্রায় ৮বছর ধরে সংস্কারের অভাবে ঝুঁকি নিয়ে যাতায়াত করছে যাত্রী সাধারণ। এ সড়ক দিয়ে পৌরসভার ৪ ও ৫নং ওয়ার্ডবাসীসহ ছাতক সদর, উত্তর খুরমা, চরমহল্লা, জাউয়া ইউনিয়ন, দোয়ারা উপজেলার দোহালিয়া, মান্নারগাঁও ইউনিয়নের লোকজন প্রতিদিন দূর্ভোগ মেনে নিয়ে যাওয়া-আসা করছে দীর্ঘদিন ধরে। বর্তমানে এ সড়ক দিয়ে যান চলাচল অনুপযোগী হয়ে উঠছে। ৫কিলোমিটারের এ সড়ক পুরোটাই খানা-খন্দে ভরপুর। এ সড়কটি দ্রুত সংস্কারের আবশ্যকতা তুলে ধরে জনগুরুত্বপূর্ন সংবাদ বহুস্থানীয় ও জাতীয় পত্রিকায় ফলাও আকারে প্রকাশিত হলেও দায়িত্বশীল সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ বিষয়টি আমলে নেয়নি।
সড়কটি সংস্কার না হওয়ায় এসব এলাকার মানুষের মধ্যে দীর্ঘদিনের ক্ষোভ ক্রমেই বেড়ে চলেছে। গণক্ষাই গ্রামের ব্যবসায়ী হাফিজ নুরে আলম ও সুফিয়ান আহমদ বলেন, ৭বছর ধরে সড়কের এ অংশে কোন সংস্কার কাজ হয়নি। রাস্তার অবস্থা এত খারাপ যে বাজার থেকে বাড়ি ফিরতে সন্ধ্যার পর কোন যানবাহন পাওয়া যায় না। রাতে যানবাহন পাওয়া গেলেও অধিকহারে ভাড়া গুনতে হচ্ছে তাদের। স্থানীয় সাবেক মেম্বার আজর আলী জানান, সড়কে ছোট-বড় অসংখ্য গর্তের কারনে প্রায় সময়ই দূর্ঘটনা ঘটছে। এছাড়া রাস্তা ভেঙ্গে রড বেরিয়ে পড়ার কারনে রডের সাথে আঘাত প্রাপ্ত হয়ে অনেকেই আহত হয়েছেন। সম্প্রতি পাকা ভেঙ্গে সড়কের বের হওয়া রডগুলোও কেটে নিয়ে যাচ্ছে একটি চক্র। সিএনজি চালক জিয়াউর রহমান জানান, ভাঙ্গাচুরা এ সড়ক দিয়ে গাড়ি চালাতে গিয়ে গাড়ির যন্ত্রাংশ দ্রুত নষ্ট হচ্ছে। প্রতিদিনই সড়ক সংস্কারের কথা শুনলেও কার্যত কোন ব্যবস্থা এখনো নেয়া হয়নি। এ ব্যাপারে পৌরসভার প্রকৌশলী প্রদীপ রায় জানান, কালভার্ট ভাঙ্গার খবর পেয়ে তাৎক্ষনিক সাময়িক মেরামত করে সড়ক যোগাযোগ স্বাভাবিক রাখা হয়েছে। উপজেলা প্রকৌশলী আবুল হাসনাত মহি উদ্দিন জানান, ভাঙ্গা অংশটি পৌরসভার অংশে পড়ায় পৌর কর্তৃপক্ষের সাথে আলাপ করে সাময়িকভাবে মেরামতের মাধ্যমে যান চলাচল স্বাভাবিক রাখা হয়েছে। সড়ক সংস্কারের ব্যাপারে তিনি জানান, এমপি মহোদয়ের মাধ্যমে এ সড়কটি সংস্কারের বিষয়ে উর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষকে অবগত করা হয়েছে। শীঘ্রই সংস্কার কাজ শুরু হবে।

ছাতকে বজ্রপাতে যুবকের মৃত্যু

Shamol Bangla Ads

ছাতকে বজ্রপাতে শাহীন আহমদ (১৮) নামের এক যুবকের মৃত্যু হয়েছে। মঙ্গলবার সকালে হাওরে মাছ ধরতে গিয়ে বজ্রপাতে তার মৃত্যু হয়। সে কালারুকা ইউনিয়নের উদয়পুর গ্রামের আলমাছ আলীর পুত্র। গ্রামের পশ্চিমের মাঠে সকালে জাল দিয়ে মাছ ধরতে যায় শাহীন। এ সময় তার উপর বজ্রপাত পতিত হলে তার দেহের আংশিক জ্বলে যায়। তাকে জীবিত ভেবে পরিবারের লোকজন সিলেট ওসমানী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নিয়ে গেলে কর্তব্যরত ডাক্তার তাকে মৃত ঘোষনা করে।

ছাতকস্থ লাফার্জের চাকুরীচ্যুত পরিবহন শ্রমিকদের পুনঃনিয়োগসহ ৫দফা দাবীতে স্বারকলিপি প্রদান

লাফার্জ সুরমা সিমেন্ট কারখানার ২৩শ্রমিককে পুনরায় নিয়োগ ও বেতন-ভাতা প্রদান এবং গুম হওয়া পরিবহন শ্রমিক সুহেল আহমদকে অক্ষত অবস্থায় ফিরিয়ে দেয়াসহ ৫দফা দাবীতে জেলা প্রশাসক বরাবরে একটি স্বারকলিপি প্রদান করা হয়েছে। সোমবার দুপুরে জেলা সড়ক পরিবহন শ্রমিক ইউনিয়নের সভাপতি সাহার উদ্দিন ও সাধারণ সম্পাদক নুরুল হক স্বাক্ষরিত এ স্বারকলিপি প্রদান করা হয়। জানা যায়, ৪মে কর্মরত অবস্থায় জেলা পরিবহন শ্রমিক নেতা সুহেল আহমদ গুম হয়। গুমের দু’সপ্তাহ অতিক্রম হলেও তাকে উদ্ধার করা সম্ভব হয়নি। সুহেল আহমদকে অক্ষত অবস্থায় ফিরিয়ে দেয়া ও লাফার্জ সুরমা সিমেন্ট কারখানা পরিবহন শ্রমিকদের পুনঃনিয়োগ ও বেতন-ভাতা প্রদানে গৃহিত ব্যবস্থা গ্রহনে জেলা প্রশাসকের হস্তক্ষেপ কামনা করা হয়। এছাড়া সুনামগঞ্জ বাস টার্মিনালের জায়গা বর্ধিতকরন ও লাফার্জ সুরমা সিমেন্ট কারখানার অবৈধ নিয়োগকৃত ঠিকাদার বাতিল করার দাবীও স্বারকলিপিতে উল্লেখ করা হয়। অন্যথায় ২৫মে সকাল-সন্ধ্যা পরিবহন ধর্মঘট পালন করার ঘোষনা দেয় তারা।

Need Ads
error: কপি হবে না!