এস এম আবুল বাশার, মধুখালী (ফরিদপুর) : ফরিদপুরের মধুখালী উপজেলার সবচেয়ে ছোট একটি ইউনিয়ন নাম তার জাহাপুর। কুমারনদীর তীর ঘিরে জাহাপুর গ্রাম। জাহাপুর এখন লিচুর গ্রাম হিসেবে পরিচিত। এ গ্রামের চাষীরা লিচু চাষে ব্যাপক সাফল্য পেয়েছে। মধুখালী উপজেলার ঢাকা-খুলনা মহাসড়কের থেকে ৮/৯ কিলোমিটার দূরে ফরিদপুর জেলার মধুখালী উপজেলার জাহাপুর ইউনিয়নের মধ্যপ্রান্তে গ্রামটি অবস্থিত। এখানে বাণিজ্যিক ভিত্তিতে লিচু চাষ করে লক্ষ লক্ষ টাকা উপার্জন করছেন লিচু চাষীরা। প্রথমে নিজের ব্যবহারের জন্য বাগান করলেও এখন একরের পর একর বাণিজ্যিক ভিত্তিতে লিচুর চাষ হচ্ছে। সরেজমিনে গিয়ে চোখে পড়ে গাছের পর গাছ লিচু বাগান পেকে লাল হয়ে আছে। কথা হয় বড় বড় লিচু বাগান মালিকের সাথে। লিচু বাগানের মালিক কেরামত আলী মোল্লা জানান, তার মোট ছোট বড় ৮টি বাগান রয়েছে। এসব বাগানে লিচু গাছের সংখ্যা প্রায় দেড় শতাধিক। আত্বীয় স্বজন ও নিজের প্রয়োজনে ১০/১২টি গাছ বাদে অগ্রীম এক লক্ষ টাকা উর্দ্ধো লিচু বিক্রি করেছে।
লিচু বাগান মালিক ছত্তার সেখ জানান, তার ৪ একর লিচু বাগান তিন বছরের জন্য অগ্রীম লিজ দিয়েছেন ৬ লক্ষ টাকা।মজিদ মোল্লা তার বয়স ৯০ বছর তিনি জানান, প্রতি বছর তিনি ৬০ হাজার থেকে ৭০হাজার টাকা লিচু বিক্রি করে থাকেন।লিচু চাষী রাশেদুল, সুলতান আহমেদ, আ. হাকিম সিকদার তাদের দাবী জাহাপুর গ্রামের লিচু দেশের বিভিন্ন এলাকায় পাইকাররা নিয়ে যায়। সরকার সুদমুক্ত ঋণ দিলে এ গ্রামে লিচু চাষে আরও সাফল্য আনা সম্ভব। ঢাকা দোহার থানার পাইকার মহাজন জাহাঙ্গীর খান ও ইউসুফ আলী মল্লিক এর সাথে লিচু বাগানে লিচু তুলতে। তারা জানান, ৪ একরের বাগানটি ৬ লক্ষ টাকায় অগ্রীম লীজ নিয়েছি। এখন লিচু তুলে ঢাকা দোহার থানার মেঘলা বাজারের আড়তে বিক্রি করি। তিনি এ এলাকায় ১০বছর যাবৎ লিচুর ব্যবসা করছেন বলে জনান। মুনাফার কথা জানতে চাইলে তিনি বলেন, কমবেশী কিছু লাভতো হয়ই। তবে মালিকের লাভ বেশী।




