হাকিম বাবুল, শেরপুর : শেরপুরে মাটির গভীরে সার প্রয়োগ বিষয়ক গবেষণা কার্যক্রমের আওতায় বোরো আবাদে এনপিকে গুটি ব্যবহারের ওপর এক শস্য কর্তন ও মাঠ দিবস হয়েছে। ১৩ মে মঙ্গলবার শেরপুর সদর উপজেলার হাওড়া এলাকার আদর্শ কৃষক হাজী হাসেন আলীর বাড়ীর আঙিনায় ওই মাঠ দিবস অনুষ্ঠিত হয়।

মাঠ দিবসে বিআর-২৯ ধান চাষে এনপিকে গুটি ব্যবহার করে ছিটানো ইউরিয়ার চাইতে একর প্রতি ২০ মণ ফলন পার্থক্য পাওয়া গেছে। হাওড়া এলাকার কৃষানী মাজেদা বেগমের ১০ শতক জমির একটি গবেষণা প্লটে ছিটানো ইউরিয়ায় একর প্রতি ফলন হয়েছে ৬০ মণ এবং গুটি ইউরিয়ায় ফলন মিলেছে একরে ৭৫ মণ। ওই একই জমিতে এনপিকে গুটি ব্যবহারে ফলন হয়েছে একরে ৮০ মণ।
আইএফডিসির সহায়তায় কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের কৃষি উত্পাদনশীলতা উন্নয়ন ত্বরান্বিতকরণ প্রকল্প-আপি এ গবেষনা কার্যক্রম ও শস্য কর্তন মাঠ দিবসের আয়োজন করে। এতে প্রধান অতিথি ছিলেন শেরপুর খামারবাড়ীর উপ-পরিচালক কৃষিবিদ সুভাষ চন্দ্র দেবনাথ। অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন আইএফডিসি প্রশিক্ষণ বিশেষজ্ঞ আবুল হোসেন মোল্লা, মৃত্তিকা বিজ্ঞানী মঈনুল আহসান, কৃষি বিশেষজ্ঞ ইকবাল হক।
আদর্শ কৃষক হাজী হাছেন আলীর সভাপতিত্বে মাঠ দিবসে অন্যান্যের মধ্যে বক্তব্য রাখেন সদর উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা আব্দুল হামিদ, কৃষাণী মাজেদা বেগম, উপ-সকারী কৃষি কর্মকর্তা আব্দুস সাত্তার করিম, আজিজুল হক, তাহামিনা বেগম, কৃষক আক্রাম হোসেন প্রমুখ।
এ শস্যকর্তন মাঠ দিবসে এলাকার শতাধিক কৃষক-কৃষানী উপস্থিত ছিলেন।




