ads

শনিবার , ১০ মে ২০১৪ | ১৮ই বৈশাখ, ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
তথ্য ও সম্প্রচার মন্ত্রণালয়ের নিবন্ধনপ্রাপ্ত অনলাইন নিউজ পোর্টাল
  1. ENGLISH
  2. অনিয়ম-দুর্নীতি
  3. আইন-আদালত
  4. আন্তর্জাতিক
  5. আমাদের ব্লগ
  6. ইতিহাস ও ঐতিহ্য
  7. ইসলাম
  8. উন্নয়ন-অগ্রগতি
  9. এক্সক্লুসিভ
  10. কৃষি ও কৃষক
  11. ক্রাইম
  12. খেলাধুলা
  13. খেলার খবর
  14. চাকরির খবর
  15. জাতীয় সংবাদ

দোষি ইন্টার্নদের সনদ না দেয়ার দাবি সাংবাদিকদে

শ্যামলবাংলা ডেস্ক
মে ১০, ২০১৪ ৩:৫২ অপরাহ্ণ

Rajshahi- PICরাজশাহী প্রতিনিধি :  রাজশাহী মেডিকেল কলেজ (রামেক) হাসপাতালসহ বিভিন্ন হাসপতালে সাংবাদিকদের উপর হামলা ও চিকিৎসা দিতে অপারকতা জানানো ইন্টার্ন চিকিৎসকদের সনদপত্র না দেয়ার দাবি জানিয়েছেন সাংবাদিকরা। একই সঙ্গে সাংবাদিকদের উপর হামলার ঘটনায় দায়ের করা মামলা দ্রুত বিচার আইনে নেয়ার দাবি জানান তারা। শনিবার সকালে রাজশাহী সাহেববাজার জিরোপয়েন্টে মানববন্ধনে এ দাবি জানানো হয়।রাজশাহী মেডিকেল কলেজ হাসাপাতালে সাংবাদিকদের চিকিৎসা দিতে অপারকতা জানানো এবং বিভিন্ন হাসপাতালে সাংবাদিকদের উপর হামলার প্রতিবাদে সকাল ১০ থেকে দুপুর ১২টা পর্যন্ত এ মানববন্ধনের আয়োজন করে রাজশাহী সাংবাদিক নির্যাতন প্রতিরোধ কমিটি। মানববন্ধনে সাংবাদিক নেতারা বলেন, প্রশিক্ষণকালেই যারা লাঠি ও লোহার রড হাতে নিয়ে হাসপাতালের মধ্যেই মানুষকে আঘাত করতে পারে, যারা অসুস্থ্য রোগিকে চিকিৎসা দিতে অপারগতা জানায় তাদের কাছে চিকিৎসা সেবা কখনই নিরাপদ হতে পারেনা। এসব ইন্টার্ন চিকিৎসকদের চিহ্নিত করে তাদের সনদপত্র না দেয়ার জন্য রাজশাহী ও ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্যসহ সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষকে অনুরোধ জানান সাংবাদিকরা।সাংবাদিক নির্যাতন প্রতিরোধ কমিটির সভাপতি শ.ম শাজুর সভাপতিত্বে মানববন্ধনে রাজশাহী সাংবাদিক কল্যাণ তহবিলের চেয়ারম্যান এসএম কাদের, সাবেক চেয়ারম্যান লিয়াকত আলী, রাজশাহী সাংবাদিক ইউনিয়নের ভারপ্রাপ্ত আব্দুর রহমান সরদার, রাজশাহী প্রেসক্লাবের সভাপতি আনোয়ারুল আলম ফটিক প্রমুখ।এছাড়াও মানববন্ধনে সংহতি প্রকাশ করে বক্তব্য রাখেন, রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ের গণযোগাযোগ ও সাংবাদিকতা বিভাগের শিক্ষক প্রদিপ কুমার পান্ডে, রাজশাহী শিক্ষক সমিতির সাধারণ সম্পাদক আমিনুর রহমান, শিক্ষক কর্মচারি ঐক্য ফন্টের জেলা সাধারণ সম্পাদক রাজ কুমার প্রমুখ।উল্লেখ্য, গত ২০ এপ্রিল রামেক হাসপাতালে কর্তব্যরত সাংবাদিকদের উপর হামলা চালায় ইন্টার্ন চিকিৎসকরা। এতে অন্তত ৭ সাংবাদিক আহত হন। সেই সঙ্গে সাংবাদিকদের ক্যামেরা ভাঙচুরসহ ছিনিয়ে নেওয়া হয়। এ ঘটনায় ইন্টার্ন চিকিৎসকদের বিরুদ্ধে সাংবাদিকরা আলাদা দুইটি মামলা দায়ের করেন। এরপর থেকেই দোষিদের গ্রেফতার ও শাস্তি দাবিতে আন্দোলনে নামেন সংবাদিকরা। এ ঘটনার পরে গত মঙ্গলবার রাজশাহী থেকে প্রকাশিত একটি দৈনিক পত্রিকার আহত ফটোসাংবাদিককে চিকিৎসাসেবা দেওয়া হবে না বলে রামেক হাসপাতালের ইন্টার্ন চিকিৎসকরা ঘোষণা দেন। এতে বাধ্য হয়ে তিনি হাসাপাতাল ত্যাগ করেন। বৃহস্পতিবার বিকেলে ঢাকা পঙ্গু হাসপাতালের সিনিয়ার চিকিৎসক জুলফিকার আলী রাজশাহীতে এসে স্থানীয় একটি ক্লিনিকে জুয়েলের পায়ে অস্ত্রপ্রচার করেন।এ ঘটনায় বৃহস্পতিবার সাংবাদিককে চিকিৎসা না দেওয়ার ঘটনায় রুল জারি করে হাইকোর্ট। বিচারপতি কাজী রেজাউল হক ও বিচারপতি এবিএম আলতাফ হোসেনের বেঞ্চ স্বপ্রণোদিত হয়ে ওই রুল জারি করেন। একই সঙ্গে চিকিৎসা দিতে অস্বীকৃতি জানানোয় তাদের চিকিৎসক হিসেবে লাইসেন্স প্রদানে বিরত রাখার নির্দেশ কেন দেওয়া হবে না” তা জানতে চেয়েছেন হাইকোর্ট।এর আগে গত ২ ফেব্রুয়ারী রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালে সান্ধ্যকালীন কোর্স বাতিলের দাবিতে আন্দোলন চালাকালে শিক্ষার্থীদের হামলায় তার এক পা ভেঙ্গে যায় জুয়েলের। তিনি রামেক হাসপাতালের ৩১ নং ওয়ার্ডে ভর্তি হলে তার পায়ের অপারশন করে রড লাগিয়ে দেন চিকিৎসকরা। ১৫ দিন হাসপাতালে থাকার পর তিনি চিকিৎসকের পরামর্শে বাড়ি ফিরে যান।এদিকে, ধর্মঘট থেকে শুরু করে সাংবাদিক পেটানো ও সাংবাদিকদের চিকিৎসা দিতে অপারকতা জানানোসহ বিভিন্ন কলঙ্কিত ঘটনার সঙ্গে জড়িত রামেক হাসপাতালে ৪৯তম ব্যাচের ১২০ জনের ইন্টার্নশীপ আজ শনিবার শেষ হচ্ছে। ওই ব্যাচের মোট ১৬৫ জন ইন্টার্ন রয়েছেন। বাকিরা পরীক্ষায় ফেল করায় দেরিতে ইন্টার্নশীপে যোগ দেয়ায় ৬ মাস পরে বের হবেন।চিকিৎসকরা সকল শ্রেণির মানুষ কিছুটা নিশ্চিন্ত হলেও এসব চিকিৎসক আগামীতে কিভাবে চিকিৎসাসেবায় অবদান রাখবে তা নিয়ে শঙ্কিত অনেকেই।

Need Ads
error: কপি হবে না!