ভোলা প্রতিনিধি : ভোলার চরফ্যাশনের ঢালচর ম্যানগ্রোভ বাগান থেকে সাগরে ভাসিয়ে দেয়ার পর টানে ডুবে ৪শ’ থেকে সাড়ে ৪শ’ মহিষের মৃত্যুর হয়েছে বলে আশংকা করা হচ্ছে। চর নিজাম থেকে ভাড়ায় আনা ৪০/৫০ জন শ্রমিকের সহায়তায় বন বিভাগের কর্মচারীরা মঙ্গলবার দুপুরে চর আলম ম্যানগ্রোভ বাগান মহিষগুলো সাগরে ভাসি দিয়েছে বলে অভিযোগ পাওয়া গেছে। সাগরে ডুবে বিপুল সংখ্যক মহিষের মৃত্যুর ঘটনা নিয়ে উত্তেজনা বিরাজ করছে।
ঢালচরের সাবেক চেয়ারম্যান ইকবাল হোসেন আলল অভিযোগ করেছেন, প্রতিজোড়া মহিষ বার্ষিক ৫০০ টাকা চুক্তিতে বনে দেয়া হয়েছে। বন বিভাগ কোন নোটিশ ছাড়াই মঙ্গলবার দুপুরে বর্হিরাগত চর নিজামের শ্রমিকদের সহায়তায় চর আলম বাগান থেকে ৪শ থেকে সাড়ে ৪শ মহিষ তাড়িয়ে সাগরে ভাসিয়ে দেয়। এসময় সাগরে ভাটা ছিল। ভাটার টানে উত্তাল ঢেউয়ের তোপে মহিষ গুলো হারিয়ে গেছে। গত বুধবার পর্যন্ত মহিষের কোন হদিস পাওয়া যায়নি। ঢালচরের চেয়ারম্যান আবুল কালাম পাটওয়ারী জানান, গত বুধবার দুপুর পর্যন্ত সাগরের কুলে ৭টি মৃত মহিষের দেহ উদ্ধার করা হয়েছে। সাগরে ভাসিয়ে দেয়ার পর মহিষগুলো ডুবে মারা গেছে বলে আশংকা করা হচ্ছে। স্থানীয় সূত্রগুলো জানায়, বন বিভাগের হটকারীতায় বিপুল সংখ্যক মহিষের মৃত্যুর ঘটনায় মহিষ মালিকা ফুঁেস উঠার আশংকা করা হচ্ছে। যেকোন সময় মহিষ মালিকারা বন বিভাগের উপর চাড়াও হতে পারেন। এ সহিংসতার আশংকা বাড়ছে। সাগরে মহিষ ভাসিয়ে দেয়ার অভিযোগ অস্বীকার করে ঢালচরের রেঞ্চ কর্মকর্তা হিরণ কান্তি শিং জানান, বারবার তাগিদ দেয়া সত্ব্যেও মহিষ মালিকারা বাগান থেকে মহিষ সরিয়ে নিচ্ছে না। নিরুপায় হয়ে বন বিভাগ গত মঙ্গলবার বাগান থেকে বেড় করে বিপুল সংখ্যক মহিষ বাগানের দক্ষিণ মাথায় সাগর কূলে রেখে এসেছে। সাগর থেকে ৭টি মৃত মহিষ কুড়িয়ে পাওয়া প্রসঙ্গে রেঞ্জার বলেছেন- নানান কারণে মহিষের মৃত্যু হতে পারে।




