শরনখোলা (বাগেরহাট) প্রতিনিধি : বাগেরহাটের শরনখোলার ১৯ নং রাজাপুর ডিপিপাড় সরকারী প্রাথমিক বিদ্যালয়ে সভাপতির স্বাক্ষর জাল করে নৈশ প্রহরী নিয়োগ দেয়া হয়েছে। মোটা অঙ্কের টাকা ঘুষ নিয়ে সংশ্লিষ্ট স্কুলের প্রধান শিক্ষক, উপজেলা শিক্ষা অফিসার ও শিক্ষক সমিতির সাধারণ সম্পাদক আলমগীর হোসেন যোগসাজোশে এ নিয়োগ দিয়েছেন। গতকাল মঙ্গলবার দুপুরে স্কুলের সভাপতি আঃ কাদের আকন এক সাংবাদিক সম্মেলন করে এ অভিযোগ করেন।

শরনখোলা প্রেসক্লাবে অনুষ্ঠিত এ সাংবাদিক সম্মেলনে লিখিত বক্তব্যে তিনি জানান, বিদ্যালয়টিতে একজন নৈশ প্রহরী নিয়োগ দেয়ার জন্য গত বছরের ১৬ সেপ্টেম্বর তিনি সহ প্রধান শিক্ষক লুৎফর রহমান ও সহকারী শিক্ষা অফিসার আকতার হোসেন মৌখিক পরিক্ষা গ্রহন করেন। ওই পরীক্ষায় সোহেল রানা নামের এক প্রার্থী ভাল করলে তিনি তাৎক্ষনিক ভাবে মার্কশিটে নম্বর দেন কিন্তু অপর দুইজন নম্বর না দিয়ে মার্কশিট নিয়ে শিক্ষা অফিস চলে যান। এরপর বিভিন্ন স্কুলে নৈশ প্রহরী নিয়োগ নিয়ে ঘষ বানিজ্যের অভিযোগ উঠলে তাদেরটি সহ ১২টি স্কুলের নিয়োগ স্থগিত হয়ে যায়। এরপর গত ৪ মার্চ তিনি জানতে পারেন তাকে কিছু না জানিয়ে তিন লক্ষ্য ৭০ হাজার টাকা ঘুষ নিয়ে উপজেলার উত্তর তাফালবাড়ি গ্রামের হারুন হাওরাদারের পুত্র মোঃ মানিককে নৈশ প্রহরী হিসেবে নিয়োগ দিয়েছেন। ওই নিয়োগের সকল কাগজ পত্রে সভাপতির স্বাক্ষর জাল করে দেয়া হয়েছে। আঃ কাদেরের আভিযোগ স্কুলের প্রদান শিক্ষক লুৎফর রহমান, শিক্ষক সমিতির সাধারণ সম্পাদক আলমগীর হোসেন, উপজেলা শিক্ষা অফিসার আকতারুজ্জমান মিলন, সহকারী শিক্ষা অফিসার মোঃ আকতার হোসেন যোগসাজোশে ওই নিয়োগ দিয়েছেন। এ ব্যাপারে প্রধান শিক্ষক লুৎফর রহমান নৈশ প্রহরী নিয়োগে সভাপতির স্বাক্ষর জাল করার কথা অস্বীকার করেন। উপজেলা শিক্ষা অফিসার আকতারুজ্জামান মিলন জানান, প্রধান শিক্ষক ও সহকারী শিক্ষা অফিসার যেভাবে কাগজপত্র তৈরী করে দিয়েছেন তিনি সেভাবেই যতাযথ কার্যক্রম সম্পন্ন করেছেন। এতে কেউ অর্থ গ্রহন করছেন কিনা তা তিনি জানেন না। তবে এ ব্যাপারে সহকারী শিক্ষা অফিসার কোন বক্তব্য দিতে অস্বীকার করেন।
শরনখোলায় ইয়াবাসহ ৪ যুবক গ্রেফতার
বাগেরহাটের শরনখোলায় ইয়াবা ও গাজা সহ চার যুবকে গ্রেফতার করেছে পুলিশ। গত সোমবার রাত ৮টায় তাদের গ্রেফতার করা হয়।
শরনখোলা থানার অফিসার ইন চার্জ আঃ সালেক জানান, উপজেলা হাসপাতালের পরিত্যাক্ত একটি ভবনে বসে কয়েকজন যুবক ম্দাক সেবন করছে বলে তাদের কাছে খবর আসে। খবর পেয়ে পুলিশের একটি দল ঘটনাস্থলে অভিযান চালিয়ে উপজেলার কদমতলা গ্রামের মোতালেব ওরফে বাপ্পারাজ (২৪), সুজন হাওলাদারে (২৬), মেহেদি (২০) ও রায়েন্দা বাজারের মাহামুদ হাসান (২০) নামে চার যুবককে গ্রেফতার করা হয়। এসময় তাদের কাছ থেকে চারটি ইয়াবা ও ৫০ গ্রাম গাঁজা উদ্ধার করা হয়। এদের বিরুদ্ধে মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রন আইনে মামলা দায়ের করা হয়েছে।




