ads

শনিবার , ১২ এপ্রিল ২০১৪ | ১৯শে বৈশাখ, ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
তথ্য ও সম্প্রচার মন্ত্রণালয়ের নিবন্ধনপ্রাপ্ত অনলাইন নিউজ পোর্টাল
  1. ENGLISH
  2. অনিয়ম-দুর্নীতি
  3. আইন-আদালত
  4. আন্তর্জাতিক
  5. আমাদের ব্লগ
  6. ইতিহাস ও ঐতিহ্য
  7. ইসলাম
  8. উন্নয়ন-অগ্রগতি
  9. এক্সক্লুসিভ
  10. কৃষি ও কৃষক
  11. ক্রাইম
  12. খেলাধুলা
  13. খেলার খবর
  14. চাকরির খবর
  15. জাতীয় সংবাদ

তালায় লিংকিং স্কুল মিল্ক ফিডিং প্রোগ্রামের উদ্বোধন

রফিকুল ইসলাম আধার , সম্পাদক
এপ্রিল ১২, ২০১৪ ৬:১৫ অপরাহ্ণ
তালায় লিংকিং স্কুল মিল্ক ফিডিং প্রোগ্রামের উদ্বোধন

নজরুল ইসলাম, সাতক্ষীরা : সাতক্ষীরা জেলা প্রশাসক মোঃ নাজমুল আহসান বলেছেন, আজকের শিশুরাই আগামী দিনের দেশ ও জাতির চালিকা শক্তি এবং ভবিষ্যাত। তাদেরকে সঠিক শারীরিক ও মানসিক ভাবে গঠন করা অপরিহার্য। প্রসঙ্গক্রমে তিনি বলেন, মিল্কভিটার সহযোগিতায় তথা লিংকিং স্কুল মিল্ক ফিডিং প্রোগ্রামের মাধ্যমে ভবিষ্যাত মেধাবী জাতি গঠনের ক্ষেত্রে এ অবদান স্মরণীয় হয়ে থাকবে। বাংলাদেশ দুগ্ধ উৎপাদনকারী সমবায় ইউনিয়ন লিমিটেডের আয়োজনে লিংকিং স্কুল মিল্ক ফিডিং প্রোগ্রামের আওতায় প্রাথমিক বিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীদের মাঝে বিনামূল্যে পাস্তুরিত তরল দুধ বিতরণ কার্যক্রমের উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে, গতকাল শনিবার সকাল সাড়ে ১০ টায় তালা বাজার মডেল সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে প্রধান অতিথির বক্তব্যে ডিসি সাতক্ষীরা উপরোক্ত কথাগুলি বলেন।

Shamol Bangla Ads

প্রকাশ, মিল্কভিটা ইউনিয়নের ব্যবস্থাপনা পরিচালক মোঃ মুনীর চৌধুরীর সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত উক্ত মিল্ক ফিডিং প্রোগ্রামের উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথির বক্তব্য রাখেন, জাতিসংঘের খাদ্য ও কৃষি বিভাগের বাংলাদেশস্থ প্রতিনিধি মিঃ মাইক রবসন ও তালা উপজেলা পরিষদ চেয়ারম্যান ঘোষ সনৎ কুমার। তালা বাজার মডেল সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের সহকারী শিক্ষক মোঃ জাহাঙ্গীর হোসেনের পরিচালনায় উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে ফাও’এর বাংলাদেশস্থ সহকারী প্রতিনিধি খন্দকার নূর আহম্মাদ, তালা উপজেলা নির্বাহী অফিসার মোঃ মাহবুবুর রহমান, তালা সদর ইউপি চেয়ারম্যান সাংবাদিক এসএম নজরুল ইসলাম, খলিলনগর ইউপি চেয়ারম্যান প্রণব ঘোষ বাবলু, শিক্ষার্থী অবিভাবক প্রভাষক সরদার রফিকুল ইসলাম, সংশ্লিষ্ট বিদ্যালয়ের ম্যানেজিং কমিটির সভাপতি মীর মহসীন হোসেন ও মিল্কভিটা সমবায় ইউনিয়নের সদস্য দিবস চন্দ্র ঘোষ বক্তব্য রাখেন। অনুষ্ঠানে স্বাগত বক্তব্য রাখেন মিল্কভিটা ইউনিয়নের ডেপুটি ম্যানেজার তথা প্রকল্প ব্যবস্থাপক মোঃ মোস্তাফিজুর রহমান।
উল্লেখ্য, মিল্কভিটার সংশ্লিষ্ট প্রকল্পের মাধ্যমে তালা উপজেলার ১০টি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের ২ হাজার কোমলমতি শিশু শিক্ষার্থীকে সপ্তাহে ৬ দিন পাস্তুরিত তরল দুধ বিনামূল্যে সরবরাহ করা হবে। উপজেলার ১০টি স্কুলের ২ হাজার বাচ্চাকে এই প্রকল্পের আওতায় নেয়া হয়েছে এবং এটি পাইলট প্রকল্প হিসাবে আগামী ১ বৎসর পর্যন্ত চালু থাকবে বলে সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা যায়।

সাতক্ষীরার আব্দুর রহমান কলেজের অধ্যক্ষের বিরুদ্ধে কোটি টাকা আত্মসাতের অভিযোগ

সাতক্ষীরা সদর উপজেলায় বিনেপোতায় অ্যাড. আব্দুর রহমান কলেজের অধ্যক্ষ আখতারুজ্জামানের বিরুদ্ধে জাল জালিয়াতির মাধ্যমে শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের অনুমোদন, নিয়ম বহির্ভুতভাবে এক কলেজ অধ্যক্ষকে অপসারণ, চাকুরি দেওয়ার নামে বেকার যুবকদের প্রতারণাসহ বিভিন্ন অভিযোগে সংবাদ সম্মেলন অনুষ্ঠিত হয়েছে। স¤প্রতি সাতক্ষীরা প্রেসক্লাবে সংবাদ সস্মেলন করেন দেবহাটা উপজেলার পারুলিয়া ইছামতী টেকনিক্যাল এন্ড বিএম কলেজের অধ্যক্ষ শেখ মনিরুজ্জামান।
শেখ মনিরুজ্জামান তার লিখিত বক্তব্যে উল্লে¬খ করেন, বিনেরপোতা অ্যাড. আব্দুর রহমান কলেজের অধ্যক্ষ আখতারুজ্জামান ১৯৯৮ সালে জেলা সমাজ সেবা অফিস থেকে ‘আভাস’ নামের একটি সংস্থার অনুমোদন গ্রহণ করলেও বর্তমানে ওই সংস্থার কোন কার্যক্রম নেই। ওই সংস্থার ছদ্মনামে ‘এভিএএস’ সংস্থার আক্তারুজ্জামান সভাপতি হয়ে স্ত্রী সেলিনা সুলতানাকে সেক্রেটারি বানিয়েছেন।
শহরের কাটিয়ায় কাস্টমস গোডাউনের সামনে পৌরসভা ঘোষিত একটি পরিত্যক্ত ভবন ভাড়া নিয়ে সাইনবোর্ড লাগিয়ে জালিয়াতির মাধ্যমে একই দাগ খতিয়ানের চারটি দলিল, নামপত্তন, এফডিআর, ব্যাংক হিসাব স্থিতি সনদপত্র ও শিক্ষা উপকরণ সংক্রান্ত ভূয়া তথ্য দিয়ে পরিদর্শকদের ম্যানেজ করে একই অফিস দেখিয়ে বাংলাদেশ কারিগরি শিক্ষা বোর্ড থেকে এভিএএস টেকনিক্যাল এন্ড বিএম কলেজ (কোড-৩৪০৭৯), এভিএএস মেডিকেল সায়েন্স ইনস্টিটিউট(কোড-৩৪০৭২), এভিএএস পলিটেকনিক ইনস্টিটিউট কোড-৩৪১০৪) ও এভিএএস মৎস্য প্রযুক্তি ইনস্টিটিউট (কোড-৩৪১০১) নামে চারটি স্বতন্ত্র কারিগরি কলেজের অনুমোদন নিয়েছেন আখতারুজ্জামান। ওই ভবনে এমপিও ভুক্ত ও সরকাাির অর্থ অনুদানে পরিচালিত চারটি প্রতিষ্ঠানের নাম দিয়ে একটি সাইনবোর্ড টানিয়ে নিজের নামে‘ এভিএএস’ পরিচালিত প্রিন্সিপাল ‘আখতারুজ্জামান এডুকেশন পার্ক’ এর সাইনবোর্ড তুেলছেন।
একইভাবে জালিয়াতির মাধ্যমে খুলনা জেলার পাইকগাছার কাছিঘাটাতে দোকানঘর ও গুদাম ভাড়া নিয়ে বাবা-মায়ের নামে আফিরোন-গণি টেকনিক্যাল স্কুল এন্ড কলেজ (কোড-৩৫১৫৮),আফিরোন-গণি কৃষি প্রযুক্ত ইনস্টিটিউট (কোড- ৩৫১২৯), খুলনার খানজাহান আলীতে মেট্রো টেকনিক্যাল এন্ড বিএম কলেজ (কোড-৩৫০৬৭), খানজাহান আলী টেকনিক্যাল এন্ড বিএম কলেজ (কোড-৩৫০৬৮), চারটি টিন শেডের ঘর ভাড়া নিয়ে ঢাকার আদাবরে এভিএএস কলেজ (৫০১৪৯), একটি পরিত্যক্ত কিন্ডার গার্টেনে পাটকেলঘাটা টেকনিক্যাল স্কুল এন্ড কলেজ (কোড-৩৪১০৬) ও বসন্তপুর মাদ্রাসায় আশ্রয় নিয়ে দেবহাটা টেকনিক্যাল স্কুল এন্ড কলেজ পরিচালিত হচ্ছে। এ ছয়টি প্রতিষ্ঠানসহ দেবহাটার ইছামতী টেকনিক্যাল এন্ড বিজনেজ ম্যানেজমেন্ট কলেজটি ২০০৬ সালের ৩০ জুন সাতক্ষীরা পলিটেকনিক ইনস্টিটিউটে নিয়োগ বিধি না মেনে টাকার বিনিময়ে ডিজি’র প্রতিনিধিসহ নিয়োগ বোর্ডের অধিকাংশ সদস্যদের সাক্ষর ও সিল মোহর জাল করে একই তারিখে একই নিয়োগ বোর্ডের মাধ্যমে অনুমোদন করিয়ে কম সংখ্যক পরীক্ষার্থী উপস্থিত থাকলেও নিয়োগ প্রক্রিয়া সম্পন্ন করেছেন আক্তারুজ্জামান। এ নিয়োগ বাণিজ্যের মাধ্যমে তিনি লক্ষ লক্ষ টাকা আত্মসাৎ করেছেন। এ ছাড়া তিন শতাধিক বেকার যুবক যুবতীদের নয় থেকে দশ বছর বিনা বেতনে চাকুরি করিয়ে এমপিও ভুক্তির জন্য প্রতারণার মাধ্যমে কোটি টাকা হাতিয়ে নিয়েছেন। ২০০৪ সালে খলিষখালি টেকনিক্যাল এন্ড বিএম কলেজ এমপিওভুক্ত হলেও সোনালী ব্যাংকের মাধ্যমে পিন্সিপাল আক্তারুজ্জামান বিজ্ঞান, কৃষি, কারিগরি ও বাণিজ্য কলেজের শিক্ষক ও কর্মচারিরা বেতন সুবিধা ভোগ করছেন বলে অভিযোগ করা হয়। এ ছাড়া তার বিরুদ্ধে নিয়মবহির্ভুতভাবে ১৮টি কলেজের সভাপতির পদ দখল করে সমর হিন্দু তফশিলি ও প্রতিবন্ধী উপবৃত্তির টাকা আত্মসাতের অভিযোগ রয়েছে।
এছাড়া অ্যাড. আব্দুর রহমান কলেজ থেকে আখতারুজ্জামানের স্ত্রী সেলিনা সুলতানা সমাজ বিজ্ঞানে জাল সনদপত্র সংগ্রহ করে অনুমোদনবিহীন মনোবিজ্ঞানে, সমর পাল সংস্কৃতে ¯œাতকোত্তর হয়ে সঙ্গীতে, মোঃ হুময়ায়ুন কবীর ইসলামের ইতিহাস ও সংস্কৃতিতে ¯œাতকোত্তর হয়ে পরিসংখ্যানে, সুরাইয়া সুলতানা সাধারণ ইতিহাসের পরিবর্তে গার্হস্থ্য অর্থনীতিতে ও শাজাহান কবীর ভূগোলের পরিবর্তে অনুমোদনবিহীন অর্থনীতি ও বাণিজ্যিক ভূগোলে বেতন তুলে আসছেন।
মোঃ আখতারুজ্জামানের স্ত্রী সেলিনা সুলতানা অ্যাড. আব্দুর রহমান কলেজ থেকে ছাড়পত্র নিয়ে ২০১০ সালে এমপিওভুক্ত এভিএএস টেকনিক্যাল এন্ড বিএম কলেজের অধ্যক্ষ হিসেবে এমপিওভুক্তির জন্য কারিগরি শিক্ষা অধিদপ্তরের মহাপরিচালক বরাবর আবেদন করেন। এরপরও তিনি আব্দুর রহমান কলেজ থেকে নিয়মিত বেতনভাতা তোলার পাশাপাশি ২০০৬ সাল থেকে এভিএএস টেকনিক্যাল এন্ড বিএম কলেজের অধ্যক্ষ হিসেবে কারিগরি শিক্ষা বোর্ডের পরীক্ষার খাতা দেখছেন, হয়েছেন প্রধান পরীক্ষকও।
সংবাদ সম্মেলনে শেখ মনিরুজ্জামান বলেন. ২০১১ সালের ১৩ অক্টোবর তিনি হৃদরোগে আক্রান্ত হলে তাকে বিধিবহির্ভুতভাবে ৫০শতাংশ খোরাকী ভাতা না দিয়ে মনগড়া ভিত্তিহীন অভিযোগ এনে ওই সালের ১৩ নভেম্বর ইছামতী টেকনিক্যাল এন্ড বিজনেস ম্যানেজমেন্ট কলেজের অধ্যক্ষের পদ থেকে সাময়িক বরখাস্ত করেন আক্তারুজ্জামান। পরে ওই পদে ননএমপিওভুক্ত শ্যামনগর টেকনিক্যাল এন্ড বিএম কলেজের অধ্যক্ষ হাফিজুল আল মাহমুদকে ভারপ্রাপ্ত অধ্যক্ষর দায়িত্ব দেওয়া হয়। তাকে অবৈধ অপসারণের বিরুদ্ধে মামলা করায় ২০১৪ সালের ২ ফেব্র“য়ারি দেবহাটা সহকারি জজ আদালত সংশি¬ষ্ট কলেজের অধ্যক্ষের পদ শূণ্য ঘোষনা না করা বা তার (শেখ মনিরুজ্জামান) স্থলে নতুন কোন অধ্যক্ষ নিয়োগের কার্যক্রম থেকে বিরত থাকার জন্য নিষেধাজ্ঞা দেন। অধ্যক্ষের (মনিরুজ্জামান) জাল পদত্যাগপত্র দেখিয়ে জালিয়াতির মাধ্যমে ২০১২ সালের ৮ডিসেম্বর নূরুল ইসলামকে নতুন অধ্যক্ষ নিয়োগ ও ১১ ডিসেম্বর তাকে যোগদান দেখিয়ে এমপিওভুক্তি হয়েছেন মর্মে সহকারি জজ আদালতের নিষেধাজ্ঞার আদেশ স্থগিতের জন্য জেলা ও দায়রা জজ আদালতে আপিল করেছেন।
সংবাদ সম্মেলনের মাধ্যমে দূর্ণীতিবাজ আক্তারুজ্জামানের যাবতীয় অপকর্মের তদন্ত করে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য সংশি¬ষ্ট কর্তৃপক্ষের দৃষ্টি আকর্ষণ করা হয়েছে। সংবাদ সম্মেলনে উপস্থিত ছিলেন প্রতারণার শিকার ইছামতী টেকনিক্যাল এন্ড বিএম কলেজের ব্যবস্থাপনা বিভাগের প্রভাষক মোঃ আবুহার রহমান।
এ ব্যাপারে অধ্যক্ষ আক্তারুজ্জামান জানান, শেখ মনিরুজ্জামান এভিএএস সংস্থার নির্বাহী কমিটির সদস্য ছিল। বর্তমানে তিনি মনিরুজ্জামানের দায়েরকৃত মামলার বিবাদী। তার (আক্তারুজ্জামানের) বিরুদ্ধে আনীত অনিয়ম দূর্ণীতির অভিযোগের সঙ্গে ওই মামলার বিষয়টি সংবাদ সম্মেলনে উপস্থাপন করায় কোনরুপ মন্তব্য করতে অপারগতা প্রকাশ করেন তিনি।

Need Ads

সর্বশেষ - ব্রেকিং নিউজ

Shamol Bangla Ads
error: কপি হবে না!