কেশবপুর (যশোর) প্রতিনিধি : কপোতাক্ষ অববাহিকার ২০ লক্ষাূূূধিক মানুষের প্রাণের দাবি কপোতাক্ষ নদ খনন কাজের গতি ত্বরাম্বিত করতে পানি উন্নয়ন বোর্ডের অতিরিক্তি মহাপরিচালক ইব্রাহিম খলিল মঙ্গলবার দিনব্যাপী কেশবপুর ও তালা উপজেলার কাজ পরিদর্শন ও জনপ্রতিনিধিদের সাথে মতবিনিময় করেছেন।
জানাগেছে, ২০১১ সালে কপোতাক্ষ নদ জলাবদ্ধতা দূরীকরণ প্রকল্প গ্রহনের পর এ নদ পলিমুক্ত করতে পাখিমারা বিলে টিআরএম ও শালিখা খাল খননের উদ্যোগ নেয়া হয়। কিন্তু স্থানীয় ব্যক্তিদের অসহযোগিতা ও প্রতিবন্ধকতা সৃষ্টির কারণে মানুষ পাখিমারা বিলের পেরিফেরি বাধ নির্মাণ শুরুর পর স্থানীয় এক ব্যক্তি হাইকোর্টে মামলা করায় কাজের ওপর স্থগিতাদেশ প্রদান করেন। ইতোমধ্যে পাউবো উদ্যোগ নিয়ে কোর্টের স্থগিতাদেশ প্রত্যাহার করানোর পর পেরিফেরি বাধ নির্মাণের কাজ শেষ হয়েছে। টিআরএম চালু না করে খাল খনন করা হলে পলি জমে পুনরায় নদ ভরাট হওয়ার আশঙ্কায় অতি দ্রুত টিআরএম চালু করা হবে বলে কাজ পরিদর্শন কালে পাউবোর অতিরিক্ত মহাপরিচালক ইব্রাহিম খলিল সংবাদিকদের জানান। উপবিভাগীয় প্রকৌশলী শফিকুল ইসলাম জানান, কপোতাক্ষ নদের তালার শ্রীমন্তকাটি থেকে সাগরদাঁড়ির কোমরপুর পর্যন্ত পাইলট চ্যানেল খননে ৫টি উভচরসহ ১৫ টি স্কেভেটরের কার্যক্রম অব্যাহত রাখা হচ্ছে। যাতে অন্তত এ বছর কপোতাক্ষ তীরবর্তী গ্রামে নদের পানি না ঢুকতে পারে। পরবর্তীতে নদ খননের পর আর জলবদ্ধতার সৃষ্টি হবে না বলে তিনি দাবি করেন।
এদিকে, প্রকল্প কাজে আর যাতে প্রতিবন্ধতা সৃষ্টি না হয় সে জন্য মঙ্গলবার সন্ধ্যায় সাগরদাঁড়ির মধুমঞ্চ মিলনায়তনে পাউবোর উদ্যোগে স্থানীয় জনপ্রতিনিধি ও সুধি সমাজের সাথে মতবিনিময় সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্য রাখেন পাউবোর অতিরিক্ত মহাপরিচালক ইব্রাহিম খলিল। উপজেলা চেয়ারম্যান এইচ এম আমির হোসেনের সভাপতিত্বে মতবিনিময় সভায় আরো বক্তব্য রাখেন পাউবোর নির্বাহী প্রকৌশলী মশিউর রহমান, উপজেলা নির্বাহী অফিসার আবু সায়েদ মোঃ মনজুর আলম, নব নির্বাচিত ভাইস চেয়ারম্যান নাছিমা সাদেক চম্পা, পাউবোর উপ-বিভাগীয় প্রকৌশলী শফিকুল ইসলাম, উপজেলা প্রকল্প কর্মকর্তা বিপুল কুমার মালাকার, চেয়ারম্যান শাহাদৎ হোসেন, রফিকুল ইসলাম প্রমুখ।




